মেডিকেল সার্টিফিকেট
চাকরির জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে। সবার কাছ থেকে ২০০ করে নিয়েছে। কেউ দিতে না চাইলে হয়রানি ও বকাঝকা। সিভিল সার্জনের দপ্তর হলেও সিভিল সার্জন নিজে এটা জানেন না। তার অগোচরে প্রতিনিয়ত হচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরির জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে। সবার কাছ থেকে ২০০ করে নিয়েছে। কেউ দিতে না চাইলে হয়রানি ও বকাঝকা। সিভিল সার্জনের দপ্তর হলেও সিভিল সার্জন নিজে এটা জানেন না। তার অগোচরে প্রতিনিয়ত হচ্ছে।
রাজশাহী আয়কর অফিসে কয়েক বছর আগে, একজন অফিস সহায়ক আমার সহ অনেকের ফাইল নিয়ে জিরো রিটার্ন দাখিল করছিল।
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা বলে ভুল আছে। এরপর বলে ২০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করতে পারবো। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট টি সম্পূর্ণ করি।
সর্বশেষ আমাকে ১৩০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হয় জমি রেজিস্ট্রি করছিলো না। এখানে নানা অজুহাতে টাকা দাবী করা হয়।
পাসপোর্ট অফিসে গেলে কাগজপত্র দেখে বলে হবেনা আমি বের হয়ে আসলে একজন আনসার ডেকে বলে দিকে আসেন পাসপোর্ট করাবেন আমি বললাম জী তিন হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে
খতিয়ানে নাম ভুল হয় এনআইডির সাথে মিল নাই এইটা ঠিক করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে ঠিক করে নিয়ে আসছি।
আমার ভাইয়ের ও আমার স্ত্রীর নামের জমির তামিল করতে দুদিন যাই প্রথম দিন একটার জন্য ৪০০ টাকা দিয়েছি অন্য দিন দুটার জন্য ৮০০?টাকা নিয়েছে, একজন মহিলা আছে ওনি আমার কাছে মনে হল ভালো মানুষ আর আমার টাকা নিয়েছে কালো করে দাড়ি ওয়ালা লোকটা যে ওখানে তামিল করে বলে বই কিনতে টাকা লাগে আরও অনেক খরচ আছে
ছোট কর্মচারী কে ভাল পোষ্টিন এবং অধিদপ্তরের ভাল ডেক্স এ বসানোর জন্য অথবা ভাল জায়গায় পোষ্টিন দেওয়ার জন্য এডমিন ক্যাডার এর অফিসার গণ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না । তারা তো এ দেশের হর্তাকর্তা ,শুধু এডমিন ক্যাডার এর অফিসার যতি ভাল হয় তা হলে এ দেশে ঘুষ বানিজ্য বন্ধ হবে ।কারণ সব ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান হলো এডমিন ক্যাডার ।
আমার সরকারি দপ্তরের কোন কন্টিজেন্সি বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে উত্তোলনের জন্য দিলেই মোট বিলের ৫% দিতে বাধ্য করে।
নয় ছয় বলে টাইম বাড়ানো।
নবায়ন করতে গেছি ওরা আমার কাছে ৩০০০ টাকা চাইছে
টি এ বিল অনন্য সকল বিলে ৮% থেকে ১০% দিতে হয়।
মোহরা /অথবা দালল টাইপের লোক মোহনপুর ভুমি অফিসে দুই শতক জমি দান রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা নেয়।
আমার জবের ভেরিফিকেশন এ গিয়েছিল ২ জন পুলিশ অফিসার। চা খাওয়ার জন্য ৫০০০/- টাকা দাবি করে। পরে ১০০০ দিতে চাইলে তারা বলে রিপোর্ট ভালো দিবে না। শেষে ৩০০০ টাকার নিচে নাকি সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় না। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
MPO করার জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাপরুভ করে না,পরে ৩০০০ টাকা দিলে এ্যাপরুভ করে, জেলা অফিস এ যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার ভাল মানুষ উনি টাকা ছাড়া যথা সময়ে এ্যাপরুভ করে দেন, ঢাকা শিক্ষা অফিস ফাইল গেলে ৪ মাস ফাইল ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয়, পরে আবার আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা অফিস আবার ৩ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল পাঠায়,এবার ঢাকা শিক্ষা অফিস এ আগের একই ফাইল একই কাগজ দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে ফাইল এ্যাপরুভ হয়,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা
আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে,তারপর ও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে একাধারে ৫ দিন হয়রানি করা হয়েছে। তারপর আমাকে একটা দোকান দেখিয়ে দিল (আরেকজন বহিরাগত)বল্ল ওনার কাছে যান সব ঠিক করে আসেন, গেলাম ওনি ৫০০০ টাকা চাইলো অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিলাম এখন আর কোন ভুল নাই! দরবেশ বাবার কেরামতি passport done.
একজনের মাধ্যমে করতে হয়েছে । আমার আম্মুকে ওমরাহ করানোর জন্য পাসপোর্ট বানিয়ে ছিলাম 2023 সালে। আমাকে বলেছে এখনকার সিস্টেম এমনি আপনার পাসপোর্ট করাতে চাইলে বারতি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং কি থানা ভেরিফিকেশন করতে ও 1000 টাকা দিতে হয়েছে।
Taxi driver license এর জন্য একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল । সরকারি চালান ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর থানায় ৯০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
এক্সিডেন্ট এর একজন রোগী নিয়ে আমি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে যাই।সেখানে আমার রোগীর সিলাই দেয়ার পর সিলাই বাবদ ১০০০ টাকা দাবী করে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
এখানে সরকারি চালানের পর অতিরিক্ত টাকা না দিলে কোনো কাগজপত্র ছাড় দেওয়া হয় না ।