আগুনে পুড়ে যাওয়ার প্রত্যায়ন পত্র
গত ১৮/১০/২০২৫ ঢাকা বিমান বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে আমার ৯ টি কনসাইনমন্ট ৮ টি বিমানের গুডাউনে ছিল ১ টি ছিলো এওয়াই জেট কোরিয়ার এর গুডাউনে। ৮ টির কনসানমেন্টর প্রত্যায়ন পত্র নিতে দিতে হলো ১০০০০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গত ১৮/১০/২০২৫ ঢাকা বিমান বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে আমার ৯ টি কনসাইনমন্ট ৮ টি বিমানের গুডাউনে ছিল ১ টি ছিলো এওয়াই জেট কোরিয়ার এর গুডাউনে। ৮ টির কনসানমেন্টর প্রত্যায়ন পত্র নিতে দিতে হলো ১০০০০ টাকা।
সরকারি মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য কোনো ধরনের সরকারি ফি দিতে হয় না। সরকার কর্তৃক প্রদত্ত এই সেবাটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে 5000 টাকা দাবি করেছে, এবং সেটা দিতে হয়েছে না হলে আমাকে সেবাটি দিবে না,
আমার আমার নামের জমি আমার বড় ভাইকে দানপত্র দলিল করেছিলাম, প্রিয়ন দিতে হয়েছে ২০০ টাকা, সাব রেজিস্টার স্যারকে 10000 টাকা চেয়েছিল, আমরা অনেক জড়াজড়ি করে ৬০০০ টাকা দিয়েছি। উনি পিয়ন এর মাধ্যমে ঘোস লেনদেন করেন
আমি যতবার বাংলাদেশে পাসপোর্ট করেছি ততবার হয়রানি শিকার হয়েছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া দালালদের প্রভাব এত বিস্তৃত যে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা কোন না কোন ভুল ধরে বলবে সংশোধন করে আবার আসুন। দেখা যায় পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যায় তবুও নিজের সরাসরি পাসপোর্ট করা যায় না অবশেষে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির লাগাম না টানতে পারলে সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে দুর্নীতির মহারাষ্ট্র হয়ে যাবে।
নামজারী করতে ১০০০০ টাকা দিতে হবে, না দিলে ফাইল রিজেক্ট হবে।
প্রথম্বার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিয়ে পাস করার পর ও রেজাল্ট ফেইল এসেছিলো, আমার পাশেই অন্যজন কিছু না পেরেও পাস করেছে তাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম সে ঘুষ দিয়েছে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করিনি। এটাই বাংলাদেশ।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি, কোম্পানির আইডি কার্ডসহ আমি জমা দিয়েছি , উনি আমার কথা বিশ্বাস করে না , আমার মুখে দাড়ি আছে এনআইডি কার্ডে দাড়ি নাই, অজুহাত দিয়া আমার আবেদন ফরম জমায় নেবেন না, নিরুপায় হয়ে আমি দালালের মাধ্যমে উনাদের কে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যতগুলা লোক আছে সবাই দালালের মাধ্যমে কাজ করে. এটার অবস্থা পুলিশের মত টাকা দেবে না এক জায়গা থেকে সামনের টেবিলে আবেদন পত্র অন্য জায়গায় যাবে না আল্লাহ এটা হেদায়েতদেক আমাদের প্রশাসনের লোকগুলা কে আল্লাহতালা হেদায়েতদেক
খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি ১টি তুলা ৬০০ করে টাকা চাইছিল,আমি বললাম সরকারি ফি ১৬০ টাকা ডাকমাশুল সহ। তিনি বললেন এভাবে ১ মাসে ও পাবেন না, তাই বাধ্য হয়ে মুহুরীর মাধ্যমে ১২০০ টাকা দিয়ে ২ টি খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি তুলেছি ১ সপ্তাহের মধ্যে।
০৯/০৬/২০২৬ থেকে ১৮/০৬/২০২৬ মন্ত্রণালয় থেকে এমপিও প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের জন্য আসে। শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে ছয়টা প্রতিষ্ঠান থেকে 24 লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা সাথে করে নিয়ে ঢাকাতে গিয়ে পরিশোধ করা হয়।
আমি ভারত যাচ্ছিলাম ঘুরতে , যশোর বেনাপোল সীমান্তে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ইমিগ্রেশন সিল দেয়ার জন্য ১০০০ টাকা চেয়েছে, আমি ঐ সময় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করলে আমার পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ ইমিগ্রেশন সিল দিয়ে দেয়।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংলিশ করতে সরকারি কোনো ফ্রি লাগেনা, কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করেছে তা না পরিশোধ করলে আমাকে সেই সেবাটি দিবে না, এবং আমাকে কাগজ পাতির অনেক হয়রানি করেছে
জরুরি কাজে আমার এন আই আইডি প্রয়োজন ছিলো, তারা বলেছিল জরুরি কাজে টাকা লাগবে, ঘুষ কেনো দিবো বলায় তারা উত্তর দেয় সময় মতো আইসেন। সেজন্য বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
আমরা ঘুরতে যাই আমাদের কাছে দেশিও মদ থাকায় বান্দরবান লামা যাচ্ছিলাম ড্রাইভার কোন ভাবে বুঝে সেনাবাহিনীকে জানিয়ে দেয় তবে সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলাম শখের বয়সে নিচ্ছিলাম লামা যাওয়ার সময় এনাইডি জমা দিতে হয় ওইখানে কাউকে চেক না করে আমাদের কে করে সেনাবাহানি পুলিশ ব্যাটেলিয়ন লোক মিলে এক পর্যায় হুমকি দিয়ে ৩০০০০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০০০০ দেই । তারা বলে চায়ের দোকানে আইডি কার্ডের ফটোকপি তে টাকা দিতে বাজ করে সেই কাজই করেছি প্রশ্ন হলো বড় বড় মাদক চালানের সময় একই কাজ করে?
