Driving License
পরীক্ষা অনেক কঠিন করে নেওয়া হয়, সারাদিন রাত বাইক চালায়লেও ফিল্ডে পাশ করা কঠিন, কিন্তু সবাই টাকা দিয়েই পাশ করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পরীক্ষা অনেক কঠিন করে নেওয়া হয়, সারাদিন রাত বাইক চালায়লেও ফিল্ডে পাশ করা কঠিন, কিন্তু সবাই টাকা দিয়েই পাশ করে
আমার কারখানার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। যদিও আমার কারখানার সকল ডকুমেন্টস ok সিল। তার পর o taka দিতে হলো। গাজীপুর চৌরাস্তা জোনাল অফিস এ। ১৪ ওয়ার্ড এর ভিতর
আমি সৌদি আরবে আছি,,, এবং সৌদি আরব আসতে,, আমি বাংলাদেশে যেই প্রসেসিং কাজগুলো করেছি সরকার অফিস গোলাতে,,, ,ট্রেডিং সেন্টার,, পাসপোর্ট অফিস,,, পুলিশ কিলারেন্সের জন্য থানা,,, ফিংগারের জন্য ফিঙ্গার অফিস,,,আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার উপরে আমাকে খরচ করতে হয়েছে,, সরকারি অফিস ফের বাইরে ঘুষের জন্য,,।
আমার আব্বা প্রাইমারী স্কুলে হেডমাস্টার হিসেবেই রিটায়ার্ড করার পর মঠবাড়ীয়া টিও অফিস উক্ত টাকা নিয়ে আমার বাবার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করে।
পাসপোর্ট করার জন্য যা যা সরকারি দপ্তরের সাইটে লেখা আছে সব সহ যাই। এরপরও এটা সেটা চেয়ে ঘুরাতে থাকে। প্রথমে নাগরিকত্ব সনদ। এরপর বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র, এরপর বাড়িওয়ালার এনআইডি ফটোকপি। শেষে পাশের এক কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল জমা নেয়। তখন আর এসব কিছুই লাগেনি। ফাইলের কোনায় একটা দাগ দিয়ে দেয়। সেই দাগ দেখেই ফাইল ওকে করে জমা নিয়ে নেয়
500 টাকা পরিশোধ করে,, সমাধান করেছি,,তদন্ত কর্মকর্তা চা খাওয়ার জন্য 1000 টাকা দাবি করেছিল
মৃত্যু সনদ করতে আবেদন করেছি । জমা দিব তখন দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার বলল ৫০০ টাকা দিতে হবে। না দিলে ঝামেলা হবে তাই আমি টাকা পরিশোধ করেছি ।
নতুন পাসপোর্ট করার সময় সব কাগজপত্র ঠিক ছিল, তবুও ভুল বের করে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। পরে অফিসের নিচে দালাল কাগজ দেখে বলল, ঠিক করে দিচ্ছি, কাগজ দিন। কাগজ দিলাম, সে শুধু একটা ছোট সিল মেরে দিল। ওই একই কাগজ নিয়ে পরের বার লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিলে অ্যাপ্রুভ করে দিয়েছে।
আমি আমার ৭০শতাংশ জমি মিউটেশন করতে গেলে প্রথমত নায়েব সাহেব আবেদন প্রস্তাবের জন্য চান১০০০০/তারপর তাকে দিলাম ৩০০০/অবশেষে ভূমি কমিশনের অফিসে সার্ভেয়ার, নাজির, এসি ল্যান্ড মিলে ৩০০০০/টাকা। অবশেষে খারিজ কম্প্লিট হল। সেই একই দরখাস্ত পূর্বে২বার নামঞ্জুর করেছেন। টাকা দেওয়ার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
Rangamati passport office e ready passport anar somoi 2000 taka cai.nahole naki aro ek sopta por debe amr emergency cilo onk bolar por o deini pore 1000 tk deye Passport ante hoice.
