নতুন পাসপোর্ট তৈরি
২০২১ সালে পাসপোর্ট ফেরিফেকেশনের নামে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । এবং তা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার জেলা শহের কোর্টে ডিএসবির এক এসআই আমার কাছ থেকে তা নেয় তার নাম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২১ সালে পাসপোর্ট ফেরিফেকেশনের নামে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । এবং তা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার জেলা শহের কোর্টে ডিএসবির এক এসআই আমার কাছ থেকে তা নেয় তার নাম
জেলা বিচারক বিভাগ আমার বাবার বিরুদ্ধে রায় দেয় আপীল বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের ঘুষখোর বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খেয়ে রায় দেয় জামিন দেয়। আমার বাবা নির্দোষ তাকে ফাসিয়ে এতগুলো টাকা ভিলেজ পলিটিক্স, স্থানীয় প্রশাসন বলতে থানা এদের কথা বাদই দিলাম শুধু বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খাইছে। আমার বাবার চাকরি থেকে সাস্পেন্ড হইছিলেন। যাক শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত রায় না পেয়েই ২০২৩ সালে মারা যান।
জমি দলিল করার জন বিক্রেতা মিউটেশন করতে জায় কিন্তু টাকা ছাডা উনি মিউটেশন করে দিবে না, আমি ছিলাম ক্রেতা তাই আমি বাদ্ধ হয়ে টাকা দিয়া মিউটেশন করে পরে দলিল করে নেই
সরকারি কাজের বিল তুলতে গিয়ে বললো ১% করে দিতে হবে একাউন্ট সেকশনের জন্য। নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ২% মোট ৩% টাকা চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই এম বিভাগ ২ এর ক্যাশিয়ারকে পরিশোধ করতে হয়েছে কারণ সে আমার প্রাপ্য চেক দিচ্ছিলো না।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ওনি ষখন তুলতে যান, তখন তার টাকা তারই তুলতে টাকা দিতে হবে, আসলে চা নাস্তা, খেতে ২৫ হাজার টাকা লাগে, 😅 এটাই আমাদের বাংলাদেশের system.
জন্ম নিবন্ধন সনদ ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ বানাতে সরকারি ফিস ৫০ টাকা , অথচ ইউনিয়ন পরিষদ এ ব্যাক্তি বেদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয় ,, এখানে জন্মনিবন্ধন সনদ আবেদন করতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । আর যদি প্রশ্ন করা হয় জন্মনিবন্ধন এর ফিসতো ৫০ টাকা সেক্ষেত্রে বলে হ্যা ৫০ টাকা কিন্তু আমি এখানে আবেদন পত্র জমা দিয়ে দিবো কিন্তু আপনার উপজেলা জমা দিতে হবে এবং সেখানেও টাকা দিতে হবে । ( অথচ এখানে আবেদন জমা ও ডুকেমেন্ট চেক করে ) সব কাজ তার । এভাবে হয়রানি করে মানুষ দের থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা নেয় । এটা ঘুষ না কিন্তু সরকারি ফিস থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা সে নেয় । আবার কোন কাজে গেলে সে করে না ,, সে বলে বাইরের কম্পিউটার দোকান (যেটা তার) সেখান থেকে করে আসতে বলে। ভুক্তভোগী ইউনিয়ন বাসী
জানুয়ারি এর দিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল কোন ভাবেই যাতে রেজিস্ট্রি এর দিন পেছানো না হয়। কারণ, যিনি বিক্রি করবেন উনি তার পর দিনই বিদেশ চলে যাবেন।
আমার স্মার্টফোন টি চুরি হলে উদ্ধার বাবদ তারা ৫০০০ টাকা চায়। এমনকি যার কাছ থেকে উদ্ধার করে তার কাছেও টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিলে আমাকে ফোন দিয়ে দেয়
