নামজারি
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল। জিডি করতে গিয়েছিলাম জিডি করে নাই টাকা নিছে
আমি জমি ক্রয় করেছি, নামজারিও করছি কিন্তু নতুন রেকড আসছে ওরা বলতেছে ওদের টাকা না দিলে আগে যাদের জমি ছিলো তাদের নামেই রেকড হয়ে যাবে। আমাদের এলাকার সবায় তাদেরকে টাকা দিতেছে তাদের ক্রয় করা জমির জন্য
্সিলেট চোহাট্টা টে দায়িত্তরত পুলিশ নিয়েছে
পাসপোর্ট রেনুও করতে ১৫০০০ হাজার নিয়ে দালাল চক্র আমার পাসপোর্ট ফাইল এন্টি দেয় আমার পাসপোর্ট কিছু সংশোধন চিলো সেই কারনে
আমার আগের পাসপোর্ট এর মধ্যে কিছু নামের সংশোধন ছিল। সংশোধনের জন্য এরা অনেকগুলো কাগজপত্র ডকুমেন্টস চেয়েছে সেগুলো দিয়েছি এবং ২২ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে এগুলো সংশোধন করার জন্য। আমার পাসপোর্ট করাটা জরুরি ছিল তাই ঘুস দিয়ে করতে হয়েছে।
বিষয়: অতিরিক্ত অর্থ দাবি, হুমকি প্রদান এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ। আমার দাদার সম্পত্তি পরবর্তীতে আমার বাবা, চাচা ও অন্যান্য ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করা হয়। ভাগ-বণ্টনের মাধ্যমে আমার বাবা যে জমি পান, সেই জমি নামজারি করার জন্য আমরা ভূমি অফিসে যাই। নামজারির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকায় নামজারি করা সম্ভব নয়। অথচ নামজারির জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা বলে আমরা জানতে পারি। বিষয়টি নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বললে একপর্যায়ে তর্কের সৃষ্টি হয়। তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন যে, আমার জমিগুলোকে খাস জমি হিসেবে দেখিয়ে দখল করে নেবেন এবং আরও বিভিন
টাকা চেয়েছে অন্য কোথায় থেকে নাকি ফাইল তুলতে হবে। তারপর তাদের অনেক খাটাখাটুনি করতে হবে এগুলো বলে।
আমি বনানীতে একটা ব্যাংকে গেছি বাট সব জায়গায় তো জ্যাম থাকে যে কারণে একটা ভিতরে রোডে যেখানে গাড়ি চলাচল করেই না মোটামুটি কিছু গাড়ি রাখে আমি ওখানে গাড়ি আমার ড্রাইভার সহ রাখছি পাশেই সাথে সাথে গাড়িতে থাকা অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে ধরে জরিমানা আমাকে কল দেয় সাথে সাথে আমি চলে আসি আসার পরে ৫ মিনিট লাগছিল উনাকে বললাম যে আপনি তো এভাবে দিতে পারেন না আমার তো বেশি সময় লাগে নাই পাশে তো অনেক গুলা গাড়ি আছে সরকারি গাড়ি এগুলো তো আপনি দিচ্ছেন না এটা এক মিনিটের জন্য আপনি এভাবে দিবেন বলল আপনার নামে আগে মামলা আছে এখন দিলে ৬০০০ টাকা হবে দেন আমি তাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম
একটা জমি ক্রয়ের পূর্বে উক্ত জমির কাগজ পত্র যাচাই করে ওই নির্দিষ্ট দাগের জমিতে কোনও সানি মামলা/ আগে কাওকে ক্রয় বিক্রয় করা হয়েছে কিনা এটা জানার জন্যে ভাংগা ভূমি অফিসের এক কর্মচারির সাথে যোগাযোগ করলে সে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে তদন্ত করে দিবে বলে। এই টাকা তাকে সম্পূর্ণ পরিশোধ করা হলেও সে ওই জমির ব্যাপারে কোনও ভ্যালিড ডকুমেন্ট সহ কোনও প্রকার তদন্ত এর রিপোর্ট অথবা তথ্য দেয় নি। বরং বিভিন্ন ভাবে আমাদের কে কৌশলে ওই জমি না কিনে উনার পছন্দের এক পার্টির একটা জমি কেনার জন্যে রাজি করাতে চেষ্টা করে। এই ব্যাপারে সকল প্রকার প্রমান আমাদের কাছে আছে তবে এলাকার পরিচিত লোক তাই তার ক্ষতি করলাম না। তবে তার এই কাজ মনে থাকবে।
