Missing Report
After missing report I was waiting for 3 days. Then I paid 5000 for getting GPS location of my missing brother.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
After missing report I was waiting for 3 days. Then I paid 5000 for getting GPS location of my missing brother.
আমার বয়স ১৮ এর কম হওয়ায় বলেছে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকায় বিনিময়ে তারা কোন কাহিনী ছাড়াই করে দেয়।
ঢাকা পিজি হাসপাতালে আমার আঙ্কেলের জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা করতে ৮০০০টাকা দিতে হইছিলো
লাকসাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট উঠাতে গেলে কেরানি ১০০টাকা করে দাবি করে।
পাসপোর্ট করতে এবং পুলিশ পরিদর্শক কতৃক তদন্তের সময় সে ও ঘুস চায়।
বিআরটিএ'র লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার কথা বলে আমার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নিয়েছে।
২০২২ সালে বাংলাদেশ বিমানে চাকরির জন্য আমি নির্বাচিত হই। পরবর্তীতে চাকরির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভেরিফিকেশন রিপোর্টের জন্য বাংলাদেশ বিমানের এইচআর বিভাগ থেকে আমার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি চিঠি পাঠানো হয়। উক্ত চিঠির ভিত্তিতে ডিএসবি (DSB)-এর একজন এসআই আমার পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে জানান যে, টাকা না দিলে আমার বিরুদ্ধে খারাপ/নেতিবাচক ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমাকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত আমার কাছ থেকে মোট ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়। চাকরির ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অর্থ দাবি ও নেওয়ার ঘটনায় আমি অত্যন্ত বিব্রত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড
নামজারী করাতে গেলে ৫০০০ টাকা চায়, আমি দিতে বাধ্য কারে। ৩ মাস হয়ে গেছে তাও কাজটা কারে দেয় নাই। টাকা আগেই নিয়া নিছে।
বোনে ভাইকে সম্পতি মৌখিক ভাবে দান করে দিয়েছিলো, সে মোতাবেক ভাই বি এস দলিল সৃজন করিয়াছেন, এখন বোন ঘোষণা পত্র দলিল দিতে চাইলে ভূমি অফিস ৬৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে, বাধ্য হয়ে আমি তা পরিশোধ করেছি
আমি জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট করতে। আমার সাথে আমার ওয়াইফ কে নিয়ে গেছিলাম। সকল কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও। আমার কাগজ বারবার ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাহিরে আসার পর। ২ হাজার টাকা একজন দালালকে দেওয়ার কারণে। পরবর্তীতে আবার যখন কাগজ নিয়ে যায় সাথে সাথে জমা নিয়ে নেন। শুধু ঘোষের বিনিময়ে কাগজটা জমা হয়। আমি চাচ্ছিলাম ঘুষটা না দিতে। কারণ এই পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সে ওমরাতে আসবে। কিন্তু বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ টা দেয়। আমি দ্বিতীয় তলায় নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
বিদেশে চাকরির জন্য ম্যানপাওয়ার করতে গিয়েছিলাম। আইডি কার্ড না থাকায় ফিঙ্গার করতে পারি নাই। উনারা সরাসরি না বলে দিলো আইডি না থাকলে ম্যানপাওয়ার করা যায় না । ঠিক তখনই একজন তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তির খোঁজ পাই। উনি ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দেন। অথচ সিস্টেম চেঞ্জ হলেও আমরা কিছুই জানি না ।
আমি সহ পাঁচজন গিয়েছিলাম জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে। সকল কাগজপতি ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘোরানোর কারণে বিরক্ত হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পর। সময় শেষ হওয়ার পরেও পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ শেষ করতে পারি। এমনিতেই পাসপোর্ট অফিসে চারটার পরে কাগজ জামা নেই না। কিন্তু টাকা দেওয়ার কারণে ছয় টার পরও কাজ করতে পেরেছিলাম। শুধু ঘুষ দেওয়ার কারণেই। আমার মত হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার।
