এলপিসি
এলপিসি নেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা নিছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এলপিসি নেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা নিছে
আমার জমির পরিমাণ 74 শতাংশ আমি শিবপুর থানার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা ভূমি অফিসে খারিজের জন্য যাই সেখানে যাওয়ার পর সকল কাগজপত্র আমার ঠিক থাকার পরও ওনারা আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি উনাদেরকে বলি যে সরকারি ফিস তো ১১৭০ টাকা তাহলে ৩০ হাজার টাকা কেন উনি বলেন যে ভূমি অফিসার ৫০ শতকের উপরে যদি জমি হয় তাহলে ৩০ হাজারের কমে সাইন করে না আমার টাকার খুব প্রয়োজন তাই আমার ইমারজেন্সি বিক্রি করতে হবে সে কারণে আমার ৩০০০০ টাকা দিয়েই জমির নাম জারি করতে হয়েছে তারপরও আমি প্রায় আপনার এক মাসের মতো ঘুরেছি।
TTC থেকে ডাইভিং প্রশিক্ষণ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য আবেদন করি এবং পরীক্ষা দিতে যায় পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করে এবং খাতা দেখতে চাইলে খাতা দেখায় না পরীক্ষায় পাস করিয়ে লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা দাবি করে ২৬০০ টাকা দিলে সব করে দিবে। ২৭ থেকে ৩০ জনের সাথে টাকা নিয়েছিল
নোয়াখালী জেলা চাটখিল উপজেলায় নির্বাচন কমিশন অফিসে NID কাড করতে গিয়ে ছিলাম সব কাগজ জমা দেওয়া হয়।কিন্তু আমার ছবি এবং ফিঙ্গার এর মেসেজ আসেনা প্রতি ৩ মাস হয়ে গেছে তার পরেও আসেনা এর মধ্যেই কয়েক বার বলছি। তার পরে তারা বলে টাকা লাগবে শুধু আমি এক জন না প্রতিটা মানুষের একি অবস্থা পরে ৩হাজার টাকা নিয়ে ওই দিনে ফিঙ্গার এবং ছবি তুলে NID কাডের কাজ সম্পুর্ন করা হয়।
আমার মা এর নামে জমি নাম জারি করতে গিয়েছিলাম। কাগজ পাতি সব ঠিক আছে কিন্তু ঘুষ চাওয়া হয়। আরো বলে ৮০ হাজার টাকার মতো খাজনা লাগবে যা মোটেও লাগেনি নামধারী করার জন্য। এবং সেখানে অনেক দালাল আছে যা অফিসের সাথে সম্পৃক্ত নয়। আমার কাছে ঘোষ চেয়েছে। আমি ৫০০ টাকা দিয়েছি। বলে, এই টাকা হবে না তারপরেও আমি দিয়ে এসেছি।
অনলাইন বেসিস পত্রিকা । যার প্রতিদিন কোন হার্ডকপি প্রিন্ট হয়না। ঢাকায় বসে । এ আই দিয়ে একটি চটকদার রিপোর্ট সাজিয়ে। চাঁদা দাবি করে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ব্যকহোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে পাঠায় এবং এজেন্ট এর মাধ্যমে খবর পাঠায় ।ঐ পত্রিকার সম্পাদক এর সাথে যোগাযোগ না করলে । সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে সম্মান হানি করবে। ফলে বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত সেই টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ সব পত্রিকার চাঁদাবাজি সম্পাদক এর বিরুদ্ধে কি কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
আমি আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ঝিনাইদা বিআরটিএ অফিসে যায় সেখানে যাওয়ার পরে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি কোনভাবেই তারা আমাকে সহযোগিতা করে না পরবর্তীতে বিআরটিএ অফিসারের কক্ষে যায় বিষয়টা বলি কাউন্টার থেকে আমাকে কোন সহযোগিতা করছে না তখন উনি বলে যে আমাকে দেন আমি সবকিছু করে দিই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তার কথায় রাজি হই এবং তার কথা অনুযায়ী তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত টাকা কর্মকর্তার হাতে নগদ প্রদান করি। উনি আমার সমস্ত কাগজ জমা নেন এবং আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট রেডি হয়ে আসে দুর্ভাগ্যবশত ওই কর্মকর্তা কুষ্টিয়াতে পোস্টিং হয়ে যায় এবং বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আমার বাইকের স্মার্ট কার্ড এবং নাম্বার প্লেট দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আরও ২000 দাবি করে।
আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল কাজ নিজে করেছি সকল পরীক্ষায়(লিখিত, ঝিকঝাক ও মৌখিক) অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হলেও আমাকে বলা হয় ফাইল জমা দিতে হলে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে ২০০০ টাকা দিতে হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ আড়াইসিধা দিয়ে নবীনগর টু আশুগঞ্জ রাস্তা যাবার জন্য সরকার জনগণের কাছ থেকে রাস্তা অধিগ্রহণ করেছে সে রাস্তা টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভূমি অধিগ্রহণ অফিস থেকে তুলতে হয়। সেখানে ৫% থেকে ১০% ঘুষ না দিলে কেউ টাকা পাচ্ছে না। আমরাও চার লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে টাকা তুলতে হয়েছে এবং এটা সবার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষটা নেওয়া হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমার ডকুমেন্ট সব থাকার পরও গুষ দিতে হয়েছে
আমি গত অর্থবছরে পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করি। দলিলের নকল তুলতে চাইলে এই অফিসের নকলনবিশ ২,০০০ টাকা দাবি করে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খরচ ছিল ৬৩০ টাকা। এই অফিসে দলিলের নকল নিতে হলে ২০০০ টাকা দিতেই হবে, অন্যথায় কোন নকল আজ অবধি দেয় নি এই অফিসের সিন্ডিকেট। বাধ্য হয়ে তাই ২,০০০ টাকা দিয়ে নকল উত্তোলন করতে হয়েছে।
আমাদের একটি জায়গা রয়েছে বরিশালের সেই জায়গাতে এমন একজনের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল যে আমাদেরকে সব ধরনের ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয় এজন্য যখন আমরা ওই জায়গাটি বিক্রি করতে যাই তখন বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় পড়ে যায় এই কাগজ নাই সেই কাগজ নাই এই ধরনের কথাবার্তা বলে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়! পরবর্তীতে আমরা সব ধরনের কাগজপত্র উঠাই এবং এতে অনেক টাকা পয়সা যায় তারপরও একটা কাগজ নিয়ে খুবই আপত্তি ছিল যে কাগজটি উঠানো খুবই জটিল ছিল কোন ধরনের সুযোগ ছিল না সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আমরা যখন মামলা দায়ের করি মামলায় অনেক টাকা পয়সা চলে যায় সে টাকা পয়সার কথা এখনো উল্লেখ করিনি একটা পর্যায়ে চার-পাঁচ বছর যখন চলে যায় তখন ওদের কাছে বলি এত দেরি হচ্ছে কেন তখন বলে টাকা ঢালেন টাকা ধরলে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে
পানির মিটার নষ্ট হলো কিনা তাদের আসাদগেটে ল্যাব আছে তারা বলবে কি করতে হবে। কিন্তু গ্রাহককে সেখানে যেতে দেয়না। তারা নিয়ম করেছে অলিখিত পুরতন মিটার তাদের দিলে নুতন মিটার তাদের থেকে ২১০০০টাকা দিয়ে নিতে হবে পিরাতন ফেরত দিবে না।
টাইম স্কেল লাগানোর জন্য ৭০০০ টাকা ঘুষ চাইলে দফারফা করে ৫৫০০ টাকা দেই
অফিস থেকে বলে টাকা দিলে কাজ হবে আর টাকা না দিলে কাজ হবে না
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
সেবাটি ছিলো আমার মামলা একতরফা শুনানীর জন্য ছিলো। ভূলবশত তদ্বীরের জন্য খারিজ হয়েছে। পরে একটা দরখাস্ত দিয়েছি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মামলাটি পরে পেশকার ১৫০০ টাকার নিচে দরখাস্ত গ্রহন করবে না। পরে ১১০০ টাকা দিয়ে মানানো হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার মামলায় এমন চলছে।
চিঠি পাঠাতে প্রত্যেকবার ৫৳ করে বারতি দেওয়া লাগে কারণ যিনি চিঠি পোস্ট করে ; উনাকে নাকি অনলাইনে একটু কাজ করতে হয়।যার জন্য তিনি মাত্র ৫৳ অতিরিক্ত রাখেন!!তাছাড়া ৫টাকার ডাকটিকিট যদি আমি নিজেও ক্রয় করি তাহলেও মোট ১০টাকা দিয়ে চিঠি পোস্ট করা লাগে। বি:দ্র: ডাকটিকিট ৫টাকার এবং খাম আমার নিজের।এছাড়া অন্য যারা চিঠি পোস্ট করেন তারা ৫টাকাই রাখেন।
আমি জানি সরকারি রেট হচ্ছে চার হাজার কত টাকা জানি সঠিক মনে নাই কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে নয় হাজার টাকা যদি না দেই তাহলে কাগজ পাতি হয় না আমি নিয়ে গেছি আবেদন করার পর আমার আর কে বলে ওয়েট করেন এক ঘন্টা ধরে থাকার পর বলতেছে যে নতুন করে আবেদন করেন যখন নতুন করে আবেদন করতে চাই তখন এতগুলো টাকা চাচ্ছে পরে বলতেছে এখন আপনার ইচ্ছা করবেন কি করবেন না পরে কি আর করার টাকা দিয়ে আবেদন করার পর যখনই নিয়ে গেছি তখন মাত্র এক ঘন্টার ভিতরে আমার সকল কাজ কমপ্লিট
শুধু হেলমেট ছিলনা বলে মাধবপুর থানার কালো একজন অফিসার আমার গাড়ির মামলা দিতে চাইছিল আমি অনাকে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলে আমাকে আমার গাড়ির চাবি ফিড়িয়ে দেন শুধু টাকা নেয়ার জন আমরা মটর সাইকেল তাদের জন্য ভালো ভাবে চালাইতে পারিনা 👍