Pwd
প্রতিটি টেন্ডারের উন্নয়ন মূলক কাজের কমিশন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিটি টেন্ডারের উন্নয়ন মূলক কাজের কমিশন
আমি আমার পাসপোর্ট রি-ইসু করতে আবেদন করি নিজে কিন্তু পেশার যায়গায় বেকার থাকার কারণে Unemploy দিয়েছি তখন তারা একজনের নাম্বার দেয় উনার সাথে যোগাযোগ করে ২০০০ হাজার দেওয়ার পরে ফিঙ্গার দিয়ে বাসায় আসি 🥲
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরকারি চাকরির জন্য আমার আব্বা তার হেড অফিসের খুব পরিচিত এক ঊর্ধ্বতন কর্ম কর্তাকে আমার চাকুরীর জন্য সুপারিশের অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা আব্বাকে বলেন এই চাকরি পেতে গেলে অনেক টাকা দরকার। আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্বা তার সারা জীবনের সৎ পথে উপার্জনের টাকা এবং লোণ করে ১৫লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেন। কিন্তু চাকরি তো হলনা উল্টা আমার আব্বাকে বিভিন্ন মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আব্বা যেহেতু সরকারি চাকরি করেন তাই কোন মামলায় পড়তে চাননি। আমি আব্বাকে ভাল করে জানি। আব্বা কোনদিন অন্যায় করেননি। অবৈধ ভাবে এক পয়সাও ইনকাম করেননি। আমাদের শরীরে হালাল পয়সার খাবার দিয়েছেন। আমরাও কোন দিন কোন অভিযোগ করিনি। সেই বাবাকে আমি নীরবে কতদিন চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ গেছে।
অফিসে সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে টাকা খাচ্ছে। অফিস গেলে সহজেই কোন উপদেশ দেইনা।এমন পরিস্থিতি তৈরি করে টাকা না দিলে প্রুচর ঘুরতে হয়।
আমি জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট নবায়ন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তাই পাসপোর্ট অফিসের কাজ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ ও পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে।
থানার মধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম পারিবারিক বিষয়ে। তারপর পুলিশ আমার বাসায় আসে তথ্য সংগ্রহ করা এবং কি পুরো বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য। তারপরে সবকিছু জানার পর, আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে। তারপরে আমি ২৫ শত টাকা দিয়েছি। ওনারা আমাকে বললেন এই ২৫০০ টাকা তাদের গাড়ি ভাড়া। তারপর এই টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার পাই নাই। কারণ আমার কাছে আরো টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত কারণ আমি বাংলাদেশী।
ওয়ারিশন সনদ করার জন্য, কাউন্সিলর অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে, সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়, আমার কাগজপত্র সাইন হয়ে কাউন্সিলর অফিসেই আসবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও পাইনি আমার ফাইল। তারপর আমার ফাইল কোথায় আছে জানতে চাইলে বলে সিটি কর্পোরেশন আছে, সেখানে গিয়ে ফাইল খুজে বের করার পরে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে কাজ হবে না। তারপরের দিন আমার কর্মস্থলে এসে টাকা নিয়ে গেলেন আর কাজ হয়ে গেলো।
ছবি তাং ১ মাস পরে দিয়ে ছিল ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর সাথে সাথে ছবি তুলে NID কার্ড সম্পন্ন করে দিয়েছিল
আমি জমা খারিজ করতে যাই, কাগজ পত্র গুলো সব ঠিক তখনই সে বললো ওয়ারিশান এর প্রত্যন পএ চাই যা দেওয়ার সম্ভাবনা নেই তার জন্য আমি 20000 বিশ হাজার টাকা নগদ পরিষদ করি।
আমি ওমান যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে আমার জিনিসপত্র চেকিং করার সময় আনসার সদস্য আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে পরে ৫০০টাকা নিয়ে যায়।
আমি একজন স্টুডেন্ট অনেকদিন ধরে আমি দেশের বাহিরে পড়াশোনার জন্য আবেদন করার কড়ায় আমার যে ডকুমেন্টটি দরকার ছিল সেটি হল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কিন্তু আমি যখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি সরকারি ফি 700 টাকা দেই তারপর আমি থানায় গিয়ে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যখন ভেরিফিকেশন দিতে যাই তখন তারা আমার কাছে ২৫০০ টাকা দাবি করে এবং তারা আমাকে ফোর্স করতেছে যে এই টাকা না দিলে ব্ল্যাক লিস্টেড হয়ে যাবেন এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়ে যাবে এটি গাজীপুরে অবস্থিত একটি থানা
ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
কর্মকর্তা কর্তৃক ঘুষ গৃহীত হয়।
মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য BMET Registration করতে টাংগাইল সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নগর জলৈফ এ গিয়েছিলাম তখন তারা বলে বাহিরে তাদের দোকান থেকে রেজিষ্ট্রেশন করতে বলে, সরকারি BMET registration চার্জ যেখানে ২০৪ টাকা তারা সেখানে সকল আবেদন কারির কাছ থেকে ৬০০ টাকা করে নিচ্ছে, এটা TTC এর অসাদু কর্ম কর্তা দের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
আমরা একটা জমি কিনেছিলাম আমার আমরা সেই জমির নামজারি বা খতিয়ান গিয়েছিলাম ভূমি অফিসে আমাদের থেকে দশ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল টাকা যদি না দেই আমাদের কাজ হবে না
কুমিল্লা পুলিশ লাইন এর ভেতরে একপাশে দাড় করিয়ে টাকা চায় ৪০০০।।। মনে হচ্ছে ঐনি আমার কাছে টাকা পায়।।। এট দেখা আমি অবাক।।।
নামজারি করতে খরচ ১১৭০ টাকা। আমি তফসিল অফিসারকে বলার পর সে বলল নিজে নিজে করতে। তখন তাকে জিগাসা করলাম কত টাকায় সে কাজ করে দেবে আমাদের কোনো কাজ করতে হবেনা? সে জানালো ৮ হাজার। দরদাম করে ৫ হাজারে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একমাস হলো এখনো পেপার হাতে পাইনাই। আল্লাহই জানে আবার আবদার মেটাতে হয় কিনা!
টাকা না দিলে হয়রানির সম্মুখীন হতে হতো
ভ্যাট regestration নাই। তাই ঘুষ দিয়ে সব ঠিক করতে হয়েছে।
আমার ভাইয়ের এন আই ডিতে পেশা ছিল ব্যাবসা আর পাসপোর্টে ছিল ফারমার যার ফলে জমা নেইনি পরে দালানের হাতে ১২০০ টাকা দিয়ে জমা নিয়েছি।