জায়গার নামজারি
নামজারি অনলাইনে ৩বার করেছি নামঞ্জুর করে দিয়েছে, শেষে ১০ হাজার নিয়ে তাও আমাকে এখনো একটা নামজারি খারিজ করেনি।এ যেন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। আল্লাহ হেদায়েত দিক।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি অনলাইনে ৩বার করেছি নামঞ্জুর করে দিয়েছে, শেষে ১০ হাজার নিয়ে তাও আমাকে এখনো একটা নামজারি খারিজ করেনি।এ যেন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। আল্লাহ হেদায়েত দিক।
২৩৫ টাকা ডি সি আর নবায়ন ফি ,যা রশিদে উল্লেখ করা থাকে কিন্তু তা ৫০০০ টাকা দিলে নবায়ন হয় অন্যথায় হয় না।
দালালের মাধ্যমে চেয়েছিলো।
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ুপজেলার শমসেরনগর স্টেশন যেখানে ট্রেনের টিকেট নিতে অনেক টাকা দিতে হয়।
Went to do mutation of my mom's land. He found out a random name error. The name of the husband of the previous owner of the land was mistaken in the Dalil. The Tofsildaar said that I have to correct that from pouroshova. I tried every singlebway possible but I wan't able to take sign from one authority. Then I went back to the office and told him all the chaos and then he said that he needs money to fix it. In reality he didn’t fix anything. He just approved the application and that name error is not even needed anywhere cause it was the previous land owner lady's husband name. I was 20 at that time and did't knew how to deal with this type of situation so I bargained a little and paid that
Every month ACT received from S.Alam group just to provide clearance of their file
Renewal of Import Registration Certificate. Officer of that office delaying to provide renewal after submitting all supporting evidence fees and the likes.after paying the bribe I got my certificate
আমি ঢাকার উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়েছিলাম।অনলাইনে যা যা কাগজপত্র চেয়েছিল সেই মোতাবেক সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে রিসিপশনে যে বসা ছিল সে আমাকে বলল পাশে যে আনসার সদস্যরা আছে তাদের কাগজ দেখান। আমি যথারীতি কাগজ দেখালাম। তারা বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক হয়নি। আমি বললাম কোথায় ভুল আছে। তারা তা সদ উত্তর দিতে পারল না। তারা শুধু একটি কথাই বলল আপনার কাগজ কিছুই ঠিক নেই। শুধু একজন কানে কানে বলল পাসপোর্ট অফিসে তো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওই বাথরুমের নির্দিষ্ট যাদের পনেরশো টাকা রেখে আসুন কাজ হয়ে যাবে। আমার নিরুপায় হয়ে ১৫০০ টাকা রেখে আসতে হল, পাসপোর্ট তৈরি করার কাজে নাম্বার দিয়ে দেওয়া হলো, দেন সমস্ত কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেল। আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল।
আমি অনলাইনে নিজে আমার ভাইয়ের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করি। আবেদন করার পরে ভুক্তভোগী বন্ধু বান্ধবদের কাছে জানলাম যে, নিজে নিজে আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট থানা নাকি এটা বাতিল করে দেয়, তাই অতি সত্তর থানায় যোগাযোগ করতে হবে। থানায় যাওয়ার পরে তারা বললো, এটা আমি কেন আবেদন করলাম? এটা নাকি করতে হলে তাদের মাঝ্যমে করতে হয়, এটা বাতিল হয়ে যাবে হেন তেন নানা কিছু । তারপর ওরা বললো, ওদের মাঝ্যমে করলে ওদের কে একটা খরছ দিতে হয়। আমি বাঁধ্য হয়ে সেই খরচটা লোকটার হাতে দিতেই লোকটা কম্পিউটারে চেক করে বললো, কোন সমস্যা নাই হয়ে যাবে।
