driveng laichen
laichen korte hole 6000tk dite hobe
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
laichen korte hole 6000tk dite hobe
জমি রেকর্ড করা, ঘুষের টাকা দাবি করে
ভূমিহীন আবেদন করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে যাই। আবেদন করার সময় একজন অফিস সহায়ক বলেন যে ৫০ শতক যায়গা খাস পাইয়ে দেবে যদি কিছু টাকা খরচ করি। ২০০০ টাকা দিয়ে আবেদন করি সেখানে। পরে ধাপে ধাপে ২০০০০ টাকা ঘুষ দেই এই জন্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর এক্সাম দিতে গিয়েছিলাম।প্রেক্টিক্যাল এক্সামে যেই বাইক দেয় আল্লাহর দুনিয়ার কেউই এইটা দিয়ে পাস করতে পারবে না।বাইকে বসার আগেই ফেইল দিয়ে দিছে।পরে ৩০০০ টাকা দিয়ে পাস করায় নিলাম।🤣
করিমগঞ্জ মেডিকেলে রোগী নিয়ে যাওয়ার পর,,,নার্স দাবি করেছে ৩০০০ টাকা দিলে বাহির থেকে কিছু আনা লাগবে না,,, তারপর আমি না দেওয়াতে,, তারা নরমাল ডেলিভারির জন্য যা বলছে তাই বাইরে থেকে নিয়ে দেয়া হয়েছে,,, অথচ হসপিটালে সবকিছু আছে,,, লাস্টে তারা বলতেছে এখান থেকে একটি সুতা ইউজ করেছে সেলাইয়ের জন্য সেটার জন্য ৫০০ টাকা পরিশোধ করতেই হবে,,, না হলে রোগীর ক্ষতি হবে,,, লাস্ট আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি,,।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে আমার কর্মকর্তার স্বাক্ষরের জন্য ৮০০ টাকা নিয়েছে।। তা না হলে কাজ করবে না বলছে।।
ঢালুয়া হাই স্কুল, থানা: নাঙ্গলকোট, জিলা: কুমিল্লা বিভাগ : চট্রগ্রাম। JSC এবং SSC সাটিফিকেট, মাকশিট, প্রসাংশ পত্র, তুলতে প্রত্যয়ন নিতে টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে আটকে রেখে দে, হয়রানি করে। আমি গত ১১ বছর পর সাটিফিকেট তুলতে পারছি ৬০০ টাকা দিয়ে, তারা দাবি করছে ১ হাজার টাকা। ।এতো দিন টাকা দি নাই তাই কাগজপত্র দে নাই, চাকরি আবেদন করতে পারি নাই কাগজপত্র কারনে। আমাদের প্রতিটি স্কুল মাদ্রাসাতে হয়, নাঙ্গলকোটে আমরা জানি ফর্মফিলাপ সময় সব টাকা নিয়ে যায় সকল খরচ, এটা অন্য টাকা ছাড়া কাগজপত্র দে না
তাদের হিসাব অনুযায়ী সরকারকে দিতে হবে ৭৭,০০০/- কিন্তু ক্রেতার নাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় কর্তৃক এফিডেবিট ছিল। তাই বিভিন্ন হিসাব দেখিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রার নিজে ১৬০০০০/- দাবি করেন এবং বাধ্য হই। তিনি ( নকলা+নালিতাবাড়ি) দুই উপজেলার দায়িত্বে আছেন।। প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলমান রয়েছে। এদের প্রত্যেকের সম্পদের হিসাব নিলেই দেখা যাবে,,,,আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
টাকা না দিলে কোন কাগজপত্র সই হবে না মুখের উপর ছুঁড়ে মেরেছিল ।
রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট তুলতে প্রধান অফিস সহকারী প্রায় সব ইন্টার্ন ডাক্তার থেকে 1000 -5000 টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় । টাকা না দিলে হয়রানি করে । হাসপাতালের পরিচালক, কলেজের প্রিন্সিপাল সবাই জানে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয় না ।
পাসপোর্ট দ্রুত করে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। তবুও দেরিতেই পেয়েছি
জমি রেজিস্ট্রি করার সময়, ফুলগাজী, রেজিস্ট্রি অফিসে দিতে হয়েছিল
টাকা ছাড়া অনেক দেরি হবে, স্যার ঢাকা চলে গেছে।
নামজারির জন্য চাইছিল না হয় আবেদন না মঞ্জুর করে দেবে
একটি জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে আমাকে বলে আপনার কোন কিছু লাগবে না শুধু 5000 টাকা দিলেই হয়ে যাবে।
মাদ্রাসা শিক্ষক হিসেবে নিজের এমপিও ফাইল জেলা অফিস থেকে ছাড়করণের জন্য মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা ছেয়েছিল জেলা শিক্ষা অফিসার। ১০০০ টাকা দিলে সে আরো দাবি করে।
ফায়ার সেফটি প্লান পাশ এবং NOC সার্টিফিকেট বাবদ কমপক্ষে ২৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফায়ার সার্ভিস এ আবেদন এর পরে ফিল্ড ভিজিট এ যেই ইন্সপেক্টর (ফায়ার সার্ভিস) যান, ওনার চা খরচ ১০,০০০টাকা। এটা ফিক্সড। এর পরে প্লান পাশ আর ফায়ার সার্ভিস এর NOC এর জন্যে বর্তমানে মিরপুর ১০নং এর সদর দপ্তরে, ১৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। যেই টাকা AD স্যার নিজে অন্যদের (২জন ইন্সপেক্টর আছে) কাছে দিয়ে দিয়ে দিতে বলেন। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এবং যে সকল ফার্ম ফায়ার সেফটি প্লান নিয়ে কাজ করেন সবাই দেন। অনেকে আবার ঘুষ এর পরিমান বাড়িয়ে দেন যেন অযথা হয়রানি কিম্বা সিরিয়াল ব্রেক করে দ্রুত ফাইল পাশ করে দেয়া হয়।
MPO করতে লাগইবেই লাগবে
দালালরা আমার পাসপোর্ট করে দিবে সেই বিনিময়ে তারা বিশ হাজার টাকা চেয়েছিল
Trade license renewal, 13010 taka, the officer took extra 200tk