দলিল সম্পাদনের পর নামজারির জন্য মূল দলিল অথবা অবিকল নকল দলিল প্রয়োজন হয়। কিন্তু মূল দলিল হাতে পেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগায়, অনেকেই নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য অবিকল নকল দলিল সংগ্রহ করেন। এই সুযোগে অবিকল নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না। যেখানে স্বাভাবিকভাবে প্রায় ১,২০০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, সেখানে অলিখিত নিয়মে সর্বনিম্ন ২,২০০ টাকা থেকে টাকা আদায় শুরু হয়। এরপর যার কাছ থেকে যতটা সম্ভব, পরিস্থিতি বুঝে তত বেশি টাকা দাবি ও আদায় করা হয়। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করছেন এবং নিয়মিতভাবে হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হচ্ছেন।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে,, চারবার ঘুরে আসছি অফিস থেকে আমার কাগজ ,, তারা জমা নিচ্ছে না,,পাসপোর্ট অফিসের লোক বলছে কম্পিউটারের দোকানে যান ওনারা বুঝিয়ে দিবে,,, আমি দোকানে গেলাম তারপর তারা বলতেছে,, সবাই করে আসছে আপনি কেন পারছেন না,,আপনার কাগজের নিচে সাইন নাই,, কম্পিউটারের দোকানদার বলল ১০ হাজার লাগবে আপনি অনেকবার গিয়ে ঘুরে আসছেন সেজন্য,,, অথচ ৬ হাজার টাকার জিনিস চার হাজার টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়েছে,, এছাড়া কোন ওয়েতে আমি করতে পারিনি,,।
ভূমি অফিস, বাইশটেকী, মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬ Land tax বাবদ ৯৫০ টাকা ঘুষ On February 2026
নামজারীর জন্য ১৭০০ টাকাঅগ্রিম নিয়ে কাজ করে দেয়নি ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারী কর্মকর্তা
কয়েকমাস আগে গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেবার সময়, তারা একসেপ্টই করছিল না, এটা সেটা ভুল ধরতেছিল। প্রথমে বলে কিউ আর কোড ভুল আছে,। আমি বললাম এটা তো অনলাইনে সংয়ক্রিয় তৈরি হয়েছে আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে সেটা বলুন। তারপর জিমেইল অ্যাড্রেসে ভুল ধরেছিল। সেটা ফোন খুলে দেখিয়েছি যে এটাই আমার জিমেইল অ্যাড্রেস। বহুৎ বাগবিতণ্ডা করার পর আমার অরিজিনাল স্মার্ট কার্ড থাকা সত্ত্বেও বলে অনলাইন কপি লাগবে। অতবর বের হবার সময় ডিউটিরত পুলিশ (কনস্টেবল) সদস্য আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে?, তাকে সবটা বলতেই বলে ২০০০ টাকা দিলে ওসব কিছুই লাগবে না। তারা নাকি কাগজ জমা দিয়ে দিতে পারবে, ভিতরে নাকি যোগাযোগ আছে। আমি রাজি হই নি। স্মার্ট কার্ডের অনলাইন কপি বের করে জমা দিয়ে কাজটা করাই। কিন্তু কিছুদিন পর আমার ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ইচ্ছেমত ভুল ধরে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করায়।🥲
প্রথমে নামজারি করতে ১১৭০ টাকার কথা বলি তারপর বলে এটা দিয়ে হবে না,,আমাকে দিয়ে করাইলে ১৫০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,অনেক ভেবে দেখলাম টকা না দিলে এগুলো কাজ হবে না অনেক দেখছি,,,তারপর রাজি হয়ে গেলাম ৩য় ধাপে এসে বলে আপনার এটায় অনেক ঝামেলা আছে আরো ১০০০০ হাজার লাগবে,,না দিলে হবে না,,,কি আর করব মাঝপথে আটাওকাইলে হয়তো আরো ঝামেলা বাড়বে তাই রাজি হই,,অবশেষে হাতে পাই
