এমপিওভুক্ত করা, ইএফটি, বকেয়াসহ যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।
দুনিয়ার সব হিসাবরক্ষণ অফিস সরকারি বিল পাস করতে ৫% (সর্বনিম্ন) -১০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়, এলপিসি নিতে টাকা, পে ফিক্সেশন এ টাকা, সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগি যারা পেনশন এর জন্য যায়। ২০০০০-২৫০০০ টাকা নেয়।
আমার একটা ছোট দোকানের জন্য লাইসেন্সের জন্য ৬৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল, অথচ আমাকে যে কাগজগুলো দিয়েছিল সেখানে সরকারিভাবে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ১১০০ টাকা বাকি টাকাটাই তারা অন্যায় ভাবে আমার কাছ থেকে নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
সি আইডি অফিস থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন করে তারপর গ্রামে ঘুষ না দেওয়ায় ৭ কাগজ পত্রের নাম করে আটকে দেয় গ্রামের ভেরিফিকেশন। তারপর দিলে কাজ হয় বাধ্য হইয়ে তখন দেই। (২০১৮)
জমি খারিজ করে না দশ হাজার টাকা না দিলে। সকল কাজ প্রত্র ৫ বছর মামলা করে সফল হয়ে সব কিছু ঠিক করার পরও নিয়মে খারিজ করতে পারি না ঘুস না দিলে হয় না। ঘুস দেওয়া সাথে সাথে ৭ দিনে কাজ হয়ে গেছে
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিসের অফসাররা ঘুষের মাধ্যমে লাইসেন্স দেন ঘুষ না ফেলে ফেইল করিয়ে দেন।
আমি খারিজ করতে গেলাম পড়ে ওরা ভূমি অফিস থাকা লম্বা দাঁড়িওয়ালা সাধু আমারে কয় 7000 টাকা লাগবো। আমি বলছি ফি তো 1170 টাকা। পড়ে আমি নিজেই আবেদন করি। তারা ভুল তথ্য দিয়া আবেদন টা বাতিল করে দেয়। পড়ে সে চায় 8000 টাকা। কি আর করার টাকা দিছি আর এক সপ্তাহে কাজ হয়ে যায়। এই নিয়ে আমার ওদের সাথে অনেক কথা কথা কাটাকাটি ও আমাকে হুমকি ও দেওয়া হয় এবং আমার বাড়িতেও তারা লোক পাঠিয়ে হয়রানি করে আসে। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা।
এখানে কৃষি লোন জন্য আবেদন করলেও সকল কাগজ পত্র সঠিক ছিলো তবু ১০% ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ ছাড়া কোন লোন দেওয়া হয়না।
আমার একটি খতিয়ানের আমার পিতার অংশ আমার চাচার নামে চলে যায়।পরে ac land শরীয়তপুর সদর এ আবেদন করলে।তহসিলদার ধাপে ধাপে আমার কে থেকে 9500টাকা নেয়।টাকা না দিলে কাজ করে না।পরে ac land অফিস এর বিভিন্ন কর্মকতা আরো 8000 টাকা নেয়।পরে DCR কাটতে ২০০০ টাকা নেয়।এখনো DCR দেয় নাই ১০০০টাকাতে অতিরিক্ত নিয়ে ও দেয় না।আরো বেশি দিতে বলে। আমি ডিসিআর আনতে পারি নাই
আমার জমি নামজারী জন্য এবং জয় কালী মন্দিরের অফিসে অনেক টাকা লেনদেন হয় প্রধান অফিসার অনেক টাকার মালিক একটা পিয়ন কোটি টাকার মালিক আমার টা প্রকাশ করে আমি ভুক্তভোগী কারণ এখানে অফিসার অনেক ঘুষ খড়
