খাজনা রশিদ
জমি বিক্রি করার জন্য খাজনা পরিশোধ করে খাজনা রশিদ আনার জন্য, চাইছিল ৩৫ হাজার দফা রফা করে ৮০০০ এ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি বিক্রি করার জন্য খাজনা পরিশোধ করে খাজনা রশিদ আনার জন্য, চাইছিল ৩৫ হাজার দফা রফা করে ৮০০০ এ করি
Pay for get Police clearence certificate
চিকিৎসা ভাতা আবেদনে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাইন নিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল ফ
২০১৯ সালে পাসপোর্ট করতে অফিসে গেলে তারা অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা পরিশোধ করা লাগে।
প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিদেশী কর্মীদের জন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিট ও মেয়াদ পূর্তি কর্মীদের ভিসা ক্যান্সেলেশন এপ্রুভ করার জন্য, কারণ টাকা না দিলে তারা শর্টফল দেয় ও দেখা করতে বলে
পাসপোর্ট করার কাগজ জমা দিয়েছিলাম সেটি নাইনি। পরবর্তী তার পাশের দোকানদারদের সাথে কম্পিউটারের মাধ্যমে টাকা নিয়েছে সেই কাগজ আবার নতুন তৈরির নাম করে।
জবের পুলিশ ভেরিফিকেশিনে। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও টাকা নিছে। বাংলাদেশ কি কখনো চেঞ্জ হবে না!
তাদের ভাবসাব এমন ছিলো,আমি টাকা না দিলে,আমার অনেক ভুল ধরিয়ে দিবে।এমনকি আমাকে হয়রানি করবেে,,,
ক্যান্সার রোগীর আবেদন জমা দিতে হবে। এমনতবস্থায় তাকে এন্ট্রি খরচ হিসাবে। সম্মানী দিতে হবে।১০০ টাকা। দিয়ে দিলাম।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দেয়া হয়েছে না দিলে লাইসেন্স করে দিবে না
নিজেদের কৃষি জমিতে সেচ কাজের জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, প্রথম আমাদের বিদ্যুৎ অফিস থেকে জানাই না হয়. আবেদন করে ত্রিশ হাজার টাকা দিলে আপনারা বিদ্যুৎ পেয়ে যাবেন. আবেদন করার পর বিভিন্ন অজুহাত নিয়ে তারা এক লাখ টাকা দাবি করে.কাজ অর্ধেক সম্পন্ন করে পরবর্তীতে তারা এক লাখ 50 দাবি করে, আমরা না দেওয়ায় আগে টাকা ফেরত দিবে না পেরে জানিয়ে দেয়, কোন উপায় না পেয়ে আমরা দেড় লাখ টাকা পরিশোধ করি, কাজটি ৮০% সম্পন্ন করে, আমারে জানাই যে বিভিন্ন লোকে অভিযোগ করছে, আপনাদেরকে অফিসে যেতে হবে, আমরা অফিসে যাওয়ার পর আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা মোট দুই লাখ টাকা প্রতিশোধ করি, ত্রিশ হাজার টাকার বিদ্যুৎ আনতে আমাদের মোট দুই লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে , এছাড়াও আমাদের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে।
নাম জারির জন্য সরকার নির্ধারিত ফি হলো ১২০০ টাকার মতো, কিন্তু আবেদনের পর বিভিন্ন ভুল ধরতে থাকে। তারপর বলে আমাদের লোক দিয়ে আবেদন করেন এবং ১০০০০ টাকা দেন হয়ে যাবে। অতপর বাধ্য হয়ে দাবিকৃত টাকা দিলে কোন সমস্যা ছাড়াই নাম জারি হয়ে যায়।
আমার বাবার অফিশিয়াল ভাবে ট্রান্সফার নোটিশ আশে, চাকরি জীবনের শেষ জেলা পরিশদ থেকে এল জি ইডি তে যেতে হবে। শেষ বয়সে নিজের এলাকাতেই সবার ট্রান্সফার হয়। বাবা একটু অসুস্থ ছিলেন তাই আমি সহ ঢায়া এজ জি ই ডি অফিসে যাই। অফিসের ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সেখানকার এক লোক ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তা না হলে দূরে কোথাও ট্রান্সফার করার ও ফাইল আটকে রাখার ভয় দেখান। পরে ৫০ হাজার টাকায় মানেন।
NTRCa এর মাধ্যম ১৮ তম নিবন্ধন এ সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করলাম। বেতন ধরানোর জন্য mpo করা লাগে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সেন্ড করবে না টাকা ছাড়া। এ দিকে আমার বাসা থেকে ৩৫০ কিমি দূরে না আছে কোন আপজন আমার বেতন না হলে চলবো কিভাবে বাধ্য হয়ে ঘুষ ূদিতে হচ্চে
আমার আইডি কার্ড ঠিক থাকার পরে-ও বলে এই সমস্যা সেই সমস্যা পাশে কম্পিউটার এর দোকানে গেলাম বললো ১৫০০ টাকা লাগবে দিলাম। সেই লোক পাসপোর্ট অফিসার এর ফোনে আমার আইডি পাঠিয়ে দিলো। তার পর যাওয়ার পরে বলে সব ঠিক আছে। আমার কাজ হয়ে গেলো। এরেকম আরো অনেক অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছি।
বাংলাদেশ একটি আমদানি নির্ভর দেশ এবং আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা সবসময়ই সকল পন্য সামগ্রী আমদানি করে থাকে। কিছুদিন আগে একটি পন্য হটমেল্ট গ্লু আমদানি করার সময় পোট শিপিং সেকশন এইটা হোল্ড করে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এইগুলা নাকি ডেঞ্জারাস গুডস! কিন্তু ইন্টারন্যাশনালি এইটা কোনো ডেঞ্জারাস গুডস নয়। যার কারণে আমদানিকারকের থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি ঘুষ হিসেবে ওরা নিয়ে নে। এবং আমদানিকারক নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য। উল্লেখ্য এইধরনের ঘটনা চট্টগ্রাম পোট শিপিং সেকশনে রেগুলার এক্টিবিটিতে পরিনত হয়েছে। যা এখন স্বাভাবিক মনে হয়।
ঠিকাদার কোন কাজ কমপ্লিট করে বিল আনতে গেলে
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির ৩ বছর পূর্তি হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা "শ্রান্তি বিনোদন ভাতা" পেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ভাতা নিতে গিয়ে আমাকে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, আমার অফিস এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যোগসাজশে কোনো কর্মচারীর বেতন-ভাতা বা iBAS++ এ কোনো বিল তুলতে গেলেও ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।
শিক্ষা অফিসে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা শিক্ষকদের যেকোনো কাজে গেলে যেমন জিপিএফ চালু, চাকরি স্থায়ী করণ, সন্তানের শিক্ষা ভাতা চালু, এলপিআর এর যাওয়ার সময়, পেনশন এর সময় সকল ফাইল এর সমস্যা দেখায় যা টাকা দিলেই ঠিক হয়ে যায়। ছোট কাজের ক্ষেত্রে ৫০০/১০০০. বড় কাজে ৫০০০-২০০০০ নেয়।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মচারী কল্যান তহবিলের ক্লার্ক ফাইল মেইটেইনেন্সের জন্য টাকা লাগবে দাবি করে এক মাস কাজ পেন্ডিং রেখে সরাসরি টাকা চায়। পরে ৫০০০/- নেয়ার পরও কাজটি করে নি। দ্বিতীয় পর্বে টাকা চাওয়ায় আর এ বিষয়ে সেখানে যাই নি। কাজও হয় নি।