রোড পারমিট
অফিস থেকে বলে টাকা দিলে কাজ হবে আর টাকা না দিলে কাজ হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিস থেকে বলে টাকা দিলে কাজ হবে আর টাকা না দিলে কাজ হবে না
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
সেবাটি ছিলো আমার মামলা একতরফা শুনানীর জন্য ছিলো। ভূলবশত তদ্বীরের জন্য খারিজ হয়েছে। পরে একটা দরখাস্ত দিয়েছি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মামলাটি পরে পেশকার ১৫০০ টাকার নিচে দরখাস্ত গ্রহন করবে না। পরে ১১০০ টাকা দিয়ে মানানো হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার মামলায় এমন চলছে।
চিঠি পাঠাতে প্রত্যেকবার ৫৳ করে বারতি দেওয়া লাগে কারণ যিনি চিঠি পোস্ট করে ; উনাকে নাকি অনলাইনে একটু কাজ করতে হয়।যার জন্য তিনি মাত্র ৫৳ অতিরিক্ত রাখেন!!তাছাড়া ৫টাকার ডাকটিকিট যদি আমি নিজেও ক্রয় করি তাহলেও মোট ১০টাকা দিয়ে চিঠি পোস্ট করা লাগে। বি:দ্র: ডাকটিকিট ৫টাকার এবং খাম আমার নিজের।এছাড়া অন্য যারা চিঠি পোস্ট করেন তারা ৫টাকাই রাখেন।
আমি জানি সরকারি রেট হচ্ছে চার হাজার কত টাকা জানি সঠিক মনে নাই কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে নয় হাজার টাকা যদি না দেই তাহলে কাগজ পাতি হয় না আমি নিয়ে গেছি আবেদন করার পর আমার আর কে বলে ওয়েট করেন এক ঘন্টা ধরে থাকার পর বলতেছে যে নতুন করে আবেদন করেন যখন নতুন করে আবেদন করতে চাই তখন এতগুলো টাকা চাচ্ছে পরে বলতেছে এখন আপনার ইচ্ছা করবেন কি করবেন না পরে কি আর করার টাকা দিয়ে আবেদন করার পর যখনই নিয়ে গেছি তখন মাত্র এক ঘন্টার ভিতরে আমার সকল কাজ কমপ্লিট
শুধু হেলমেট ছিলনা বলে মাধবপুর থানার কালো একজন অফিসার আমার গাড়ির মামলা দিতে চাইছিল আমি অনাকে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলে আমাকে আমার গাড়ির চাবি ফিড়িয়ে দেন শুধু টাকা নেয়ার জন আমরা মটর সাইকেল তাদের জন্য ভালো ভাবে চালাইতে পারিনা 👍
অনলাইন বেসিস পত্রিকা । যার প্রতিদিন কোন হার্ডকপি প্রিন্ট হয়না। ঢাকায় বসে । এ আই দিয়ে একটি চটকদার রিপোর্ট সাজিয়ে। চাঁদা দাবি করে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ব্যকহোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে পাঠায় এবং এজেন্ট এর মাধ্যমে খবর পাঠায় ।ঐ পত্রিকার সম্পাদক এর সাথে যোগাযোগ না করলে । সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে সম্মান হানি করবে। ফলে বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত সেই টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ সব পত্রিকার চাঁদাবাজি সম্পাদক এর বিরুদ্ধে কি কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
শিক্ষক স্থায়ীকরন করতে জনপ্রতি ২৫০০টাকা চাওয়া হয়। দরকষাকষি করে শেষ পর্যন্ত জন প্রতি(১১জন) ২০০০টাকা ঠিক হয়। কিন্তু কোন খাতে খরচের জন্য এই টাকাগুলো নেওয়ার হয় তা শুধু TEAuo এরা জানে। এমকি উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোন শিক্ষকের বকেয়ার বিল করতে গেলেও টাকা লেনদেন করতে হয়। কোন শিক্ষককে পিআরএল গেলেও প্রায় ৩০হাজার মত টাকা দিতে হয় উপজেলা শিক্ষা অফিসে আর ট্রেজারি খরচ বাবদ।মোট কথা ঘুষ ছাড়া শিক্ষা অফিসে কোন কাজ হয় না।
২০২৬ সালের মার্চ মাসে আমার ছেলের নয় মাস বয়স পড়ে। ব্যাংকের চাকরির সুবাদে তখন আমার পোস্টিং চট্টগ্রামে। বাড়ির কাছাকাছি হাসপাতাল ছিল "১০ শয্যা বিশিষ্ট কর্নেল হাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র"। তো ৯ মাস বয়সের শিশুদের সরকারিভাবে বিনামূল্যে হামের টিকা দেয়া হয় কিন্তু সেই হাসপাতাল আমার ছেলেকে টিকা দেয়ার জন্য ৫০ টাকা ঘুষ চায়। আমার বাবা ঘুষের টাকা দিয়ে আমার ছেলেকে টিকা দিয়ে নিয়ে আসে।
নতুন একটা পাসপোর্ট করতে গেলে আমার হাত থেকে আবেদন করবে নিয়ে বলছে, একটা স্বাক্ষর দিয়ে এসে বলছে, এখানে ঝামেলা আছে ১৬০০ টাকা লাগবে, আমার জানামতে কাগজ সব ঠিক ছিল, নিরুপায় কাগজগুলো আমাকে আর দিচ্ছে না তাই ওর সাথে কথা বলে ৫০০ টাকা দিছি, তারপর কাগজটা দিল।
