ট্রেড লাইসেন্স
ট্রেড লাইসেন্স 2000দিয়েছি কিন্তূ অতিরিক্ত 500টাকা আলাদা নিয়েছে তাই আমরা চাই অনলাইন নিজের টাকা নিজে যেন টাকা দিতে পারি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেড লাইসেন্স 2000দিয়েছি কিন্তূ অতিরিক্ত 500টাকা আলাদা নিয়েছে তাই আমরা চাই অনলাইন নিজের টাকা নিজে যেন টাকা দিতে পারি
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে সব কাগজপত্র ঠিক থাকা স্বত্বেও ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছিল। পরবর্তী মাসে ১৫০০০ টাকা দেওয়ায় পূর্বের কাগজেই ফাইল সেইভ হয়েছে।
Bsti license er jonno 15000 gos dai
ঘুষ চেয়েছিল প্ল্যান পাস করার জন্য
সম্প্রতি ভ্যাট বিডি (vat.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে BIN (Business Identification Number) সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। ভেবেছিলাম অটোমেটেড সার্ভিস, ঝামেলা ছাড়াই হয়ে যাবে। কিন্তু আবেদন করার পরপরই আমার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। সরাসরি জানানো হয়, কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত এপ্রুভাল পেতে চাইলে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি ফাইল ঝুলে থাকবে এবং সার্টিফিকেট অনুমোদন করা হবে না! অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল সাধারণ উদ্যোক্তাদের, কিন্তু এখানেও মধ্যস্বত্বভোগী আর অসাধু কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। ১,০০০ টাকা হয়তো অঙ্কের হিসেবে বড় কিছু নয়, কিন্তু এই সংস্কৃতি একটা নতুন ব্যবসার শুরুতেই বাধা তৈরি করে। আমরা যদি প্রতি পদক্ষেপে এভাবে নীরব থাকি, তবে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কোনো অর্থই থ
Jomi bikri registri Korte gele joto Jon jomir aongshidar , portijoner tip soy per head 100 tk diyeci Dolil par Korte protik doliler Sathe tk na dile dolil par Hoy na Bisoy ta dekhle Amra hoyrani theke bachtam
কাস্টম অডিট করার জন্য প্রতিবছর চক্রবৃদ্ধি আকারে বাড়তে থাকে ২০১৯ এ ২০০,০০০ দিয়েছিলাম ২০২৫ এ ৪০০,০০০ এখন আবার চাই ৫০০,০০০। কমবেশি করার সুযোগ ও থাকে না। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। কারখানা বন্ধ করতে হলেও ২০,০০,০০০ টাকা দিতে হবে। এরকম হলে তরুণ প্রজন্ম কখনো উদ্যোক্তা সাহস দেখাতে পারবে না।
জজ সাহেব বলেছেন স্বাক্ষর করে যেতে, স্বাক্ষর দিতে গিয়ে টাকা লাগে
আমার চাচতো খালাতো ভাই পুলিশে চাকরির জন্য সবদিক দিয়ে ফিট ছিল কিন্তু তখন তাকে কোন এক অফিসার বলল চাকরি পেতে হলে ৭ লাখ টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য দিতে হবে
আমি প্রবাসী। আমার মাকে ওমরাহ তে পাঠাবো। তাই না আর ভাইয়ের পাসপোর্ট বানাতে দিয়েছিলাম। থানায় ভেরিফিকেশন এর নামে ডেকে নিয়ে চা খাবার টাকা চায়। আম্মা বলেছে আমি মুরুব্বি মানুষ নেব 500। না অফিসার বলে। উপরেই 1 হাজার দিতে হয়। আমারটা থাকুক। আপনে 2 পাসপোর্ট e 3000 দেন। শেষে কিছু করার নাই। টাকা দিয়ে এসেছে। ঘটনা রুপগঞ্জ থানার।
আমি নতুন একটি পাঁচ শতক জমি ক্রয় করি। যার খাজনা খারিজ করার জন্য ধামুরহাট ভূমি অফিসে যাই। সেখানকার দায়িত্ব রত নাজির আমাকে বলে জমি খারিজ করতে ৯ হাজার টাকা খরচ হবে। এসিল্যান্ড স্যার সই করার জন্য ২০০০ টাকা নিবে তারপরে অফিসাররা নিবে সব মিলিয়ে মোট অফিস খরচ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। এর কমে হবে না। আমি বাধ্য হয়ে রাজি হই এবং ৯০০০ টাকা প্রদান করি তারপর আমার খারিস সম্পূর্ণ করে দেয়।
৫ মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। একটা নোটিস করতে ২ মাস সময় নেয়। পরে নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকা দিয়ে মিস কসে করছি।
Nid korar jonno 2700 tk dite holo dalalke. 1 year ghureo kaj hoynai, dalalke tk dear porerdin kaj hoyegeche
মূল পেনশনার মৃত্যুর পরে পেনশনারের স্ত্রীর নামে পেনশন আসতে আসতে প্রায় 1 বছর এর মতো সময় লেগে যায় যেখানে 82400 টাকার মতো এককালীন টাকা জমা হয় পরে সেই টাকার চেক ছাড়াতে গেলে হিসাবরক্ষণ অফিসের পিওন দাবি করে টাকা দিলে সাথে সাথে ছাড়িয়ে দিবো অর্ধেক অর্ধেক।নাইলে ওই টাকা আর কখনোই পাবেন না।যার দরুন অর্ধেক এ রাজি হয়ে যাই। তখন আমার স্মার্ট ফোন না থাকার কারনে ভিডিও ক্লিপ তুলতে পারিনি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন।আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকেএকজন ব্যক্তি বলছিল নিবন্ধন সংশোধন করতে একটা প্রতি ৩০০টাকা দাবি করে আমার কাছে এইভাবে তিনটা জন্মের সংশোধন করতে ১০০০ টাকা দাবি করে
বোর্ডের খাতা কাটার জন্য ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো।
খারিজের আবেদন করতে গেলে আবেদন খরচসহ ৮ হাজার টাকা দাবি করে। না দিলে ভূমির খারিজ দেয় না। ঘোরাঘুরি করে।
আমি জব থেকে অকালীন অবশর এ আসি। প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন এর টাকা উঠাতে গেলে আমার কাছে মোট ২০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে তারপর আমার টাকা উত্তোলন করে থাকি
বাসা থেকে ফোন চুরি হযেছে ত্রিশাল থানায় জিটি করতে গেছি অপারেটর ৮০০ টাকা নিয়ে নিলো।সাথে বলে দিলো কাগজে যে এএসআই এর নাম্বার আছে তারে ৩০০০/৪০০০ টাকা দিলে ফোনের জন্য কাজ করবে।যদিও পরে আমি যোগাযোগ করেনি
I did my mbbs from krygzystan, I had every document needed but there was a medical gap between my SSC and HSC for 6 months more than 2 years. For this I had to pay 8 lakh ghush to be allowed to write the exam. This is not really not fair. This department is against the welfare of the citizens of this country , from the cleaner to the president. Nobody can tell you what's the power house of a cell. Doctors smd