চট্টগ্রাম শহরে আমার একটি বাড়ি আছে। আমি সবসময় সঠিকভাবে খাজনা পরিশোধ করতেছি। ২০১৯ সালের আমি নাম জারি খাজনা অনলাইন করি।২০২৫ সালের যখন আমি খাজনা দিতে যাই তখন দেখতে পাই অনলাইনে আমার নামজারি নম্বর দেখাইতেছে না। ভূমি অফিসে জিজ্ঞাসা করার পরে তারা বলেছে ডিলিট হয়ে গেছে। নতুন করে করতে হবে। নতুন করে করতে আমাকে এক বছরের বেশি সময় লেগে গিয়েছে এখনো কাজটি হয়নি। সাগরিকা ভূমি অফিস ও একে খান ভূমি অফিস আমাকে ঘুরতে ঘুরতে পায়ের জুতা হয়ে গেছে। এক লক্ষ টাকার বেশি আমি ঘুষ দিয়েছি তারপরে দিও কাজটি হয়নি ।এখন আমি কি করবো আপনারা একটু জানান। আমি দুদক ও ভূমি মন্ত্রলা ইমেইল করেছি কোন উত্তর পাইনি।
বাডির tex ধরা হয়েছে ২০হাজার টাকা সেটা কমিয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ২০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়া লেগেছে।
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
ঢাকার উওরা থেকে পাসপোর্ট করতে গেছি বলছে হবে না। সব কাগজ ঠিক আছে। কিন্তু rejected. Than narsigdi theke 2200 taka beahi diya dalal diya korse
আমি পরিক্ষা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরিক্ষায় পাশ করার পর ও ফেল আসছে অথচ পরের দিন ওইখানের এক লোক বললো টাকা ছাড়া পাশ আসবে না।তখন টাকা নিয়ে পরিক্ষাও দেওয়া লাগলো না সাইন করায় নিয়ে আসলো ওই লোক আমাক দেয়নি।ম্যাজিস্ট্রেট এর পাশের লোকটা সাইন দিয়ে দিলো।
আজ পোস্ট অফিসে চিঠি জিপি করার জন্য দিলাম, উনি ৪৮ টাকার টাকেট লাগালো। উনাকে ১০০০/- নোট দিলাম, উনি আমাকে ৯২০/- ফেরত দিয়েছে।
বেডের জন্য টাকা নিয়েছে নার্স।
আর বড় বোন পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ভিজিটর হিসেবে চাকরিতে নিয়োজিত অবস্থায় মারা গেছিলেন কিডনি বিকল হয়ে উনার পেনশনে টাকা তুলতে বিভিন্ন অফিস মিলিয়ে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে ওনার পেনশনের টাকা পাওয়া গেছে
নামজারি। আমি বাস্তবে দেখতে পেলাম আমি ছাড়া সবার কাছ থেকে সে টাকা চেয়ে নিচ্ছে।তা না হলে দেয় না। সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে।তার কিছু দালাল আছে তারা ও সেই কাজে জড়িত।তারপর গেলাম নাজিরেরে কাছে সে কাজ করার পর বলে কিছু দেন।তাকে ও টাকা দিতে হল।তাকে দিলাম ২০০টাকা
মোটরসাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন এর সব কিছু আমি নিজে নিজে করেছি, কোন দালাল না ধরে। যখন সব কাজ হয়ে গেছে তখন আমার ফাইলটা জমা নিয়ে আমাকে একটা রিসিভ কপি দেওয়ার কথা যেটা দিয়ে আসল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমি মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবো। তখন ঐখানের স্টাফরা আর আমার ফাইল জমা নেই না। একজন বলে ঐখানে যান, সে আবার আরেকজনকে দেখায় দেই আর হাসাহাসি করে। পরে একজন বলে ৫০০ টাকা না দিলে জমা নিবে না। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিই। যখন কম্পিউটার অপারেটর এর কাছে রিসিভ রিসিট আনতে যাই সে ও জানতে চাই নিচে টাকা দিয়েছি কি না!!