নাই
আমার বাবা আমাকে আমাদের নামে সাবক কাবলা দিবে সেই কারণে ভূমি অফিসার অর্থাৎ রেজিস্টার অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে সে ক্ষেত্রে আমি পরিশোধ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা আমাকে আমাদের নামে সাবক কাবলা দিবে সেই কারণে ভূমি অফিসার অর্থাৎ রেজিস্টার অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে সে ক্ষেত্রে আমি পরিশোধ করি।
আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভেতরে বাড়ি জমি নিয়ে একটা ৪৪ এবং ৪৫ ধারা মামলা হয়েছে এবং বিবাদীপক্ষ অনেক ভুল তথ্য দিয়ে মামলা করেছে যে আমরা জায়গা জমি পাবোনা সেই মর্মে। তাই মহামান্য আদালত ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য চিঠি দিয়েছে এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা আমাদের ওখানে গিয়ে নিজ চোখে দেখেছে এবং আশেপাশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছে তৎপর আমাদের কে অফিসে যেতে বলেছে এবং আমরা যখন অফিসে যাই তখন ১২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিক ৩০০০ হাজার টাকা দিয়েছি আর নয় হাজার টাকা দিতে পারিনি তাই এখন পর্যন্ত প্রতিবেদন করে পাঠাইনি
সৌদি আরব যেতে হলে যেই তাকামূল পরীক্ষা দিতে হয় সেটি দেওয়ার জন্য শুধু মমিনশিং টিটিসি সেন্টার নয় বাংলাদেশের যতগুলো তাকামূল পরীক্ষা দেওয়ার কেন্দ্র রয়েছে টিটিসি ভবন তারা সকলেই এই ঘুষ খেয়ে থাকে যা ভিসা পেশা পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘুষের মান বাড়ে যেমন লোড আনলোড এ পেশায় কম নেওয়া হয় কিন্তু ড্রাইভিং যে পেশাগুলো আছে সেগুলোতে আপনার পাস করতে হবে এবং তাদের টাকাও দিতে হবে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে তারা ফেল দিয়ে দেয় যদি আপনি পাস ও করেন এবং এটি বাংলাদেশের প্রতিটি টিটিসি সেন্টারে করা হচ্ছে এবং তারা বলে তারা কোন ধরনের ঘুষ খায় না কিন্তু বাস্তবে সবাই ঘুষ দিয়ে তাদের থেকে পাস করে আসে কিন্তু তাদের নিয়ম আপনি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে এবং তাদের টাকা দিতে হবে যদি আপনি পরীক্ষায় পাস না করেন তাহলে তারা টাকা
মুলত আমি একটি মিসকেইস মামলার রায় পাই যেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তামিল করার জন্য প্রেরণ করা হয় আমার মাধ্যমে সেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা কাগজটি নিজের কাছে জমা রাখে এবং সাতদিন পরে আসতে বলে,,, সাত দিন পরে গেলে সে জানায় তার কাছে লেখার সময় নেই এবং তিনি নিজেই আমাকে বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পাঠায় যে মূলত দালাল তিনি আমার কাছে ৩০০০ দাবী করে আমি নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