সিটি করপোরেশনের আওতায় জমি থাকার কারনে গ্যাস লাইন সংযোগের জ একটি এক রুমের টিনের ঘর বানিয়ে ছিলাম। সেটাকে সিটিকরপোরেশনের লোকরা একটা কাচা পাকা বাড়ি দেখায়। যা থেকে আমাদের কোন আয় হতো না। সেখান থেকে তারা ২৮০০০ টাকা আয় দেখায়। পরবর্তীতে জানতে চাওয়া হলে বলে এই নাম কাটতে হলে ২৫০০০ টাকা লাগবে। আর যদি এই নাম এখন চেঞ্জ না করেন তাহলে আগামী ২০ বছর এই টেক্স পাকা বাড়ি হিসেবে দিতে হবে। তখন বাধ্য হয়ে তাদের দিতে হয়েছে।
আমার এক বড় বোন গ্রামের সহজ সরল মানুষ, সে নতুন বাড়ি করেছে তাই তার সৌর বিদ্যুতের মিটার প্রয়োজন তাই এলাকার লাইনম্যান (৪নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন) প্রতিশ্রুতি দেয় কারেন্টের অফিস থেকে মিটার এনে দেবে, বিনিময় তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে, আমার বোন টাকাটা দিয়েছেন আজ সাড়ে তিনটা মাস এখনো কারেন্টের মিটার পায় নাই। এবং এলাকায় খোঁজখবর নিলে জানা যায় একই রকম ভাবে আরো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। কারো কাছ থেকে তিন হাজার, কারো কাছ থেকে চার হাজার, কারো কাছ থেকে পাঁচ হাজার।
পেনশনের টাকা তুলতে যেয়ে নমিনির সমস্যা দেখিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে এবং এটা পরিশোধ করার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে
আমি একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করছি সেখানে ১৫১৫ টাকা আর এটা থানায় যাওয়ার পরে সেখানে আরো একটি অফিসার আরো ১৪০০ টাকার মত দাবি করে না দিলে আমার কাজটি হবে না বিদায় আমি ওনাদেরকে টাকা দেই কাজটি হয় আর কি আর আমি যদি টাকা না দিতাম ওনারা বলছে যে আমার কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না কিন্তু কোন মামলা টামলা কোন কিছু নাই তারপরও আমার কাছ থেকে ১৪০০ টাকা একটা নিছে সরকারি ফি বাতে উনারা চৌদ্দশ টাকা আমার এখান থেকে নিছে
আমাকে এজেন্সির লোক বলেছে যদি তুমি ১৯ হাজার টাকা দাও তাহলে তোমাকে সব কিছু ঠিকঠাক করে দিবে আর যদি তুমি না দাও তাহলে তুমি ফিট থাকার পরেও তোমাকে হয়তো আনফিট দেখাতে পারে এজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এর সংলগ্ন এবং অত্র প্রতিষ্ঠানে অডিটোরিয়ামে ভাড়া নেওয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কর্মকর্তা বেতন থেকে টাকা কেটে নিজের কাছে রেখে দেয় এবং পরে নিতে বলে, পরে চাইলে আর ফেরত দেয়নি । এমনকি পরবর্তীতে মিটিং এর ট্রেনিং এ অংশগ্রহনের সম্মানীর কয়েক হাজার প্রাপ্য সম্মানীর টাকা চাইলে উল্টা হুমকি স্বরূপ ১৫০,০০০/- দাবি করে ।
বাংলাদেশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নরসিংদীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল ব্র্যান্ড শপ/শোরুমকে সপ্তাহে একদিন (বুধবার) বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারা সেই নিয়ম না মেনে সপ্তাহে ৭ দিনই শোরুম খোলা রাখে। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে প্রতি শোরুম থেকে ১,৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নরসিংদীতে বর্তমানে ২০টির বেশি শোরুম রয়েছে। সে হিসেবে প্রতি মাসে (১,৫০০ × ২০) = ৩০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এভাবে এক বছরে ৩,৬০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমি এই বিষয়টি ডিসেম্বর ২০২৪ সাল থেকে দেখে আসছি। আবার প্রতি ঈদে শর্ট প্যান্ট গিফট নেওয়া হয়। এছাড়াও বছরে দোকান লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফির চেয়ে ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।