মুন্সীগঞ্জে এর টংগীবাড়ী থানাধীন হাসাইল বাজার ভূমি অফিস এর অফিসার আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য ১০০০০ হাজার টাকা দাবী করে (আমাদের ৫ভাই্য়ের সম্পতির খাজনা) পরে আমি ১০০০০ টাকা দিয়ে খাজনা অনলাইন করে নিই।
বন্ধুকী দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা দলিলে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় ।সরকারি ফিস পে অর্ডার এর মাধ্যমে জমা দেয়া হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্রেশনের পর তারা ক্যালকুলেটর টিপে একটা টাকা চাই। এক্ষেত্রে তাদের টানানো হিসাব অনুযায়ী এটা কোনক্রমে ৩০০০ টাকার বেশি হবে না ।কিন্তু প্রত্যেকবারই অনেক বেশি টাকা নেয়া হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সাড়ে ১৪ হাজার টাকা চাওয়া হলেও ১৩০০০ টাকায় দেয়া হয়েছে।
খুলশি লেকভ্যলি আবাসিক এলাকার ১১ শতাংশ একটি জমির অংশীদার ১৮ জনের নামে ১৮টি নামজারি খতিয়ান তৈরির জন্য চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ভূমি অফিসের (উপজেলা/থানা: কাট্টলি) তৎকালীন (ডিসেম্বর ২০২৩) ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে মোট ৫০০০০০.০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তৎকালীন উপজেলা ভূমি অফিসের এসি ল্যান্ড এবং কানুনগোর সংশ্লিষ্টতাও ছিল বলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন। আবেদনের তারিখ: ১১/১২/২০২৩ ২০২২ এ জমি কেনা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে অংশীদারগণ নামজারির আবেদন করতে চাইলে নামজারি আবেদন খারিজ করার ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে জমির ১৮ জন মালিককে বাধ্য করে।
দালালের মাধ্যমে প্রথমে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নাই পরে সমস্ত পরীক্ষা শেষ হলে বাকি টাকা আমি পরিশোধ করি
মাতৃকালীন ছুটি অনুমোদন, পাসপোর্ট এর জন্য এনওসি অনুমোদন, মাতৃকালীন ছুটি পরবর্তী যোগদান বা কোন কাগজপত্র নথিভূত্তিকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা অফিসের কেরানি বা শিক্ষা অফিসে কর্মরত প্রেশনে থাকা শিক্ষক, (যিনি লোকবলের অভাবে শিক্ষা অফিসে কাজ করেন), দুই হাজার, তিন হাজার, পাচ হাজার, ৫০০ টাকা না দিলে তারা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোন কাজ করে দেয় না এবং কাজ ধরে রাখে। আমার মত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদেরকে টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়।
জমির নকল দলিল তোলা ও নামজারী করতে খরচ হয় ১১৭০+১৬০০=৩৭৭০ টাকা,কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ৬৩০০ টাকা।
আমার পাসপোর্ট সংশোধন করার জন্য অনলাইনে এপ্লাই করে পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করেও ঠিক করতে পারি নাই। এরপর আমি দালালের মাধ্যমে আমার পাসপোর্টে নামের একটি ভুল অংশ ঠিক করাতে সক্ষম হই।
পরিবেশ এর ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য । টাকা ছাড়া ,তারা ছাড়পত্র দিতে টালবাহানা করতো
পরীক্ষায় ফেইল করাইয়া দেয় টাকা না দিলে
আপীল মামলার নথী জমা করার জন্য ঘুষ দিয়েছি। অন্যথায় মামলা জমা নিবে না।