ভূমির নামজারি
কয়েক মাস পূর্বে আমার ক্রয়কৃত জমির নামজারি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম, যেখানে সরকারি খরচ লেখা মাত্র ৫০০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়া হয়েছিল। ঘুষ এখন আমাদের দৈনন্দিন খরচ হয়ে গেছে, না দিলে কাজ করে না সরকারি অফিসারেরা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কয়েক মাস পূর্বে আমার ক্রয়কৃত জমির নামজারি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম, যেখানে সরকারি খরচ লেখা মাত্র ৫০০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়া হয়েছিল। ঘুষ এখন আমাদের দৈনন্দিন খরচ হয়ে গেছে, না দিলে কাজ করে না সরকারি অফিসারেরা।
passport korar jonno amar kache 17000 taka chailo ami dilam karon passport amar dorkar chilo.
চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র থানায় জমা দিতে গেলে,পুলিশ আমাকে বলে আপনার নামে ভালো রিপোর্ট পাঠানো হবে। কথার মধ্যেই বলে একটু চা- পানি খাওয়ান।আমিও এটা রীতি ভেবে ৫০০ টাকা দিলাম।
শ্রীমঙ্গল কলেজ থেকে জামালপুরে টিসি নিবো তাই আবেদন করি,অনলাইনে ডকুমেন্টস সাবমিট করি,কিন্তু আমাকে টিসি দিচ্ছিলো না।পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করি,আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে ৪০০০টাকা দিলে,আমাকে টিসি দেয়,
আমার কাগজে সামান্য ত্রুটি থাকায় তারা আমাকে বলে এই সমস্যার সমাধান করতে ২ হাজার টাকা লাগবে এবং পরবর্তীতে আমি ১৯০০ টাকা দিয়ে সেটি সমাধান করি। সেটি তাদেরই সমাধান করার কথা ছিল। আমি বের হয়ে আসতে চাইলে, গেটে আনসার আমাকে তাহলে এভাবে ফেরত দেওয়ার চেয়ে তুমি টাকা খরচ করো তোমার কাজ হয়ে যাবে। ২০০০ টাকার অফার করে। আমি তাকে ১৯০০ টাকা দিতে রাজি হয়ে যাই। পরবর্তীতে ১৯০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করি
খসড়া খতিয়ান তৈরি করে দেওয়ার জন্য। এটা এই অফিসে অলিখিত ভাবে দিতে হয়। না হলে রিপোর্ট তৈরি করে দিবে না।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে কাগজ জমা নেয়।পরবর্তীতে ফোনে বিভিন্ন ভাবে টাকা চায় পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দেই।
আমি আমার বর্তমান বউকে ভালোবেসে বিয়ে করি। আমার শ্বশুরপক্ষ এটা না মেনে আমার নামে নারী ও শিশু অপহরণ মামলা করে। যদিও আমার বউ প্রাপ্তবয়স্ক ছিল। পরে আমাদের সন্তান সন্তানাদি হলে আমার শ্বশুরপক্ষ কোর্ট থেকে কেসটি উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সকল সাক্ষ্য প্রমাণসহ আমরা কোর্টে উপস্থিত হই কেসটি উইথড্র করার জন্য, কিন্তু সরকার পক্ষের উকিল কেসটি উঠিয়ে নিতে বাধা দেয়। এবং অনেক হয়রানির শিকার করে।পরে উকিলদার পার্সোনাল সহকারীকে দিয়ে আমাদের কাছে পাঠায় এবং বলে ৩০ হাজার টাকা হলে আমাদের উকিলের সাথে বসে কাজটি করে দিবে। আমরা ৩০ হাজার টাকা দিতে অশিক্ষিত জানালে পরে 2০ হাজার টাকা নিয়ে আমাদের কাজটি করে দেয়। আমি মনে করি প্রত্যেকটা কোর্টের সরকারি উকিল এ ব্যবসার সাথে জড়িত।
আমার ওয়াইফের একটা গর্ভবতী ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এই অনলাইনের আবেদন কপি আমার বগুড়া এক নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এর কাছে অনলাইন কপিটা হস্তান্তর করি তখন উনি আমার কাছে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে উনি আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা ঘুস চায় এবং আমি ওনাকে পরিশোধ করে দিই পরিপেক্ষিতে উনি আমাকে আজকে তিন মাস ধরে ঘুরাইতেছে বলতেছে বাজেট নাই এই মাসে না অন্য মাসে এভাবে সে আমাকে ঘুরাচ্ছে এখন আমি এটার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরে বলেছি উনিও একই কথা বলছে কিন্তু উনাকে আমি মেম্বারকে যে ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি এই কথাটা বলি নাই তখন আমি সচিব কে বলি যে আপনারা যদি না পারেন আমাকে কোথায় কথা বলতে হবে ওখানকার নাম্বার দেন তখন আমাকে উপজেলা একজন কর্মকর্তা নাম্বার দেন এবং উনার সাথে কথা বলি
