চাকরির ভেরিফিকেশন
এক কনস্টেবল আমার চাকুরির ভেরিফিকেশন এর জন্যে ১৫০০ টাকা নিয়েছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক কনস্টেবল আমার চাকুরির ভেরিফিকেশন এর জন্যে ১৫০০ টাকা নিয়েছিলো
আমার কাকা ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলো আর ২ হাজার টাকা দলিলের অনুলিপি করার জন্য ঘুষ দিয়েছিলো যা আমি পরে জানতে পারি
প্রতি লাইসেন্স এ টাকা দেওয়া লাগতো
নিজের ফোন থেকে জমির খাজনা/ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য প্রোফাইলে খতিয়ান যোগ করতে হয়। নিজ ফোন থেকে খতিয়ান যোগ করার আবেদন করার পর তা ইউনিয়ন ভূমি আফিস থেকে অনুমোদন দেয়নি। স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে আনুমোদন দিতে বললে ১০০ টাকা চায়। আমি কাজ করিয়ে ৫০ টাকা দিয়েছি। ডাসার, মাদারিপুর। ইউনিয়নের নাম উহ্য রাখলাম।
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।”
কম্পিটিটরদের সাথে প্রাইস এডজাস্টমেন্ট করতে না পারলে মার্কেটে টিকা যাবে না তাই তাদের পদ্ধতি ব্যবহার করে সরকারি শুল্ক ফাকি দেয়ার জন্য এই ঘুষ দিতে হয়।
সরকারি ফ্রি পরিশোধ করার পরেও উনি অনৈতিকভাবে ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং আমি বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিতে সম্মত হই।
আমি জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট নবায়ন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তাই পাসপোর্ট অফিসের কাজ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ ও পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে।
ট্রেন ভ্রমন করার সময় পুলিশ কক্ষে থাকার সময় এ টাকা দাবি করা হয়
দালালের মাধ্যমে সাবরেজিস্টার অফিসে ১৬০০০ টাকা দিয়েছি। না দিলে দলিল পেতে ভোগান্তি হতো।
প্রতিটি টেন্ডারের উন্নয়ন মূলক কাজের কমিশন
আমি আমার পাসপোর্ট রি-ইসু করতে আবেদন করি নিজে কিন্তু পেশার যায়গায় বেকার থাকার কারণে Unemploy দিয়েছি তখন তারা একজনের নাম্বার দেয় উনার সাথে যোগাযোগ করে ২০০০ হাজার দেওয়ার পরে ফিঙ্গার দিয়ে বাসায় আসি 🥲
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরকারি চাকরির জন্য আমার আব্বা তার হেড অফিসের খুব পরিচিত এক ঊর্ধ্বতন কর্ম কর্তাকে আমার চাকুরীর জন্য সুপারিশের অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা আব্বাকে বলেন এই চাকরি পেতে গেলে অনেক টাকা দরকার। আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্বা তার সারা জীবনের সৎ পথে উপার্জনের টাকা এবং লোণ করে ১৫লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেন। কিন্তু চাকরি তো হলনা উল্টা আমার আব্বাকে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আব্বা যেহেতু সরকারি চাকরি করেন তাই কোন মামলায় পড়তে চাননি। আমি আব্বাকে ভাল করে জানি। আব্বা কোনদিন অন্যায় করেননি। অবৈধ ভাবে এক পয়সাও ইনকাম করেননি। আমাদের শরীরে হালাল পয়সার খাবার দিয়েছেন। আমরাও কোন দিন কোন অভিযোগ করিনি। সেই বাবাকে আমি নীরবে কতদিন চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ গেছে।
অফিসে সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে টাকা খাচ্ছে। অফিস গেলে সহজেই কোন উপদেশ দেইনা।এমন পরিস্থিতি তৈরি করে টাকা না দিলে প্রুচর ঘুরতে হয়।
থানার মধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম পারিবারিক বিষয়ে। তারপর পুলিশ আমার বাসায় আসে তথ্য সংগ্রহ করা এবং কি পুরো বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য। তারপরে সবকিছু জানার পর, আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে। তারপরে আমি ২৫ শত টাকা দিয়েছি। ওনারা আমাকে বললেন এই ২৫০০ টাকা তাদের গাড়ি ভাড়া। তারপর এই টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার পাই নাই। কারণ আমার কাছে আরো টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত কারণ আমি বাংলাদেশী।
ওয়ারিশন সনদ করার জন্য, কাউন্সিলর অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে, সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়, আমার কাগজপত্র সাইন হয়ে কাউন্সিলর অফিসেই আসবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও পাইনি আমার ফাইল। তারপর আমার ফাইল কোথায় আছে জানতে চাইলে বলে সিটি কর্পোরেশন আছে, সেখানে গিয়ে ফাইল খুজে বের করার পরে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে কাজ হবে না। তারপরের দিন আমার কর্মস্থলে এসে টাকা নিয়ে গেলেন আর কাজ হয়ে গেলো।
ছবি তাং ১ মাস পরে দিয়ে ছিল ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর সাথে সাথে ছবি তুলে NID কার্ড সম্পন্ন করে দিয়েছিল
আমি জমা খারিজ করতে যাই, কাগজ পত্র গুলো সব ঠিক তখনই সে বললো ওয়ারিশান এর প্রত্যন পএ চাই যা দেওয়ার সম্ভাবনা নেই তার জন্য আমি 20000 বিশ হাজার টাকা নগদ পরিষদ করি।
আমি একজন এমপিও শিক্ষক। এমপিও ফাইল পাঠাতে দেরি করায় ৮ মাসের বকেয়া আটকে আছে। বকেয়ার আবেদন করতে হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে খুশী করা বাবদ ১২০০০ টাকা দাবি করছে। সেখানে আমাকে বলা হইছে উপজেলা শিক্ষা অফিস,জেলা শিক্ষা অফিস এমনকি বরিশাল বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট করবে। আমি নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। 😭 টাকা নিয়ে আমার কাজ করেনি প্রতিষ্ঠান প্রধান! এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে আরো টাকা চাচ্ছে।
আমি ওমান যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে আমার জিনিসপত্র চেকিং করার সময় আনসার সদস্য আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে পরে ৫০০টাকা নিয়ে যায়।