বদলি বিল, ট্রেনিং এর বিল, জিপিএফ লোন টাকা না দিলে পাস হবে না
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
আমরা ছিলাম ৬ জন,আমাদের নিয়োগ ntrca এর থেকে সুপারিশ পেয়ে হয়েছে।সম্পুর্ন মেধার ভিত্তিতে।সব কাগজ পত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও ঘুষ না দেয়াতে ২/৩ বার করে রিজেক্ট হয়ে যায়।কখনো থানা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে, কখনো জেলা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে আবার মাউশি থেকেও রিজেক্ট করেছিলো। শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক আমাদের এমপিওর ব্যবস্থা করে দিলেন কিন্তু জন প্রতি ১০ হাজার করে দেয়া লেগেছিল। ২০২২ সালের কথা।
২০২১ সালে দুইজনের পাসপোর্ট করতে যাই। প্রথমে ভাবলাম, দালালকে ছাড়াই করবো। দেখলাম পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একের পর এক অভিযোগ। এটা ঠিক নেই, ওটা ঠিক নাই। নামের ভুল, পেশা ভুল। একসময় পূরণ করা ফর্ম গুলো লাল কালি দিয়ে কেটে দিলো। ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলো দালাল ছাড়া কাজ হবে না। দুজনের জন্য ১৬০০x২= ৩২০০ টাকা চাইলো। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। তারপর তথা কথিত কাগজ পত্রের ভুল নিমেষেই ঠিক হয়ে গেলো।
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
আমি আমার জনি নাম জারির জন্য আবেদন করে গিয়েছিলাম ইব্রাহীমপুর ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে বলতেছে কাজগে এই সমস্যা ঐ সমস্যা এটা ঠিক করেন এই ভাবে আমাকে তিন বার নাম জারির জন্য আবেদন করতে হয়েছে। তিনবার আবেদন করার পর ৯০০০ টাকা দেওয়া পরে ঐ কাজগে আর কোন সমস্যা নেই আমার নাম জারি হয়ে গেছে। এই ৯ হাজার টাকার সাথে তিনবার আবেদন করা আসা যাওয়া আরো ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য জমির খতিয়ান নুতুন করে যোগ করতে হয়। এতে হোল্ডিং নম্বর লাগে। সেই হোল্ডিং নম্বর ক্রিট করতে হয় ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণত এই কাজটি করে থাকে। হোল্ডিং নম্বর ক্রিট ও অনলাইন করার জন্য রিকোয়েস্ট করলে তারা বলে যে সার্ভার ডাউন ,৫০০ টাকা খরচ দিয়ে যান । কাজ হয়ে যাবে।
আমাকে বলা হয়েছে টাকা না দিলে পাশ করানো হয় না।অবশ্য আমি একজন দালালের মাধ্যমে টাকা দিছি।টাকা ছাড়া কেউ BRTA টির সেবা পায় বলে আমার মনে হয় না।
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
রপ্তানি প্রতিটা ডকুমেন্ট বাবদ ১৫০ টাকা দিতে হয় লোকাল ডকুমেন্ট হলে ১০০০ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেয়
বি আর টিএ অফিসে প্রথমবার লাইসেন্স করতে গেলে ৩০০০/- টাকা চায়। কোন পরীক্ষা ছাড়া পাস করায় দেবে সেই শর্তে। টাকা না দিলে ফেল করায় দেয়। টাকা দিলে রিটেন ও ড্রাইভিং টেস্টও দেয়া লাগে না। নবায়ন করতে আবার একই অবস্থা। তখন নিয়েছিল ২৬০০/-। পরিচিত লোক ছিল তাই দুই বারই কম লাগছে, মানুষের কাছ থেকে আরো অনেক বেশি নেয়।
সাব রেজিস্ট্রী অফিসে কারো যদি টিন বা আয় কর রিটার্ন না থাকে তাহলে জন প্রতি ৩/৪ টাকা ঘুষ দিতে হয় এমন কি সরকার কিছু খাত নিয়ম আছে যা মধ্যে টাকা লাগে না সেখানেও ঘুষ দিতে হয়