পাসওয়ার্ড বানানো
১| আমার জন্ম নিবন্ধন এর বয়স বাড়িয়ে একটি আইডি কার্ড বানানো হবে, তারপর আইডি কার্ড বানানোর পরে আমার একটি পাসপোর্ট বানানো হবে, সেই সুবাদে আমার থেকে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে, পরে দর কষাঘষির পরে ২৩ হাজার টাকা তো রাজি হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১| আমার জন্ম নিবন্ধন এর বয়স বাড়িয়ে একটি আইডি কার্ড বানানো হবে, তারপর আইডি কার্ড বানানোর পরে আমার একটি পাসপোর্ট বানানো হবে, সেই সুবাদে আমার থেকে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে, পরে দর কষাঘষির পরে ২৩ হাজার টাকা তো রাজি হয়
নামজারি/খারিজ প্রথম ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব 4000 পারে উপজেলা ভূমি অফিসে 60000 টাকা নিয়ে তাদের টাকা দিতে হয় কম্পিউটার অপারেটর মধ্যে উপজেলা দারোয়ান এর মাধ্যমে দিতে হয়
আমি বনানীতে একটা ব্যাংকে গেছি বাট সব জায়গায় তো জ্যাম থাকে যে কারণে একটা ভিতরে রোডে যেখানে গাড়ি চলাচল করেই না মোটামুটি কিছু গাড়ি রাখে আমি ওখানে গাড়ি আমার ড্রাইভার সহ রাখছি পাশেই সাথে সাথে গাড়িতে থাকা অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে ধরে জরিমানা আমাকে কল দেয় সাথে সাথে আমি চলে আসি আসার পরে ৫ মিনিট লাগছিল উনাকে বললাম যে আপনি তো এভাবে দিতে পারেন না আমার তো বেশি সময় লাগে নাই পাশে তো অনেক গুলা গাড়ি আছে সরকারি গাড়ি এগুলো তো আপনি দিচ্ছেন না এটা এক মিনিটের জন্য আপনি এভাবে দিবেন বলল আপনার নামে আগে মামলা আছে এখন দিলে ৬০০০ টাকা হবে দেন আমি তাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম
সেবাটি ছিল বিদেশ আসার জন্য সরকারিভাবে ট্রেনিং দিতে হবে বাধ্যতামূলক ট্রেনিং পাশ করুক আর না পারুক ২০ থেকে ৩০ হাজার ক্ষেত্র বিশেষে ৪০ হাজার টাকাও নিয়ে থাকে, যাকে বলে তাকামুল সার্টিফিকেট টাকা না দিলে সরকারিভাবে এই সার্টিফিকেট দেয় না
Amar babar akta test koraranor jonno.. Daily 10 ta kora. But ami jantam na kagoj joma deya lage. Ami daray aci, onarao jane j ami ager din aysa geci. Akn taka joma dey ni bole, amr ta korbe nh.. Pore bollo nastar taka dile koray dibe. Pore dilam.
Faridpur medical college hospital, gyne obs department --place labour ward --for every normal vaginal delivery --খালারা টাকা নেয় রোগীর লোক থেকে, 500-1000tk
Mpo করার জন্য পরিশোধ করেছিলাম তার পর ও হয়নি এবং টাকা ও ফেরত দেয়নি।পরে অন্য জায়গায় নিয়োগ পাইছি।
২০০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। তিতাসগ্যাস এর নাম পরিবর্তন করতে।
আমি নামজারি করতে গেলে ওনারা অপারগত প্রকাশ করে, পরে বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানের মাধ্যমে ওনারা কথা বলে ১৫০০০ টাকার মধ্যে আমার নামজারি খারিজ করে দেয়,,
আমাদের বাড়ির জমিতে রেকর্ড নিয়ে সমস্যা ছিল, পরে আমরা আদালতে মামলা করি মামলা ৬ বছর চলার পরে রায় পাই এবং ডিগ্রি জারি হয়। পরবর্তীতে আমার বাবা মিউটেশন করতে ভূমি অফিসে যায়। এরপরে আমার বাবাকে বিভিন্ন উপায় টাকা খরচের কথা বলে এবং হবে না ও কাগজ ভুল আছে এমন কথা বলে। এভাবে বেশ কিছু দিন অফিসে ঘুরার পরে ভূমি অফিসে আউটসোর্সিং এর একজন লোক বলে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে বাবা বাদ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দেয়। পরে মিউটেশন করার জন্য অগ্রগতি শুরু করে।
জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন অফিসে কম্পিউটার অপারেটর কর্তৃক প্রতিটি প্রত্যয়ন প্রত্র প্রিন্টের জন্য ২০০ টাকা করে দাবী করা হয়েছে। পরিশেষে ৪টা পত্রে মোট ৮০০ টাকা পরিশোধ করার পর আমার প্রত্যয়ন প্রত্রগুলা চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।
গাড়ি শুধু শুধু থামাইছে। কোন কিছুই করি নাই।
Amar passport hold kore rakhe immigration SB office in Dhaka. Aita simple khajtake, easily somadan na kore khali gurise. Amar time west korse, akjon paralysis police officer guser jonno khali gurise. Passport releger din a mohila 200 taka nese. Aro chaiselo. Ame bedese theke deshe jawor por Airport theke gotona suru hoysilo. Ame short kore likhalam.
স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলাম। বারবার অনুমোদনের জন্য গেলেও তারা বিভিন্ন ভুল ত্রুটি ধরেছিল। প্রায় দুই মাস ঘোরার পরে আর না পেরে তাদের মাধ্যমে করা হয় কাজটি। পুলিশ ভেরিফিকেশনে পুলিশ ২০০০ টাকা নিয়ে গেছে। মোট ১২০০০ টাকা দিতে হয়েছে ঘুষ।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছিলাম প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েছিলাম ফেল আসার পর দ্বিতীয়বারে আর কোন সমস্যা জড়াতে চাইনি এর জন্য পরবর্তীতে দালাল ধরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছি
বিদ্যুৎ এর ৩ টি মিটারের জন্য১৫০০০ (পনের হাজার) টাকা ঘুস দাবি করেছে এবং আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার দলিলে জমির পরিমাণ আছে ১.৭৫ একর কিন্তু ভূমি সার্ভেয়ার আমাকে পর্চা দিচ্ছে ১.৬৫ ,বাকি জমির পরিমাণ ঠিক করে চাইলে ২৯ ধারা করতে বলে ,আমি ২৯ ধারা করার পরে সার্ভেয়ার আমাকে বলে জমির পরিমাণ ঠিক আছে ম্যাপ ঠিক করতে হবে , ম্যাপে কম আছে , ম্যাপ পূণরায় করতে হবে এ বাবদ অনেক খরচ আছে,এই খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
আমার দুইটি দলিল ছিল ক্রয় কৃত জায়গার দুইটা দলিল একসাথে মিউটেশন করিয়ে দিবে এজন্য আমাকে বারো হাজার টাকা দিতে বলে আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে আসছি।
আমি আমার জমি খারিজ করতে গেলে ১০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। আমার খারিজ করা জরুরি প্রয়োজন ছিলো । না করে উপায় ছিলো না।
আমি গাইবান্ধা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম গত জুন মাসের ২৮ তারিখের দিকে। আমার সকল কাগজপত্র বৈধ ছিল। তারপরে অফিসের পিয়ন এবং ড্রাগ সুপারের সহকারী ২০০ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দেই