আমি ক্রয় করেছিলাম,সরকারি সব ফি জমা দেওয়ার পরও দলিল লেখক আমাকে বলে ৫০০০ হাজার টাকা দিতে হবে।আমি বললাম কেনো, বলল-এটা দেওয়ার নিয়ম, ভিতরে নেয়।বললাম, কিসের টাকা, বললো দিতে হয়।
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
ঘটনাটি পুরো একটি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের সাথে প্রতিনিয়ত ঘটছে। জন্ম সনদের ভুল তথ্য সংশোধন, নতুন জন্ম সনদ নিবন্ধন, সরকারী সহায়তার আওতাধীন ভিজিডি সেবা, ন্যায্যমূল্যে চাল সুবিধা ইত্যাদি সরকারী সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফী এর বাইরে কয়েক শত গুণ বেশি টাকা নেওয়া। জন্ম সনদে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে বারবার একই সেবা গ্রহীতা হতে টাকা নেওয়া। সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পের লোভ দেখিয়ে এলাকার জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে নিজের পকেটে নিয়ে নেওয়া ইত্যাদি দুর্নীতি। একজনের নামে বরাদ্ধকৃত সহায়তা আরেকজন অথবা নিজের নামে করে নেওয়া। এটি প্রতিনিয়ত ঘটছে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলাধীন ২নং ফটিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের উদ্যোক্তা কর্তৃক।
আমি জেলা লিগ্যাল এইডে গেছি যাওয়ার পর ফার্স্টে আবেদন করছি আবেদন করার সময় ওইখানকার কর্মকর্তা লুকায়িতভাবে টাকা দাবী করে ৫০০,তারপর আমি কাজটা করব দেইখা ৩০০ টাকা পর্যন্ত দেই তারা নিতে চায় না ওরে দুইটা নোটিশ যাওয়ার পর যে নোটিশ পাঠাবে সেই আবার টাকা চায় তাদের কাজ তারা ঠিকভাবে করে না এবং অফিসে গেলে তাদের কাছে পরামর্শ চাইলে ওইখানকার কর্মকর্তারা বাজে বিহেভ করে বলতে তারা সাধারণ মানুষদের, ইগনোর করে টাকা দিলে কথা বলে না হয় বলে না
চৌদ্দ শতাংশ ভূমি নামজারি করার জন্য আমার কাছে বারো হাজার টাকা দাবি করেন। আমি আর্থিকভাবে অসচ্চল এটা জানানোর পরও তারা একটাকাও ছাড় দেয়নি, বরং পুরো টাকা না দিলে নাম খারিজ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
আমি একটি পরিবহন সংস্থা পরিচালনা করি। যা কিনা নিজস্ব গাড়ি এবং মার্কেট থেকে ভাড়া করা গাড়ি দিয়ে পণ্য পরিবহন করা হয়। একবার ১৩ টন রোড পরিবহনের জন্য মার্কেট থেকে একটি গাড়ি ভাড়া করা হয় যা ভুয়া ড্রাইভার ও ভুয়া গাড়ি নাম্বার দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এই মাল উদ্ধারের জন্য সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চে সাহায্য চাইলে তারা ২,২০,০০০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
৬০০০ টাকার বিনিময় মিউটেশনের কাজ করে দেবে বলে এক মাস পরে মিউটেশনটি করে দেয় কিন্তু ভুল, ভুল করে দেয়। পরবর্তীতে আবার গেলে আবার টাকা লাগবে বলে জানায় আমি ভুক্তভোগী কোন টাকা দিতে রাজি হই না পরবর্তীতে অনলাইনে আবেদন করি নিজে নিজেই এখন পর্যন্ত ৮ মাস হয়ে গেছে টাকা দেই না তাই আমার কাজ এখনো হয়নি । জানিনা আর কতদিন লাগবে ।
সিটির অটোরিকশা শৃঙ্খলায় নিয়ে আসার নাম করে চিকন চাকার রিকশা: ৫,৪০০টি অজানা মোটা চাকার মিশুক: ৫,৫৭১টি ×৮০০= 4,456,800 লম্বা অটোরিকশা: ৫,৯৬৮টি ×১৫০০=8,952,000 এবং চালক ১১৫৩৯× ৫০০=5,769,500 সর্ব মোট= 20,178,300 টাকা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু টাকার রশিদ দেওয়া হয়নি। টাকার রশিদ ছাড়া টাকা আদায় একটা দুর্নীতি। একটি টোকেন দেওয়া হয়েছে টোকেনে টাকার কথা উল্লেখ নেই। যে সেবার জন্য নেওয়া হোক রিসিপ্টে টাকার কথা উল্লেখ থাকতে হবে না হলে স্পষ্ট দুর্নীতি। 2 কোটি 17 লক্ষ 8হাজার 300 টাকার দুর্নীতি হয়েছে। নোট: অটোরিকশার সংখ্যা। টাকার পরিমাণ ঠিক আছে। আমি নিজে একটা অটোর জন্য অপারেশন টাকা পরিশোধ করেছি। এবং আমার ড্রাইভার 500 টাকা পরিশোধ করেছে।
কয়েক মাস পূর্বে আমার ক্রয়কৃত জমির নামজারি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম, যেখানে সরকারি খরচ লেখা মাত্র ৫০০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়া হয়েছিল। ঘুষ এখন আমাদের দৈনন্দিন খরচ হয়ে গেছে, না দিলে কাজ করে না সরকারি অফিসারেরা।
passport korar jonno amar kache 17000 taka chailo ami dilam karon passport amar dorkar chilo.