police clearance
আমার কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ৩০০০ হাজার টাকা চায় ।তার পর ১৫০০টাকা দিয়ে আসি ।বলল্লো ৭দিন পর পাবো ।কিন্তু পাইনি ।এখন ও 😭
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ৩০০০ হাজার টাকা চায় ।তার পর ১৫০০টাকা দিয়ে আসি ।বলল্লো ৭দিন পর পাবো ।কিন্তু পাইনি ।এখন ও 😭
SB paper thik thakar por . online copy dekhaisi bole .taka nilo .main copy chay .ki a job sesh asi.
বাংলাদেশে যে সব বিভাগে কাস্টম হাউস (শুল্ক স্টেশন) আছে সে সব অফিসে আমদানিকৃত ও রপ্তানিকৃত পণ্য ছাড় করতে ফাইল প্রতি ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ বা তার অধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়। যদি ঘুষের টাকা না দেয় তবে আমদানিকারকের হয়রানি করা হয়। সব থেকে এ অফিসে ঘুষ লেনদেন হয় বেশি।
আমার কাছে অরিজিনাল ন্যাশনাল আইডি কার্ড ছিল না। এ কারণে আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র উত্তরা অফিসে জমা নেই নাই । পরে নিচের তলাতে এক পাসপোর্ট অফিসের কর্মীকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কিভাবে আমার কাগজ পত্র জমা দিতে পারি, যেহেতু আমার কাছে অরিজিনাল আইডি কার্ড নাই। তিনি বলল আমাকে ২০০০ টাকা দেন আমি ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। পরে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিয়েছি ।সে আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র অফিসের জমা দিয়ে দেয়।
আমি ১৯৭৭ সালের একটি দলিলেরসার্টিফাই কফির জন্য আবেদন করেছিলাম আমার নিকট থেকে ২৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। সরকারি পি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা হইতে পারে। কিন্তু আমার থেকে নেওয়া হয়েছে ২০০৭০০ টাকা।
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসে আমার আব্বার চিকিৎসার জন্য একটা আর্থিক আবেদন করতে গিয়েছিলাম। তিনি ব্রেইন স্টোক করে প্যারালাইসড হয়ে গিয়েছিলেন। ত আমাদের আবেদনের ফাইল সমাজসেবা অফিসারের কাছে জমা দেয়না অফিস সহায়ক। সে বেশ কয়েকবার ডেট দিয়েও অফিসারের কাছে ফাইল জমা করেনা। শেষে ৫০০ টাকা চা খাওয়ায় বিল চেয়ে বসল। কিন্তু খারাপ লাগাটা ছিলো ওই অফিস সহায়কের টেবিলে লিখা ছিলো হযরত আলী রাঃ এর ঘুষ লেনদন করা কতটা জঘন্য কাজ এ সম্পর্কিত একটা বাণী। অনেকটা নিরুপায় হয়ে দিতেই হলো টাকাটা।
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে কোন একটা বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদানের পরবর্তী ৩ মাসের বকেয়া বিল পাওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসের (রাংগামাটি)একজন চাকমা কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
আমি দালাল ছাড়া নিজে নিজে ড্রাইভিং এর ব্যবহারিক এবং লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর রেজাল্ট বোর্ডে গিয়ে দেখি আমি ফেল তাই পরবর্তীতে দালাল দিয়ে বারো হাজার টাকা দেওয়ার পর দেখি পরীক্ষা দিয়ে পাস দিয়েছে
আমি বিদ্যুৎ এর খুঁটির জন্য আবেদন করি । এবং এটি মঞ্জুর হওয়ার পর আমাকে খুঁটি দেওয়া হয় না। তাদের কল দিলে শুধু তারা আজকে না কালকে আসব এটা বলে। পরে একদিন বলে ১৫০০ টাকা রেডি রাখেন আমরা আসতেছি। অবশেষে আমর ১৫০০ টাকা দিয়েই কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
আমি একটা ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল ক্রয় করি এবং তার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আমি সরকারের সমস্ত ফ্রি পেমেন্ট করি। কিন্তু বিআরটি তে যে দেখলাম তারা বলে এই কাগজ ঝামেলা ওই কাগজের ঝামেলা কাগজ ঠিক করে নিয়ে আসেন। আমার কাগজ সবই ঠিক ছিল। তারপর আমি BRTA তে দুই দিন গেলাম আমি বুঝতে পারিনি তারা টাকার জন্য এরকম করছে। পরে বড় ভাইয়ের কাছে ফোন দিলাম। পরে আমাকে জানালো এখানে নিজের কাজ নিজে করা যায় না। পরে একটা দালাল ধরলাম।এবং সরকারি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা পেমেন্ট করার পরেই আমার কাজ দশ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়ে গেল।
তাদের এক্সট্রা টাকা দেয়ার অনেক ঘটনায় আছে কিন্তু বর্তমানে ঘটা ঘটনাটি , হচ্ছে অনেক আগে জন্ম নিবন্ধন করা ছিল সেটা এখন বাংলায় ও ইংরেজি করার জন্য ডিজিটাল করতে গেছিলাম বা অনলাইন করতে গেছিলাম তখন এই ঘটনা ঘটেছিল ।
notun passport korar jonno passport officer dalal der 1500 tak ghus ba service charge dite hoyeache
আমি একটি মর্টগেজ দলিল সম্পাদন করতে জামালপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। পরে ভিতর থেকে মুহুরীকে বিশেষ উপায়ে জানানো হলো ৩৫০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। সর্বশেষ আমি দিতে বাধ্য হই।
টিকিট পেতে ও ডা দেখাতে সুযোগ পাওয়া তে টাকা দাবি করে। জনগনের সাথে চরম খারাপ আচরন করে। রোগী সেবা পায় না।
বুড়িচং উপজেলার ৭০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট হতে সিলেকশন গ্রেড বেতন স্কেল প্রাপ্তির শিক্ষক প্রতি ২৫০০ টাকা নিয়েছে।
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার পর যখন আমি জিডি করি তখন বাস্তব ময়দানে আমি এই জিডির মাধ্যমে কোন উপকার পাইনি কিন্তু যখন বারবার তাদের দ্বারস্থ হতে থাকলাম কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানায় দায়িত্বরত পুলিশ যাকে আমার ফোন খোজার জন্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সে আমার থেকে ৫০০০ টাকার চুক্তি করে ফোনটি উদ্ধার করে দিয়েছেন।
এমপিও বেতন/বকেয়া/বিএড স্কেল চালু।শিক্ষা কর্মকর্তার পছন্দের দোকান থেকে ৩০০০/- দিয়ে আবেদন করতে হয়।আবেদন ফরওয়ার্ড করতে ৫/৬ হাজার নেন।
সদরঘাট খেওয়া পারাপার এর সময় থেকে নামার পরে অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হয় কিন্তু সপকানে কোনো টার্মিনাল নাই
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।