আমার দাদা হতে উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত ৩ একর জমির অনলাইন মিউটেশন ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গত এপ্রিল 2024 সালে পটুয়াখালি জেলাধীন, রাঙ্গাবালি উপজেলার ভূমি অফিসে যাই, অত্র দপ্তরের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, আমার ৩ চাচা, আমি এবং আমাদের চাষার সম্মুখে ৩৫,০০০/- টাকা দাবি করেন। উক্ত কর্মকর্তার দাবির প্রেক্ষিতে উক্ত ব্যক্তিবর্গের সামনে তাকে ৩০,০০০/- টাকা নগদ প্রদান করি। তারপর তিনি 04.09.2024 খ্রিস্টাব্দে ১১০০/- টাকা সরকারি কোষাগরে জমা পূর্বক আমাদের জমির অনলাইন মিউটেশন সম্পূর্ণ করেন। কিন্তু তিনি তৎকালীন হাল সনসহ বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন নাই। অর্থাৎ এখানে উক্ত কর্মকর্তা আমাদের 30,০০০/- টাকা আত্নসাৎ করেন।
আমি একটি বিদেশী কোম্পানিতে জব করি ঢাকা ইপিজেডে । প্রতি বছর কাস্টমস অডিট করতে হয়। এটা খুব স্বাভাবিক যে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও কাস্টমস Assistant Revenue Officer, RO, Assistant Commissioner এবং কাস্টমস হেড অফিস শেগুন বাগিচার Joint Commissioner কে আলাদাভাবে টাকা না দিলে ইহকালে অডিট সম্পন্ন করা সম্ভব না। আর অডিট না শেষ হলে জেনারেল বন্ড রিনিউ হবেনা। জেনারেল বন্ড রিনিউ না হলে এক্সপোর্ট এবং ইম্পোরট বন্ধ করে দেয় । ARO: 50,000 tk RO: 70,000 tk Assistant Commissioner: 80,000 tk Joint Commissioner: 100,000 tk Sipahi: 20,000 tk Office assistant: 5000 tk Computer operator: 10,000 tk এই ঘুষ শুধুমাত্র কাস্টমস অডিটের জন্য। জেনারেল বন্ড রিনিউ, মালিকানা পরিবর্তন এবং যেকোন পারমিশনের জন্য আলাদা ঘুষের হিসাব আছে।
আমি ২০২২ সালে৷ মার্চ মাসে মাসে সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে যাই, সেখানে আমি জন্ম নিবন্ধন বাংলা ইংরেজি করার জন্য আমি দেবিদ্বার ২ নং ইউছুফপুর ইউনিয়ন অফিসে গেলে আমাকে৷ তারা ব্যস্ততা দেখায় কোন রকম ভুল না থাকলে ও শুদু বাংলা ইংরেজি করার জন্য তারা আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়,, আমি তাদের প্রশ্ন করার কারনে তারা আমাকে বলেছিলো এই টাকা নাকি তখন কার দেবিদ্বার ইউএন এই টাকা নিয়ে থাকে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে, এই যদি হয় ইউনিয়ন এর অবস্তা , যা হয়তো এখনো চলমান রয়েছে,,,,
আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে যাই । আমার জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে। প্রথম দিন আমার কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও দেখলাম আমার ফাইলটা রিজেক্ট করে দেই । তার পর আশেপাশে কয় একজন কে দেখলাম কাগজ পত্র ঠিক নাই তার পরেও ওদের পাসপোর্ট হয়ে গেলো ।পরে বললাম তোমাদের টা কেমনে হয়তো। পরে বললো টাকা দেওয়া লাগে। পরের দিন ও টাকা না দেওয়ার কারণে রিজেক্ট করে দেয়। শেষ মেষ টাকা দেই ১৫০০ টাকা । পরে পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ হয়ে যায়।