বিদেশে চাকরি করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছিলাম নিজে গিয়ে এবং পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীদের কাছে তারা বলল তোমার কাগজে অনেক ভুল আছে ভুলগুলো সংশোধন করে নিয়ে এসো আমি পরের সপ্তাহে সংশোধন করে নিয়ে এসেছিলাম ওই পাসপোর্ট অফিসে তারা আবারা বলল আমার নাকি আরো কিছু ভুল আছে পাসপোর্ট অফিস থেকে বাইর হয়ে আসলাম একটা লোক বলল কি সমস্যা ভাই আমি বললাম স্যার কথা বল বলল আমাকে দুই হাজার টাকা দাও সব সমস্যা সমাধান করে দিব আমি টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই আমার ফাইলটা প্রস্তুত হয়ে গেল এ থেকেই বুঝতে পারলাম আমার দেশ কতটুকু দুর্নীতি বা ঘুষ সরকারি অফিস গুলো এরকমভাবে লেনদেন করা হয় তারপরে আমি পাসপোর্ট পেয়ে বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে চলে আসলাম
সেবাটি ছিল জমির খাজনা।স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ঘুস চাওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু কাজ না করে দিনের পর দিন হয়রান করে কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দি। এতে আমার কাজ হয়।
আমি আমার স্ত্রীর নামে একটা গর্ভবতী কার্ডের জন্য আবেদন করি।সেখানে তো কয়েক জায়গায় কিছু কিছু টাকা লেগেছে। কোনটা ঘুষ আর কোনটা ঘুষ না এটা বুঝার ও কোন উপায় নেই। ধাপে ধাপে টাকা নিয়েছে।যেমন সাস্থ সেবা কার্ড ২০০/ ব্যংক একাউন্ট আবেদন ২০০/সংস্লিষ্ঠ ইউনিয়ন অফিসেই আবেদন করেছিলাম।পরে টাকা তোলার সময় ১০০/ আমার ঢাকা সিলেট মহাসরকের নরসিংদী শিবপুরস্থ এক স্থানে হোটেল ছিল সরকারি প্রনোদনা পেয়েছি কর্মচারী হিসেবে ২৬০০০/সেখান থেকে নন অফিসিয়াল ভাবে যে আমাদের নাম জমা নিয়েছে অন্যত্র দেখা করে কিছু টাকা দেয়ার দাবি করে।পরে আমি ১০০০/টাকা দিয়েছি। মোবাইল চুরি হয়েছিল উদ্ধারের জন্য শিবপুরের একজন এস আই কে ৪০০০/টাকা দিয়েছি উল্লেখ্য তিনি এই টাকার কথা কোথাও না বলার কথা বলেছেন।এই সব কাছাকাছি সময়ের গঠনা।আরো আগে অনেক হয়েছে এমন।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসি, অনলাইনে আবেদন করতে সরকারি যত টাকা লাগে সেটা আমি ব্যাংকে দেয়। তারপর যখন পাসপোর্ট আনতে যায় তখন তারা বলে আমার পাসপোর্ট রেডি হয়নি। তারপর তারা একটা তারিখ দেয় তখনও বলে রেডি হয়নি। পরে যখন আমি ভালো করে তাদেরকে জিজ্ঞেস করি তখন তারা বলে যে, ২০০০ হাজার টাকা দিলে একদিনের মধ্যে পেয়ে যাব। তারপর বাধ্য হয়ে তাকে টাকা পরিশোধ করি। পরের দিনই আমাকে পাসপোর্ট দিয়ে দেয়।
জন্মনিবন্ধনে নাম সংশোধন করার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, যা না দিলে কয়েকমাসেও কাজটি হবে না. তবে ঘুষ দেওয়ায় দুই দিনের মাথায় কাজটি করে দেয়.
