পুলিশ ভেরিফিকেশন
NTRCA মাধ্যমে একটি মাদ্রাসা জব পাই। পরবর্তী পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য ২৫০০ টাকা ঘুস নেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
NTRCA মাধ্যমে একটি মাদ্রাসা জব পাই। পরবর্তী পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য ২৫০০ টাকা ঘুস নেই।
আমি নতুন চাকরিতে জয়েন করার পর ফিক্সেশন করার জন্য এবং ১ম মাসের বেতন নেওয়ার সময়
কোর্টে জায়গা জমি মামলা কাজের জন্য ঘুষ।
আমার পাসপোর্ট এর ঠিকানা এবং নাম ভুল করছিল লোটির ছেলে পরে আমার কাছ থেকে টাকাগুলো নিছে বিকাশের মাধ্যমে
আমাদের ক্রয়কৃত জমির নামজারি করতে যে কোন ভাবে একজন দালালের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ২ টি জমির নামজারি করার আবেদন করা হয়,একটির কাগজ হাতে পেলেও অপরটি পাইনি
বর্তমানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রাশিয়া আসার জন্য বেশি ইন্টারেস্টেড। তাদের বৈধ ভিসা এবং সবকিছু ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বে ইমিগ্রেশন এবং বডিং পাস দেয়নি।আমাদের প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে 500 ডলার দাবি করা হয়।বর্তমানে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন প্রতিনিয়ত এই চাদাবাজি করে আসছে।
ইন্টার্নশীপ শেষে বিএমডিসি সার্টিফিকেট পেতে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ডকুমেন্টস নিতে স্পিড মানি নামে প্রতি ইন্টার্ন হতে নেওয়া হয়।না দিলে ঘুরানো হয়।অনলাইনে এসব আবেদন না থাকাকে বড় সুযোগ হিসেবে নেয়।
আমার দাদার কিছু পরিমাণ জমি বাবার নামে হেবা করার জন্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। তো সেখানে এক অংশীদারদের নাম,মায়ের নাম ভোটার আইডিকার্ডের সাথে মিলছিলো না। যদিও ইউপি থেকে সনদ নেওয়া হয়েছে নাম ঠিক করে। সেদিন সব কার্যক্রম শেষে ফাইনালি একটা সিগনেচার হলে হয়ে যায় তখন রেজিস্ট্রার অফিস থেকে জানানো হলো এ জমি রেজিস্ট্রি করা যাবে না। অনুরোধ করলে বললো করা যাবে ৫০০০০ হাজার লাগবে। দরদাম করে ৩০০০০ দিয়ে কোনোক্রমে দলিলটা করানো হলো। ওইদিন আমি প্রথম যাই ভূমি সংক্রান্ত কাজে। আমি টোটালি অবাক সে নিজেহাতে তখন টাকা নিলোনা কিভাবে সব স্মার্টলি হ্যান্ডেল করলো।
আমি জমি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সকল টাকা জমা দেই কিন্তু দলিল লেখক আমার কাছ থেকে বিভিন্ন চার্জ বাবদ ৮ হাজার টাকা দাবি করে পরে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভূমি অফিসে দলিল লেখক কে তার পারিশ্রমিকের বাহিরে আর কোন টাকা দেওয়ার দরকার হয় না আমি যখন এ বিষয়টি আমার দলিল লেখককে জানাই তখন সে বলে যে দলিল লেখক সমিতি এই টাকা পায় এবং এখান থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা সহ সাংবাদিক রাও এখান থেকে ভাগ পায় তাই এই টাকা দিতে হবে আমি দেশের বাইরে থাকায় এবং জমিটি জরুরীভাবে নেওয়ার প্রয়োজনে টাকা দিতে বাধ্য হয়।
কল দিয়ে টাকা চেয়েছে! দিতে আপত্তি করায় বলেছে নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিবে। নিরুপায় হয়ে দিতে হয়েছে।
প্রতিমাসে Into Bond & Ex-Bond করতে অফিসারদেরকে এরকম টাকা দেওয়া লাগে।
সৌদিতে আসার জন্য পাসপোর্ট করতে এই ঘুস নিয়েছে এবং আরো অনেক জায়গায় ঘুস দিতে হয়েছে
আমি আমার বাবা ও আমার NID card অনুযায়ী তথ্য দেই।তারা আমার বাবা মার আবেদন ফাইল কিছু ভুল ধরে ,বলে তথ্য কেন্দ্র যান।তথ্য কেন্দ্রের লোক বলে আবেদন বাতিল করে পুনরায় আবেদন করেন।তারপর আমি যখন দুটি পাসপোর্ট এর জন্য ৪০০০ টাকা ঘুষ দেই তারা আধা ঘন্টার ভিতর কোনো রকম ভুল ধরা ছাড়া পাসপোর্ট করে দেয়।
কুমিল্লা আদালত, মুরাদ নগর কোর্ট, পেশকার প্রতি তারিখে অযুক্তিক টাকা দিতে হয়,২৮ বছর মামলা পরিচালনা করে এখনো সমাধান হয়নি, প্রতি তারিখে ১০০০/২০০০
দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এর পর নতুন করে জন্ম নিবন্ধন স্বাক্ষর এর জন্য ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ৫০০ টাকা দাবি করেছিল
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
জমি খারিজ করতে হিসাব ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কথা বলতে চান নি। তার সহকারী আমাকে সাইড ডেকে নিয়ে বলেন ,আমি যদি নিজে নিজে করতে যাই তাহলে ১০০০০ এর বেশি লাগবে ,সে বলে আমাদের দেন আমরা ৭০০০ এর মধ্যে করে দিবো।আমি বাইরে ২-১ জন দালাল এর সাথে কথা বলে দেখি ওদের ছাড়া করার উপায় নাই। শেষে ৭০০০ টাকা দিয়ে করে নেই। সে অফিস সহকারী বলে সে নাকি টাকা খায় না এই টাকা নাকি প্রতি টেবিলে দিতে হয় খারিজ পাস করানোর জন্য।
They hassale me for dc certificate but when i pay money no need dc certificate.
ভূমি ব্যবহারের জন্য ইজারা ফি দেওয়ার আগে ফাইল গুছিয়ে চট্টগ্রাম সার্কেল থেকে পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে, মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আগে পর্যন্ত চট্টগ্রামের অফিস গুলোতে মোট ৩৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়,যেটা সরকার পাই না (ঘুষ) - সড়ক ও জনপদ
সন্চই পত্রের টাকা উত্তলোনের সময় ঘুস দেওয়া লেগেছে ,আর কোন উপায় ও ছিলো না ,যদি ও ২০ বছর আগের ঘটনা সে হিসাবে বতমানে ও অবাধে গুষ বানিজ্য চলতেচে,রাউজান পোস্ট অপিস ও চট্টগ্রাম শহরে জিপিও কতোয়ালী তে ও ২ বার দেওয়া লেগেছে