### তাকামুল পরীক্ষায় ঘুষ দাবির অভিযোগ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় **তাকামুল পরীক্ষা** দিতে আমি ঢাকা যাই। পরীক্ষার নির্ধারিত ফি ছিল **৫০ ডলার (প্রায় ৬,৫০০ টাকা)**। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাস করানোর নামে অনেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমরা মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন আগে একবার পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তারা জানান, তাদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য **২৫–৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ/কন্টাক্ট করতে বাধ্য করা হয়েছিল**। তারা আমাকে বলেন, কন্টাক্ট ছাড়া পরীক্ষা দিলে পাস করার সম্ভাবনা নেই। আমি কোনো ঘুষ বা কন্টাক্ট না করে পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা শেষ করে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং আ
বিদেশে কোম্পানির লিয়াজো অফিস লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি | অপ্রয়োজনীয় অনেকগুলো ডকুমেন্ট দাবি করে এর সাথে সংযুতি করার জন্য | অপারগতা প্রকাশ করলে ছয় হাজার টাকার বিনিময়ে দফারফা হয়ে যায় | এজন্য শুধু টাকা যায়নি আমার বাড়তি 5 দিন অফিসে সময় নষ্ট করে যেতে হয়েছে |
উত্তরা ভূমি অফিসে নাম জারি করতে গিয়েছি। টাকা না দিলে অনেক ঝামেলা অনেক অফিস যেতে হবে বলতেছিল । অবশেষে ২৪০০০ টাকায় সহজে ওনারা করে দিয়েছেন।
খাজনা দেওয়ার জন্য, আবেদন অনুমোদন করতে
রাস্তায় অধিগ্রন এর জন্য আমার ৩০ শতাংশ জায়গা অধিগ্রহন করা হয়।।আমার বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্তেও তারা নানা ধরনের ভুল ধরে।।প্রায় ২ বছর ঘুরায়।পরে বাধ্য প্রতি লাখে ১০% হারে ৩৬০০০০ টাকা ঘুস দিয়ে বাকী টাকা তুলি।।
NAM JARI KORTE GESILAM. TAKA CHARA KOTHAI NAI .. AGE TAKA PORE FILE CHARBE TAR AGE NA .
আমার বাইকের দ্বিতীয় রোগের হেলমেট ছিল না, মামলা দিবে ২০০০ টাকার, ১০০০ টাকা দাবি করে এবং টাকাই দেই
জমির নকল দলিল তুলতে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে
পাসপোর্ট বানানোর কাম করে এবং আইডি কার্ড ঠিক করার নাম করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এর মধ্যে কিছু টাকা বিকাশে এবং টাকা হাতে হাতে নিয়ে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট কোনোটিই দেয় না এবং অধিক টাকা দাবি করে। আমাদেরকে জানিয়ে ছিল এই টাকা তিনি নিচ্ছেন সেটা নাকি সরকারি ফি। এর সাথে অফিসের অনেকেই জড়িত।
যথারীতি অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে , ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে প্রয়োজনীয় কাজ পত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই কর্তব্যরত ব্যাক্তি সবকিছু চেক করে বললেন আপনি আগামী সপ্তাহে আসেন, জানতে চাই কেনো? কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে এড়িয়ে গেলেন। অনেক চেষ্টা করে কোনো উপায় না পেয়ে। দ্বায়িত্ব রত আনসার সদস্য এসে বলেন ভাই ১৫০০ টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। ঠিক ১৫০০ টাকা দিলাম কাজ হয়ে গেল।
সোনালি ব্যংক এ একাউন্ট করতে যাওয়ার পর আমি বলেছি আমি স্টুডেন্ট কিন্তু ওনি আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিলেন অথচ আমার একাউন্টে জমা ছিল ৫০০ টাকা। বাকী ১০০ টাকা কাচুমাচু করে পকেটে চালান দিলেন। শুধু আমি না সোনালী ব্যাংক এ এই বিষয়টি অহরহ ঘটে। যা আমি সরাসরি দেখেছি।