অ্যাডভান্স ইনক্রিমেন্ট এর এরিয়ার বিল
টাকা পরিশোধ না করায় এরিয়ার বিল দেওয়া হচ্ছিল না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা পরিশোধ না করায় এরিয়ার বিল দেওয়া হচ্ছিল না।
লাম্পগ্র্যান্ড,জিপিএফ ও আনুতোষিকের টাকা তুলতে মোট ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
খাদ্য গুদামে গাড়ি লোড করেই ১০০০বখশিস এর নামে ঘুষ
Driving licence korle dalal lge etai rules
পুলিশ বেরি ফাইয়ের জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে!
ঈশ্বরগঞ্জ থানায় চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল, ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।।
বেতন ফাইল ট্রান্সফার মানে ওকে করে বিভাগে পাঠতে হবে অর্থাৎ জেলা থেকে ফাইল বিভাগে যাবে। কিন্তু তারা বলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা। মানে টাকা না দিলে ফাইল বিভগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠাবে না।
জমি কিনি ২০১১ সালে। ২০২৫ সালের দিকে খারিজ করতে গেলে হোল্ডিং নাম্বার নেই বলে ১ মাসের মতো ঘুরায়।পরে হোল্ডিং নাম্বার ফেলতে এবং খারিজের আবেদনসহ সব কিছুর জন্য ১০,০০০/- এর মতো লাগবে জানায়। টাকা না দিলে কাজ শুরু করা যাবে না বলে।তাই টাকা দিয়েছি এবং পরবর্তীতে আরও সমস্যা আছে জানিয়ে ৩০০০/- নিয়েছে।অবশেষে কাজ করে দিয়েছে।
বিদেশ যাওয়ার জন্য তাকামুল সার্টিফিকেট লাগে সেখানে অনলাইনে ভর্তি করানো হয়, তারপরে বলা হয় যদি ওখানে সার্টিফিকেট আপনি আনতে চান তাহলে 30-40 হাজার টাকা দিয়ে পাস করান লাগে পরে কষাকষি করে দরদাম করে বিশ হাজার টাকায় পাস করিয়েছি
রাজউকের প্ল্যান পাসের কথা বলে মিটিং খরচ নাম দিয়ে টাকা নেওয়া হয়।অথচ মিটিং খরচ বলে কোন সরকারি ফি ধরা নাই।রাজউকের পিওন থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান কয়েক শত থেকে হাজার কোটির মালিক।
আমার আগের পাসপোর্ট এর মধ্যে কিছু নামের সংশোধন ছিল। সংশোধনের জন্য এরা অনেকগুলো কাগজপত্র ডকুমেন্টস চেয়েছে সেগুলো দিয়েছি এবং ২২ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে এগুলো সংশোধন করার জন্য। আমার পাসপোর্ট করাটা জরুরি ছিল তাই ঘুস দিয়ে করতে হয়েছে।
আমার দাদা মারা যাবার পর বাবা চাচাদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের পর ই নামজারির প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যাই। অতঃপর, ভূমি কর্মকর্তা বলে দীর্ঘদিন খাজনা দেয়া হয়নি। কিন্তু দাদা সবকিছু ঠিকঠাক রেখেছিল। ভূমি অফিসারের মতে, বাড়ি ভিটার নাকি ৬০০০০ টাকার এর মত আসছে। পরে বলে সে কমিয়ে দিতে পারবে। এই বলে সে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নেয়। খাজনা পরিশোধের রসিদের দেখতে পাই মাত্র ৩০০০ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।
২০২২ সালে আমি এনআইডি কার্ড করার জন্য নির্বাচন অফিসে যাই। এনআইডি কার্ডের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমার কাছ থেকে ১,১০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। সরকারি সেবা হিসেবে এনআইডি করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ২০২২ সালের এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে আমার কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।
দুনিয়ার সব হিসাবরক্ষণ অফিস সরকারি বিল পাস করতে ৫% (সর্বনিম্ন) -১০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়, এলপিসি নিতে টাকা, পে ফিক্সেশন এ টাকা, সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগি যারা পেনশন এর জন্য যায়। ২০০০০-২৫০০০ টাকা নেয়।
আমার একটা ছোট দোকানের জন্য লাইসেন্সের জন্য ৬৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল, অথচ আমাকে যে কাগজগুলো দিয়েছিল সেখানে সরকারিভাবে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ১১০০ টাকা বাকি টাকাটাই তারা অন্যায় ভাবে আমার কাছ থেকে নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
সি আইডি অফিস থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন করে তারপর গ্রামে ঘুষ না দেওয়ায় ৭ কাগজ পত্রের নাম করে আটকে দেয় গ্রামের ভেরিফিকেশন। তারপর দিলে কাজ হয় বাধ্য হইয়ে তখন দেই। (২০১৮)
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার পর যখন আমি জিডি করি তখন বাস্তব ময়দানে আমি এই জিডির মাধ্যমে কোন উপকার পাইনি কিন্তু যখন বারবার তাদের দ্বারস্থ হতে থাকলাম কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানায় দায়িত্বরত পুলিশ যাকে আমার ফোন খোজার জন্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সে আমার থেকে ৫০০০ টাকার চুক্তি করে ফোনটি উদ্ধার করে দিয়েছেন।