১২৩
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ফটিকছডি থানার পুলিশ verification এর দায়িত্ব থাকা sI 50000 টাকা দাবি করেন। আমারা 10000 টাকা দিই।
বেতন চালু করতে হলে তাদের মিষ্টি খাওয়াতে হবে। এজন্য জনপ্রতি ২০০০ দিতে হবে। চাকরীজীবনে ঢুকে প্রথম ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা এটা। টাকা না দিলে বিরম্ভনা, কালক্ষেপণ , শেষমেশ দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি একা না একসাথে অনেকের।
Every month 18000 tk is paid To Dhamrai VAT office by a company.
২০২৩ সালে আমার এনআইডিতে নাম ভুল ছিল সংশোধন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কাম-কম্পিউটার আমার কাছে এই অর্থ দাবি করে, জরুরি ভাবে পাসপোর্ট বানানো প্রয়োজন বিধায় আমি তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
আমার বাবা হার্ড এ্যাটাক হওয়ার পড়ে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট এ নিয়ে যাই সেখানে ক্যাথ ল্যাবে টেম্পোরারি প্রেসমেকার লাগাতে এ টাকা দিতে বাধ্য হই
জমির দালাল এর মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা চায় নাম জারি করতে
সৌদি আরব জাওয়ার জন্য নতুন নিয়ম চালু করছে সৌদি আরবের সরকার তাকামুল সার্টিফিকেট তার মুল্য মাএ ৭০০০টাকা আমি পরীক্ষা দেওয়ার পরে আমাকে বলে টাকা না দিলে পাস করিয়ে দিবো না
এইটা কমন খরচ না দিলে ডুকুমেন্টস এ দাড়ি,কমার কারনে আটকাইয়া রাখে যাত জাহাজীকরন আটকাইয়া যায়। এইটা প্রতি ডুকুমেন্টস খরচ।
ভ্যাট চালান অনলাইনে প্রতি মাসে জমা না দিলে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা হবে। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। প্রথম যখন জানতে পারলাম তখন অনলাইনে আমি চালান সহ জমা করি। সে সময় দায়িত্ব প্রাপ্ত কাস্টম ইন্সপেক্টর আমাকে ফোন দিয়ে বলেন আপনি যে জমা করেছেন। আপনি এসবের খাতা নিয়ে আসেন। আমি বললাম কন্টাকটারি কাজে এভাবে আমরা করি নাই । তখন উনি বললেন তারপর সজার করে ৩০ হাজার টাকা ফাইন হয়েছে। আমাকে ১০ হাজার টাকা দেন না হলে আপনাকে ফাইন করে দিব। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমাকে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাস কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১০০০০ করে টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে ভ্যাট বাবদ।
বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে যার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই সামান্য নাগরিক সনদ তোলার জন্য। যে ব্যক্তি ফর্ম দিচ্ছিল সেই টাকা চাচ্ছিল।
লাইসেন্সের পরীক্ষার আগে লারনার কার্ড কাগজ দেয়া বাবদ।
৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে একটি হাইস্কুলে একসাথে একাধিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছিলাম। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য জন প্রতি ৫০০০ দিতে হয়েছে। এটা সারাদেশের শিক্ষা উপজেলা অফিসের চিত্র।
সাধারণত একটি দলিল করার পরবর্তী সময়ে ভূমি রেকর্ডের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়ে থাকে, এই ভূমি রেকর্ড করতে গেলে প্রথমত অনলাইনে আবেদন করা লাগে। সাধারণ ব্যক্তি অনলাইনে আবেদন করার পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রিপোর্টের বা প্রতিবেদনের জন্য উপস্থিত হলে প্রতিবেদনের জন্য প্রতিটি ই-নামজারি আবেদনের জন্য এক থেকে দুই হাজার টাকা চার্জ করা হয়, ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড ও সার্ভেয়ার এবং অফিস কর্মকর্তা থাকেন এই সকল ব্যক্তিদের এক থেকে দুই হাজার টাকা দেওয়া লাগে তা না দিতে পারলে আপনার আবেদনটি না মনজুর হিসেবে গণ্য হবে। সর্বমোট প্রতিটি ই-নামজরি মনজুর করার জন্য খরচ হয়ে থাকে ৮০০০-১০০০০ হাজার আর কাগজপত্র সাধারণ কোন ভুলত্রুটি থাকলে নেওয়া হয় অধিক চার্জ যেমন : ১০,০০০ - ******* যা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টদায়ক।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় ফেল করায় দেয়, তাই বাধ্য হয়ে টাকা দেই।অথচ আমি লিখিত ও ফিজিক্যাল পরিক্ষায় পাশ করি।
টাকা না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ফেল করা হবে এবং লাইসেন্স কে বাতিল করা হবে।
আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য পরিদর্শন করতে এসে ভদ্রভাবে ২০০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
আমার বার্ত সার্টফিকেট কারেকশন এবং ছেলের বার্ত সার্টিফিকেট করার জন্য দুইটা মিলে ৪০০০ দিতে বাধ্য হয়েছি। মহাখালী সিটি করপোরেশন অফিসে দালাল এ ভরা
৩ বার,৩ দিন জমাকৃত কাগজে অযাচিত ভুল ধরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বাসায় চলে যেতে নিলে ৩য় দিনে একজন কর্মকর্তা বলেন ২০০০ টাকা দিলে আর ফেরত যাওয়া লাগবে না।
আমার এনআইডি কার্ডের নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম দীর্ঘ এক মাস অপেক্ষা করার পর আমি চলে যাই আইডি কার্ড সংশোধন অফিসে তখন তারা নানান জাতের সমস্যা বলছে পরে যখন আমি জানতে পারি দালাল ছাড়া এটি ঠিক হবে না তখন বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি সংশোধন করার জন্য এবং তা একদিনের ভিতর সংশোধন হয়ে গেছে