বন্ড টু বন্ড ট্রান্সফার এর জন্য দিতে হলো গত ১৮/৮/২০২৬
আমি সৌদি প্রবাসি। বাংলাদেশে এসে পাসপোর্ট ১০ বছরের করবো বলে আমার আগে সৌদি থাকা অবস্তায় পাসপোর্ট দিয়ে করতে গেলে তারা বলে, আপনার পাসপোর্ট সৌদি থেকে করা এখন আমাদের এখান থেকে করতে গেলে আপনাকে জবসলভেন্সি করা লাগবে যার কারনে আপনাকে তিনহাজার টাকা দিতে হবে,আমার প্রশ্ন হলো আমি আগে যে পাসপোর্ট করে ছিলাম সৌদি দুতাবাস থেকে তাহলে কেন আমাকে এত গুলো টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হলো,,,,
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো সমস্যা হবে পরে বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি
আমি সাবেক সরকারি কর্মচারি ছিলাম যখন পাসপোর্ট করতে যাই আমার আইডি কার্ড ভেরিফাই করে পাওয়া যায় আমার পেশা লিখা ছিল সরকারি চাকুরিজীবি। তাহলে তো noc লাগবে চাকরি ছেড়ে আসছি ১৪ বছর আগে এনওসি কোথায় আছে জানিনা। noc ছারা রিজেক্ট করে তখন গেটে থাকা আনসার, পুলিশের লোকগুলোই তাদের এজেন্ট তাদের কাছে তথ্য চলে আসে এই লোক রিজেক্ট হয়েছে। তখন তারাই আমাকে অফার করে যে পাসপোর্ট হয়ে যাবে কিছুই লাগবে না শুধু টাকাটা বেশি দিতে হবে। আমিও বিভিন্ন যায়গা ঘুরেফিরে ক্লান্ত তখন আমি রাজি হয়ে যাই তখন আমাকে নিয়ে যায় তাদের বড় স্যারের কাছে উনার সাথে কথা হয় আনসার বাহিনী এক লোকের সাথে। আমার সাক্ষাৎ হয় স্যারের সাথে এবং ১৪ দিনে পাসপোর্ট রেডি ৪৫০০ টাকার পাসপোর্ট হয়ে যায় ৯০০০ টাকা আর কত ভিরম্বনা এই হলো সরকারি সেবা।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশ ২০০০/- নিয়েছে,ঢাকার বাসায় পুলিশ ভেরিফাই করতে এসে টাকা চেয়েছে।এবং দিতে বাধ্য হয়েছি।
নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত সকল শিক্ষকগণের নিকট হতে বাধ্যতামুলক ৫০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য নেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে নানা রকম হয়রানী করা হয়।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত নাবিক থেকে জেসিও'স পর্যন্ত সকলেই ঘুষ ছাড়া কেউ পেনশন তুলতে পারে না, এমনকি ডিএসপি ফান্ডের টাকা তুলতে লাখে ১০০০/১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, তা না হলে বলবে আপনার এই সমস্য ওই সমস্যা ইত্যাদি হয়রারি থেকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। অথচ সামরিক বাহিনীর এ-ই নাবিকরাই পুরো নৌবাহিনীতে প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলছে। নৌবাহিনীর অফিসারদের এক টাকাও ঘুষ প্রদান করতে হয় না, তাদের একনজর প্রতিনিধি ওখানে লাইজোনিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা আছে, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদবির, ওনিই মূলত অফিসারদের সবকিছুই এসএফসির সাথে কোটার্ডিনেট করেন। অথচ প্রতিনিয়ত পেনশনারদের নিয়ে দিক নির্দেশনা বক্তব্য দেয়া হয় বিএনডোরস থেকে যে ঘুষ প্রদান করা যাবে না, এগুলো শুধুই আই ওয়াশ।