নাল জমিকে ভিটে- বাড়ি দেখিয়ে আমার থেকে আরও ২৪৫০০০ টাকা বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দাবী করা হয়। আমি অপারগ হলে নাল জমি দেখিয়ে করে দেয়ার জন্য ১,৮৫,০০০ টাকা ঘুষ নেয় রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীরা ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে। দলিল সম্পাদিত হয় ১৫/০৯/২০২৪ সালে।
নামজারি আবেদনের শুনানির ডেটে আমার সকল কাগজ অকে থাকার পরেও আমার কাছে ৩০হাজার ঘুস চাওয়া হয়।দিতে না চাইলে বলে সব আমাদের হাতে নামজারি না মঞ্জুর হবে।আমার কাছে যাবতীয় ভিডিও সহ তথ্য প্রমান আছে।গাবতলি ভূমি অফিসে যতজন নামজারি করতে আসে সবার থেকে টাকা নেওয়া হয়।
আমি একটা পাসপোর্ট করার।জন্য প্রথম। ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখান থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম কার্যক্রম সম্পূর্ণ করি করি।চলে চাই চাঁদপুর সোনালি ব্যাংক , সেখার সরকারী ফি সম্পন্ন করে। তার চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সিরিয়ালে দাঁড়াই চেকিং রুমে যাওয়ার পরে আমাকে বলে আমার ফর্মে ভুল আছে ঠিক করে নিয়ে আসি। তার সেখানে থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসে সামনে ছোট দোকান আছে সেখানেই যাই,তার আমার কাগজ পত্র দেখাই, সে আমাকে বলে ভাই এখানে কোন ভুল নেই,আপনি কি কোন দালাল ধরে আইছেন এখানে।আমি বললাম ন। সে আমাকে জবাব দিল,তাহলে আপনার পাসপোর্ট হবেনা,বললাম কেন? সে আমাকে বলল এখানে সিক্রেট কোড আছে সেটাই নেই অর্থাৎ, দালালের যেই কোড আছে সেটাই নেই,তাই আপনার কোন দালালের মধ্যেই পাসপোর্ট করতে হবে।
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিসি অফিসের শিক্ষা শাখায় খরচপাতি কিছু দিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫০০৳ করে ১০০০৳ দিতে হয়েছে।
আমি কলকারখানা অফিসে গিয়য়ছিলাম লাইসেন্স নবায়ন করতে. আমাকে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিতে হবে. এটা প্রতিবছরের বরাদ্দকৃত ধরে নিয়েছে তারা .তা ছাড়া মামলার ভয় দেখায়.ওরা বলে এই টাকা ডিজি পর্যন্ত যা। এই অবস্হা ফায়ার সার্ভিস ও । তাহলে আমরা যাব কোথায়?
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই অবসরের গমন করি আমার এলপিআর এবং পেনশন প্রদানের জন্য আমার নিকট হতে ৫০০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা পরিশোধ করি।
আমি যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যাই সেটা আমার বাসস্থান এরিয়ার বাইরে ছিল সেটা আমার জানা ছিল না। যখন আবেদন জমা দেই তখন ঠিকানা দেখে বলে এটা আমাদের জোনের বাইরে অন্য জোনে পরেছে, সেখানে যেতে হবে। পরক্ষনেই বলে 1000 টাকা দিলে সমাধান হয়ে যাবে। অনেক মুলামুলির পর 500 টাকা দিতে রাজি হলে আমার সামনে আমার বাসার ঠিকানাটা কেটে ঐ জোনের একটা ঠিকানা লিখে আবেদন জমা নিয়ে নেয়।
পুরোনো দলিল উত্তোলন। সেবা প্রদানকারী ৩০০০/- টাকা চায়। আমি ২০০০/- টাকা দিয়ে দলিল পাই।
আমি বিদেশে যাব আমার নামে কোন মামলা নেই থানায়,,, অথচ যে জায়গায় আমার পরে মানুষ আবেদন করে পাঁচ দিনে ছয় দিনে হয়ে গেছে,,,, সে জায়গায় আমারটা হয়নি,,, লাস্টে ২০ দিন পর আমারটা টাকা দেওয়ার পরে আমারটা হইছে,,,,। এটা হচ্ছে আমার থানা করিমগঞ্জের ঘটনা ওখানে আমি আরো অনেকবার গিয়েছি আমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য টাকা ছাড়া কারো কোন কাজ হয় না,,,।
আমি একজন সেনা সদস্য, বৈদেশিক মিশনের টাকা পেতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এয়ার হেডকোয়ার্টার পে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল, রিটায়ার্ড টাকা পেতে খুলনায় আমার সেন্টারের সে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল দুই জায়গা মিলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, এবং আমার মতো সকল সেনাবাহিনী সদস্য অবশ্যই টাকা দিতে বাধ্য