নামজারি
জমির নামজারি জন্য মহিলা নায়েব কাছে গেলে ৪ একর জমি নামজারি করতে ৫০০০০ টাকা নেয়। কখনো ৫০০০ টাকা আবার কখনো ১০০০০ টাকা এভাবে পুরো টাকা নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির নামজারি জন্য মহিলা নায়েব কাছে গেলে ৪ একর জমি নামজারি করতে ৫০০০০ টাকা নেয়। কখনো ৫০০০ টাকা আবার কখনো ১০০০০ টাকা এভাবে পুরো টাকা নিয়েছে
২০১৯ সালে ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় এ অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে প্রধান শিক্ষক উক্ত অর্থ গ্রহন করে । পরবর্তীতে ২০২৩ সালে উক্ত পদ থেকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরি তে চলে আসে এতে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা হয় যে উক্ত অর্থের অর্ধেক এর একটু বেশি টাকা ফেরত দিবে । কিন্তু কিছু দিন অতিবাহিত হবার পরে শুধু ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আর বাকি টাকা দেই নাই । কিন্তু প্রধান শিক্ষক উক্ত পদে আবার নিয়োগ দিয়ে ঠিকই আবারো অন্য ব্যাক্তি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহন করেছে ।
সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"
আমি একটি জমি খারিজ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তারপর ভূমি অফিসের নায়েব আমার আবেদন বাতিল করে দেন কারণ আমার দলিলে একাধিক দাগ নাম্বার ছিল। পরবর্তীতে উনার সাথে যোগাযোগ করলে আমাকে বিভিন্ন অযুহাত দিয়ে হয়রানি করে প্রায় ১ বছর পরে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আমার জমি খারিজ করে দেন।
জমির নামজারি করার জন্য ১১০০০ এবং দ্বিতীয় বার ৫৫০০ টাকা দেই আমি ঢাকায় থাকার কারণে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে দিয়ে আসি প্রথম বার ৮ টি দাগের অংশের মধ্যে ৫ টি দাগ লিপিবদ্ধ করে এবং পরে বাকি ৩ টি দাগ উঠানোর টাকা দিয়ে আসি, আরো বেশি টাকা দাবি করে আনেক কষ্টে উল্লেখিত টাকা পরিশোধে বাধ্য হই।
ফেনী শহরের প্রতিটি দোকান - ফ্যাশন আউটলেট গুলো তে সরকারি নিময় ও অনুযায়ী সাপ্তাহিক শুক্রবার বন্ধ থাকার কথা থাকলেও তারা মাসিক চাদা চায় ৩০০০টাকা করে প্রতি দোকানে এটা বাধ্যতামূলক দিতে হবে লেবার কোড এর ডিসি মহাদয় সাহেব এবং লেবার আইনের মামলা ভয়বিধি দেখায় তাই ব্যবসা করতে হলে ৩০০০টাকা করে দিতে হবে।।।।। ২০০ টাকা লাগে লেবার লাইসেন্স মানে কর কারখানা লাইসেন্সের তারা ৩০০০টাকা করে প্রতি বছর নিয়ে থাকে।।।
আমি একজন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নিয়মিত ঠিকাদার। এখানে উপজেলা অফিস ২%,নির্বাহী প্রকোশলী ১%,এবং সিনিয়ার এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ারি,জুনিয়ার এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার, এস এ ইি,ল্যাব,একাউন্টস,সব মিলে ১.৫%,সরকারি মহা হিসাব নিরিক্ষণ অফিস. ২০% হারে ঘুষ না দিলে কনো বিল পাশ হয় না তাই বাধ্যতামুলক টাকা দিতে হয় এই টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকে।
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করেছিলাম। অনুমোদন করতেছিল না। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ করে দিছে। মুল খরচ ছিল ৩৫০০ এর মত। বাকিটা ঘুষ
কোর্টে যাবিন পাওয়ার পর আসামিকে ঘুষ ছাড়া ছেড়ে দেওয়া হয় না
চেকপোস্টের কাগজে নামে হয়রানি সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও বিটের নামে ঘুষ দেওয়া লাগে আর যদি না দেই মামলা অযাজিত অনর্থক মামলা দিয়ে হয়রানি করে তাই হয় না থেকে বাঁচতে ঘুষ দেওয়া লাগে
২৫ শত টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে না
চাঁদপুর থানা দিন কচুয়া থানা ১১৫ নম্বর মৌজা এবং 16 নম্বর মৌজা নাম খারিজ করার জন্য এবং রেজিস্ট করার জন্য এই টাকা পরিশোধ করেছি
Dhaka Jurain alakai passport police varification er somoi apnak fon diye bolbe apnar passport er varification korar jonno ei document golo bikrumpur or ei market er niche niye ason. Je kono akta address dibe. Then bolbe taka din tee/nasta khete. 1,2,3,4 hazar taka ditei hobe. Manos boje tara taka adai kore. Noito voi dekhai passport pabe na. Vlo report dibe na.
ধরুন একটা জমির মালিক বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি টি মিউটেশন করে আমাদের ভাই-বোনদের নামে আনার জন্য তশিলদার এসিল্যানড অফিস তারা ঘুষ ছাড়া মিউটেশন করে না আর যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে হয়রানির পর হয়রানি করতেই থাকে তাদের কাছে হাজিরার নামে দিনের পর দিন দিন ধার্য করে ।
লটারিতে কাজ পাবার পর RHD/PWD executive engineer এর জন্য ৫%+ division এ ২%+ circle এ ৩.৫%+ Sde ও SAE ১০% ছাড়াও প্রতিটি স্টাফ টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা না দিলে ব্যবহারও খারাপ করে। মূলত ঠিকাদারদেরকে জিম্মি করে ঘুষ আদায় করে। যারা ঘুষের টাকার অংকের কিছু ডিসকাউন্ট চায় বা কম দিয়ে ম্যানেজ করতে চায় তাদেরকে executive engineer-রা গোপনে তালিকাভুক্ত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ দেয় না। এমন খারাপ ব্যবহার করে যেন তাদের কাছে ভিক্ষা চাইতে গেছি! জঘন্য অবস্থা এই দেশের। এই দেশে কোন সুস্থ বা সৎ মানুষের বসবাস করার কোন সুযোগ নাই সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে। খুবই হতাশাজনক। মাঝেমধ্যে মনে হয় এমন দেশে কেন জন্মগ্রহণ করালো মহান আল্লাহ..??!
প্রতিবার আমার বাবার পেনশনে টাকা উত্তলন করতে গিয়ে ৫০ বা ১০০টাকা দিতে হইতো
ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঘুষ ছাড়া রোগী ভর্তি করে সিট পাওয়া অসম্ভব। আমি একজন গরীব রোগী নিয়ে ভর্তি করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে একটা সিট পেয়েছি তার জন্য।
রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এস এস সি নাম্বার পত্র, প্রসাংশা পত্র বাবদ প্রতি জন ১০০০ টাকা নিআ্চ
আমার বাবা হার্ড এ্যাটাক হওয়ার পড়ে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট এ নিয়ে যাই সেখানে ক্যাথ ল্যাবে টেম্পোরারি প্রেসমেকার লাগাতে এ টাকা দিতে বাধ্য হই
২০২৩ সালে আমার এনআইডিতে নাম ভুল ছিল সংশোধন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কাম-কম্পিউটার আমার কাছে এই অর্থ দাবি করে, জরুরি ভাবে পাসপোর্ট বানানো প্রয়োজন বিধায় আমি তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য হই।