গাড়ির কাগজ করতে যেয়ে।
আমার গাড়ির কাগজ করতে যেয়েমেহেরপুর বিআরটিএ তে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হইছিলো। একজন অফিস ক্লার্ক নিয়েছিলো ঘুস টা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার গাড়ির কাগজ করতে যেয়েমেহেরপুর বিআরটিএ তে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হইছিলো। একজন অফিস ক্লার্ক নিয়েছিলো ঘুস টা।
অনলাইনে সংশোধন এর জন্য আবেদন করার পরে শিক্ষা বোর্ডের সামনের কম্পিউটার এর দোকান থেকে মূলত ঘুষের সিন্ডিকেটটা রান করে। শিক্ষা বোর্ডের লোকজন তাঁদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে।
গ্রহিতার আইডি কার্ডে মায়ের নাম রোকিয়া খানম, দাতার আইডিকার্ডের নাম রোকিয়া বেগম।
নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, রামছাম বুঝিয়ে ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে, তারপর দালালের মাধ্যমে ১ দিনে সংশোধন করে দিছে। বিদেশ যেতে হবে বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে ঠিক করাইছি,,নাহলে ঘুয দিতাম না!
আমার মা এর জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম সেখানে বললো খুজে বের করে দিতে হবে। জিজ্ঞাস করলাম কতক্ষন লাগবে? বললো কতক্ষন লাগবে জানিনা আজ নাও হতে পারে। তবে 100 টাকা দিলে এখনই করে দিবো। তার পর বললো কম্পিউটারের দোকনে যান (ওই দোকান তার ছোট ভাইর)। ওখানে 100 টাকা। তারপর একজন মহিলার কাছে সেখানে 100 টাকা। অথচ পরে জানতে পারলাম এটা করতে কোন টাকা লাগে না। এত ছোট বিষয় তুলে ধরার কারন হলো যে এই ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান গুলোতেও ছোট ছোট অনেক ঘুসের কাজ চলে। কারো কাছে 300 টাকা কম হতে পারে তবে আমার ইনকাম দিনে 500 টাকা, আমার জন্য 300 টাকা অনেক কিছু।তাছাড়া একটু চিন্তা করে প্রতিদিন যদি একটি ইউনিয়ন পরিষদে 300 টাকা করে 10 জনের কাছ থেকে নেয় তাহলে এক দিনে 3000 টাকা যা মাসে দারায় 90000 হাজার টাকা। তাছাড়া ইউনিয়নে তো আর একটা কাজ না
আমার টিকিট আমার এক ভাই সংগ্রহ করে দিয়েছিল তার বন্ধুর কাছ থেকে। সেটা চেক করে বলেছে ব্লাক এ টিকেট কাটছেন। আমাকে জরিমানা করা হয় টিকেটের দ্বিগুণ মূল্য(360), যা আমার কাছে ছিলনা বলে আটকে রাখে বিমানবন্দর স্টেশনে,আমার ব্যাগ চেক করে ২০০ টাকা পায় ও সেটা রেখে দেয়,কোনো রিসিপ্ট ছাড়া আমাকে ছেড়ে দেয়।এটা ঘুষ ছিলনা ছিল ডাকাতি
driving licence korar jonno 12000 taka purki mara khaisi
Family property mutation procedure e 1.00lac+ niyeche aro dabi kore delay kortece.
রংপুরের শালবন পৌর ভূমি অফিস রংপুর সদর উপজেলা ও মহানগর ... টাকা ছাড়া তারা কোনোভাবেই, মিউটেশন খতিয়ান আবেদন DCR নতুন জমা নেনে না। অফিসে এ গেলেই চুক্তি করে এতো টাকা লাগবে। তাও ৩ মাস পরে কাজ করে দিসে। বিশেষ করে মুরুব্বি দেড় ঘুরে, ইয়ং হইলেও টাকা আবদার করে, টাকা ছাড়া কোন কাজ এ হবে না।
আমার পি এস সি এবং জেএসসি সার্টিফিকেটে বাবা এবং মায়ের নামের বানানে সামান্য ভুল থাকায় তা সংশোধন করার জন্য যাই,বিভিন্ন রকম ঝামেলায় পড়ে কোনো উপায় না পেয়ে ১৫০০০ টাকা চুক্তিতে কাজটি করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।কিন্তু বাবার নাম ঠিক করলেও এখন পর্যন্ত মায়ের নাম ঠিক করেনি,এইসব অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে আমিও আর যোগাযোগ করিনি।ঘটনা ২০২১ সালের।আজ০২-০৯-২০২৬
আমার এমআরপি পাসপোর্টে বাবার নাম মায়ের নাম নিজের নাম জন্মস্থান ভুল ছিল , মানে প্রথমবার দালাল পাসপোর্ট বানানোর সময় সব কিছু ভুল দিয়ে বানিয়েছিল , আমার লিগাল সবকিছু দিয়ে যখন আমি ই পাসপোর্ট করতে যাই , পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা অফিসাররা বলে, আমার পাসপোর্ট হবে না। কিন্তু অফিসের সহকারি একজন ( তিনি ভিতরেও কাজ করেন এবং বাইরে তার দোকান আছে) তিনি আমাকে প্রথমে ২০ হাজার টাকার বিনিময় পাসপোর্টটা করে দিতে পারবে বলে , তারপর আমি ২০ হাজার টাকা দিলে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর কিছুটা ধাপ এগিয়ে যায় , তারপরে একটা পর্যায়ে বলে আরও এক লক্ষ টাকা লাগবে , তারপর প্রায় চার মাস ঘুরার পর , এলাকার মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে তার কাছে গেলে ৬০ হাজার টাকায় রাজি হয় ,কয়েকদিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই ।
