পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি নিত্যান্ত গরিব পরিবারের সন্তান। জবটা খুবই দরকার। তাই অনেক রিকুয়েষ্ট করে পুলিশের SI কে ২৫০০ টাকা দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি নিত্যান্ত গরিব পরিবারের সন্তান। জবটা খুবই দরকার। তাই অনেক রিকুয়েষ্ট করে পুলিশের SI কে ২৫০০ টাকা দিয়েছি।
২০১৭ সালে ঢাকা সাভার এ ভুমি জরিপ বিআরএস হয়। তখন যারা এই জরিপ কর্মকর্তারা ছিল তারা পত্তেক জমি থেকে ২,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিছে। আমি প্রথমে টাকা দেইনাই বলে আমাকে ১ মাস বেশি গুড়ানো হইছে শেষ মেষ ২,০০০ টাকা দেয়ার পর আমাদের জমির জরিপ কাগজ দিছে।
Lakshmipur Ramgonj আমার একটা নাম জারি করতে 150000 টাকা নেয় বিগত দুই বছর ঘুরতে ঘুরতে হয় না টাকা দেউয়ার পর এখন করে দিয়েছে
একটা ভবন নির্মাণের সময় কোন লোক মিথ্যা অভিযোগ করে ভুমি অফিসে, অভিযোগ মিথ্যা হওয়া সত্যেও সেটা নিষ্পত্তির জন্য ১০০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে কাজ স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেয় তফসিলদার আর এসিল্যান্ড।
খাজনার জন্য হোল ডিং নাম্বার প্রয়োজন ছিলো।কিন্তু ভূমি অফিসটা দিতে দালালের মাধ্যমে টাকা চায়। আর নাইলে বলে জানি না। পরে সাত হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।
চাকরির জন্য পুলিশ প্রতিবেদন। তেল খরচে চাওয়া হয়েছিল।
নতুন পাসপোর্ট তৈরি, পুলিশ ভেরিফিকেশন ইত্যাদি বাবদ ঘুষ প্রদান করতে হয়েছিল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য অতিরিক্ত ২৮০০ টাকা নিয়ে সব পাস করিয়ে দিবে। টাকা না দিলে পাস করা যায় না পরীক্ষায়।
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে কাজের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার প্রাক্কালে তিন দিনের বিএমইটি ডেমো ক্লাসের জন্য যথারীতি ভর্তি হলাম। সেখান থেকে জানানো হলো, কাউকে কোনো প্রকার টাকা দিবেন না। অথচ সেই অফিসেই আমি চারদিন ঘুরে ফিঙ্গার দিতে না পেরে পরবর্তীতে গেটের বাহিরের কম্পিউটারের দোকানে যোগাযোগ করলে ১৫০০ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে পরবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট কার্যক্রম শেষ করি। অথচ সেই একইরুমে ২ ঘন্টা আগে থেকে চেষ্টা করে সেই রুমেই প্রবেশ করতে পারলাম না। এটাই আমার সোনার বাংলাদেশ।
থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সকল কাগজ জমা দেয়ার পর ১৫০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু আগের সকল কাজ শেষ। ভেরিফাইয়ের জন্য থানায় কাগজ আসে। টাকা না দিলে ওকে করে না। এসপি অফিসে কাগজ জমা দেয় না।
ডিপিডিসিতে মানিক নগর শাখায় এক সাব স্টেশন ইঞ্জিনিয়ার ৩ফেজ লাইন মিটার সহ পাইয়ে দিবেন বলে উক্ত টাকা ধাপে ধাপে নিয়ে থাকেন।সর্বশেষ ডিমান্ডনোট হলেও গ্রাহকের লাইনে ত্রুটি আছে বলে মিটার টি দিচ্ছে না।গ্রাহক মিটার চাইতে গেলে চুরির অপবাদ দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। টাকা লেনদেনের কোনো প্রমান রাখা সম্ভব হয় নি।
মিউটেশন করতে দলিলে এসএ দাগ না থাকায়, ২০০০০/- দাবি করে, পরে সেখানে ১২০০০/- দিয়ে মিউটেশন করিয়ে নেই
আমার কাছে ছয় হাজার টাকা দাবি করেছেন তসিলদার, মাত্র ৮ কাঠা জমির জন্য
একপ্রকার বাধ্য হয়ে টাকা নেয়। টাকা না দিলে নামজারির রিপোর্ট সাইন করে না।
একটি হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করতে সরকারি ভাবে টাকার পরিমাণ নেওয়ার কথা সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা। সব মিলিয়ে হয়তো পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা খরচ হতে পারে। কিন্তু আমার কাছ থেকে সব মিলিয়ে এক লক্ষ 50 হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে । তা না হলে দলিল রেজিস্ট্রি হতো না।
ইনকাম ট্যাক্স প্রাকটিশনার হিসেবে ট্যাক্স অফিসে মনোনীত ব্যক্তি ও ট্যাক্স অফিসের অফিস সহকারী মিলে আমাকে ফোন করে এবং আমাকে মফিজ পাগলার মোড়ে একটি রেস্টুরেন্টে এ বসিয়ে আমাকে বলে আপনার ফাইল এ ঝামেলা আছে এটা ঠিক করতে ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে না হলে দুদকে মামলা হবে। আমি একজন সাধারণ পিওন একটি ক্লিনিকে কাজ করি আমি প্রথমে দিতে অস্বীকৃতি জানাই কিন্তু তারা আমাকে পুলিশ ও দুদক এবং আরো অন্যান্য ভিতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৬০০০০/- টাকা করে এবং বাকি টাকার জন্য পায়ে ধরে ক্ষমা পার্থনা করি।
পাসপোর্ট করতে গেলে বলে পেশাটি নাকি ভুল পরবর্তীতে একই পেশাদিয়ে কাজটি করে দেয়। শুধু টাকার বিনিময়ে
BRTA অফিসে প্রকাশ্যে দুর্নীতি করে। ভিতরের স্টাফ সবাই প্রকাশ্যে ঘুষ খায়
ঢাকা ফায়ার সার্ভিস অফিসে নিয়ে দাবি করে।
১৯ টা দলিলে খাজরা নিয়েছে ৬০০০০, আমার নামে হাজরা রশিদ কাটছে মাত্র ১০ হাজার টাকার। আর সাতটা দলিলে খারিজ করার জন্য টাকা নিছে এক লাখ চল্লিশ হাজার।