দামিহা ভূমি অফিস, তাড়াইল উপজেলায় একটা খারিজের নাম জারির জন্য আবেদন করলে তারা আমাদের বিভিন্ন তালবাহানা করে ঘুরাতে থাকে। প্রায় অনেক দিন যাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিসার আমাদের কাছে ১০০০০/- টাকা দাবি করে। আমরা বললাম ঠিক আছে ভিজিটি করতে আসেন টাকা দিয়ে দিব। ভিজিট করতে আসলে ১০০০০/- টাকা দিলে উনি বলে আমার সাথে যে আসছে উনাকেউ ১০০০/- টাকা দেন কি করবো উনাকেউ দিলাম। মোট ১১০০০/- টাকা দিলাম। তার পর ৮ মাসে আমাদের খারিজ আসলো।
আমি থানায় গেলাম, বলালাম আমার ফ্যামিলির জায়গা নিয়ে একটা সমস্যা আছে। এটা সমাধান করার জন্য কি কি করতে হবে। তারপর একজন বলল মামলা করবেন? আমি বলি না! আমি আপনাদের মাধ্যমে সমাধান চাই। চেয়ারম্যান বা এলাকার মানুষ দিয়ে হবে ন। ওরা সমস্যা আরো প্রকট করবে। আপনারা গেলে আপনাদের কথা সবাই শুনবে। ঠিকাছে, বলেন কি করলে সুবিধা হয় আপনার। আমার চাচার সাথে আপনারা কথা বলে একটা লিগ্যাল সমাধান দিবেন। আমাদের জমির সীমানা সীমানায় গাছ আছে ৩ টা। এটা নিয়ে সমস্যা। কিন্তু সীমানা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আমি গাছ কাটতে নিষেধ করছি। কারন, একটা গাছ আমার সীমানা বরাবর আছে। এরপর বলে আপনি আপনার চাচার নাম্বার দেন আর আমরা যে যাবো তার খরচ আছে। আমি ১০০০ টাকা দিতে চাইছি, বলে যে এটা কি দিচ্ছেন। ৫ হাজার টাকা দেন, তারপর আপনার চাচাকে চাপ দিবো।
আমার বাইকের মালিকানা পরিবর্তন করা ছিলো না। এই কারননে আমাকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করতে চায়। তার একটু পর৷ সারজেন্ট এর সাথে কথা বইলা আইসা সারজেন্ট এর কন্সটেবল আমাকে ৩০০০ টাকা দিতে বলে। পরে আমি ২০০০ টাকা দিয়ে দেই। আমি রশিদ চাওয়ার পর বলে যে, রশিদ লাগবেনা। আমরা আছি এদিক বাইক আমরাই ধরি, তুমি টেনশন কইরোনা।
বার বার রিজেক্ট করা হয়েছিল। পরবর্তিতে ঘুষ দেওয়া লাগছে
আমি একজন শিক্ষক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে ব্যাচেলর অব এডুকেশন বিএড ভর্তি হওয়ার পর এনটিআরসি এর গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একটা মাদ্রাসায় গণিত শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি, এর আট মাস পর পরীক্ষা শুরু হয় পরীক্ষা অংশগ্রহণের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও তৎকালীন মাদ্রাসার সভাপতি আমার কাছে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে ওরা পরীক্ষার অনুমতি দিবে না পরবর্তী আমি বাধ্য হয়েই ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করি এবং বিএড স্কেল ধরার সময় আরো দুই হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই
বাসার হোল্ডিং নং খুলে দেওয়ার জন্য ঘুষ চেয়েছিল, ধাপে ধাপে ৩০ হাজার নিয়েছে। কিন্তু এখনো কাজটি করে দেয় নাই
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ফটিকছডি থানার পুলিশ verification এর দায়িত্ব থাকা sI 50000 টাকা দাবি করেন। আমারা 10000 টাকা দিই।
বেতন চালু করতে হলে তাদের মিষ্টি খাওয়াতে হবে। এজন্য জনপ্রতি ২০০০ দিতে হবে। চাকরীজীবনে ঢুকে প্রথম ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা এটা। টাকা না দিলে বিরম্ভনা, কালক্ষেপণ , শেষমেশ দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি একা না একসাথে অনেকের।
Every month 18000 tk is paid To Dhamrai VAT office by a company.
২০২৩ সালে আমার এনআইডিতে নাম ভুল ছিল সংশোধন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কাম-কম্পিউটার আমার কাছে এই অর্থ দাবি করে, জরুরি ভাবে পাসপোর্ট বানানো প্রয়োজন বিধায় আমি তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য হই।