আমাদের একটি ভেজা বেড এবং যেখানে ফ্যান ছিল না এমন একটি জায়গা দেওয়া হয়েছিল রোগীকে পরবর্তীতে চেঞ্জ করে দিতে বললেও আমাদের কথায় কান দেয় নি।১০০ টাকা হাতে দেয়ার পর সে সমস্যা সমাধান করেছে। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ঘটনা।
নতুন ঠিকাদার তালিকাভুক্তির জন্য। অফিস খরচের কথা বলে নগদ গ্রহন করেছে। সরকারি ফি আলেদা সে অর্ডারের মাধ্যমে দিয়েছি। অফিস খরচ (ঘুষ) বাবদ অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেছি।
২০২১ সালে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় সর্বপ্রথম উনি আমাকে বলে এই পেপার গুলো স্পষ্ট নয় তারপর বলে তুমি কোথায় কাজ করো এখানকার আইডি কার্ড লাগবে আমি বলতেছি আমি স্টুডেন্ট এখন বলে স্টুডেন্ট কার্ড লাগবে ওই মুহূর্তে আমি কার্ড কই পাব তারপর আমাকে ডেকে উনার পাশে প্রায় এক ঘন্টা পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে আমি বিরক্ত হয়ে ওখান থেকে বের হয়ে গেছি কাগজ নিয়ে ছোটাছুটি করতেছি একজন পুলিশ বলতেছে তুমি এজেন্সি ছাড়া আসছো তোমার কাজ হবে না তুমি কাজ করতে চাইলে আমার সাথে কথা বল তখন আমি উনাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি এরপর উনি আমাকে বাইরে একটা লোকের কাছে নিয়ে গেছে উনি কাগজপত্র যাচাই করে দেখে কাগজ গুলা সঠিক কিনা তারপর উনি একটা স্বাক্ষর দিয়েছে এরপর পুলিশ আমাক সবকিছু সহযোগিত
বিদেশে আসতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গিয়েছিলাম , তারা ক্লিয়ারেন্স দিবে না ৪০০০ টাকা ছাড়া। যাই হোক সে টাকা দিলাম তারপর সে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার আনতে আবার ও ৫০০ টাকা নিয়েছে । ২০১৪ সালে ।
Police clearance certificate. Sp office gele bivinno document dimand kore. Dalaler maddhome korle sudhu taka lage, onno kisu lage na.
শুধু টলি ওয়ালেকেই আমার 600 টাকা দিতে হয়েছে আর কোন চিকিৎসা করাইতে পারি নাই টাকা দিয়ে সিট না কিনতে পেরে বা কোন ক্ষমতা বান ব্যাক্তি দিয়ে ফোন না দিতে পেরে। আমার পরে জারা গেছে ম্যানেজ করে তারা সিটের ব্যবস্থা নিছে। আমার কাছে টাকা ছিলো না কিন্তু টলি ওয়ালা খুব খারাব ব্যবহারের কারনে এম্বুল্যান্স ড্রাইভারের কাছ থেকে হাওলাদ নিয়ে দিতে হইছে। তেমন কিছু না তবে আমি আমার মনের রাগ টা ঝারলাম এখানে
আমার মায়ের নতুন জন্ম নিবন্ধন, এবং আমার জন্ম নিবন্ধন, সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হয়েছে,
আমি আদালতের রায় ডিগ্রি মূলে নিজ নামে খতিয়ান করার জন্য ভূমি অফিস যাই।ভূমি অফিস থেকে আমাকে মিস কেস করতে বলে।মিস কেস করার পর একেক বার একেক দরনের কথা বলে আমাকে ঘুরাইতে থাকে দীর্ঘ চার বছর এবং আমাকে দিয়ে তিন বার মিস কেস করায় এবং নানান অজুহাতে ৫০০-১,০০০ টাকা করে চার বছরে প্রায় ১৭০০০টাকা নেয়। কিন্তু দিন শেষে আমার কোন কাজ হয় নাই। পরে অফিসের একজন বলে ভাই এভাবে আসবেন যাবেন টাকা দিবেন কোন কাজ হবে না আপনি উনার সাথে কন্টাক করেন কাজ হয়ে যাবে। পরে ঐ অফিসারের সাথে কথা বলে কন্টাক করি ৪০,০০০ টাকা তার পর মাত্র ৭ দিনে আমার কাজ হয়ে যায়। যদি শুরুতে আমি কন্টাক করে কাজটা করতাম সময় বাছতো হয়তো এতগুলো টাকাও লাগতো না। এখন নিজে নিজে অঙ্গীকার করছি বৈধ ভাবে আর কোন কাজ করাবো না।কারন এই দেশে বৈধ কাজ করাতে গেলে জুতার তলা ক্ষয়
ধর্মপাশা উপজেলার টেন্ডারে একটি জলমহালের রিপোর্ট দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করা হয়। এটা গত ফেব্রুয়ারির ঘটনা।