পাসপোর্ট
আমার কাছে পাসপোর্ট দ্রুত করে দিবে বলে ২০০০ টাকা নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার কাছে পাসপোর্ট দ্রুত করে দিবে বলে ২০০০ টাকা নিয়েছে।
বেট2000হাজার টাকা অফিস সিলিপ দিবে প্রতেক মাসে মাসে 3000টাকা দিতে হয় সিলিপ দিবে2000 সরকার এমন সিস্টেম চালু করা হোক নিজের টাকা নিজে অনলাইনে সরকারী অফিস সিয়ালে জমা দিতে পারলেই এই দূর নিতি থেকে মুক্তি পাবে জনগণ
আমি একটা টিভি নিয়ে সোয়ারিঘাট লন্ছে উঠার সময় ২০০ টাকা অতিরিক্ত নিছে এটা নাকি টিভির সরকারি ট্যক্স বলে পুরাতন টিভির জন্য দিতো হয়েছে
ফাইল অনুমোদন করার জন্য
For trade licences renew they say 1000.... I have no way so i paid 1000
টাকা পরিশোধ না করায় এরিয়ার বিল দেওয়া হচ্ছিল না।
লাম্পগ্র্যান্ড,জিপিএফ ও আনুতোষিকের টাকা তুলতে মোট ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
খাদ্য গুদামে গাড়ি লোড করেই ১০০০বখশিস এর নামে ঘুষ
Driving licence korle dalal lge etai rules
পুলিশ বেরি ফাইয়ের জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে!
ঈশ্বরগঞ্জ থানায় চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল, ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।।
বেতন ফাইল ট্রান্সফার মানে ওকে করে বিভাগে পাঠতে হবে অর্থাৎ জেলা থেকে ফাইল বিভাগে যাবে। কিন্তু তারা বলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা। মানে টাকা না দিলে ফাইল বিভগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠাবে না।
জমি কিনি ২০১১ সালে। ২০২৫ সালের দিকে খারিজ করতে গেলে হোল্ডিং নাম্বার নেই বলে ১ মাসের মতো ঘুরায়।পরে হোল্ডিং নাম্বার ফেলতে এবং খারিজের আবেদনসহ সব কিছুর জন্য ১০,০০০/- এর মতো লাগবে জানায়। টাকা না দিলে কাজ শুরু করা যাবে না বলে।তাই টাকা দিয়েছি এবং পরবর্তীতে আরও সমস্যা আছে জানিয়ে ৩০০০/- নিয়েছে।অবশেষে কাজ করে দিয়েছে।
বিদেশ যাওয়ার জন্য তাকামুল সার্টিফিকেট লাগে সেখানে অনলাইনে ভর্তি করানো হয়, তারপরে বলা হয় যদি ওখানে সার্টিফিকেট আপনি আনতে চান তাহলে 30-40 হাজার টাকা দিয়ে পাস করান লাগে পরে কষাকষি করে দরদাম করে বিশ হাজার টাকায় পাস করিয়েছি
রাজউকের প্ল্যান পাসের কথা বলে মিটিং খরচ নাম দিয়ে টাকা নেওয়া হয়।অথচ মিটিং খরচ বলে কোন সরকারি ফি ধরা নাই।রাজউকের পিওন থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান কয়েক শত থেকে হাজার কোটির মালিক।
আমার দাদা মারা যাবার পর বাবা চাচাদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের পর ই নামজারির প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যাই। অতঃপর, ভূমি কর্মকর্তা বলে দীর্ঘদিন খাজনা দেয়া হয়নি। কিন্তু দাদা সবকিছু ঠিকঠাক রেখেছিল। ভূমি অফিসারের মতে, বাড়ি ভিটার নাকি ৬০০০০ টাকার এর মত আসছে। পরে বলে সে কমিয়ে দিতে পারবে। এই বলে সে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নেয়। খাজনা পরিশোধের রসিদের দেখতে পাই মাত্র ৩০০০ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।
২০২২ সালে আমি এনআইডি কার্ড করার জন্য নির্বাচন অফিসে যাই। এনআইডি কার্ডের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমার কাছ থেকে ১,১০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। সরকারি সেবা হিসেবে এনআইডি করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ২০২২ সালের এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে আমার কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।