নাম জারী
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিসি অফিসের শিক্ষা শাখায় খরচপাতি কিছু দিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫০০৳ করে ১০০০৳ দিতে হয়েছে।
আমি কলকারখানা অফিসে গিয়য়ছিলাম লাইসেন্স নবায়ন করতে. আমাকে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিতে হবে. এটা প্রতিবছরের বরাদ্দকৃত ধরে নিয়েছে তারা .তা ছাড়া মামলার ভয় দেখায়.ওরা বলে এই টাকা ডিজি পর্যন্ত যা। এই অবস্হা ফায়ার সার্ভিস ও । তাহলে আমরা যাব কোথায়?
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই অবসরের গমন করি আমার এলপিআর এবং পেনশন প্রদানের জন্য আমার নিকট হতে ৫০০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা পরিশোধ করি।
আমি যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যাই সেটা আমার বাসস্থান এরিয়ার বাইরে ছিল সেটা আমার জানা ছিল না। যখন আবেদন জমা দেই তখন ঠিকানা দেখে বলে এটা আমাদের জোনের বাইরে অন্য জোনে পরেছে, সেখানে যেতে হবে। পরক্ষনেই বলে 1000 টাকা দিলে সমাধান হয়ে যাবে। অনেক মুলামুলির পর 500 টাকা দিতে রাজি হলে আমার সামনে আমার বাসার ঠিকানাটা কেটে ঐ জোনের একটা ঠিকানা লিখে আবেদন জমা নিয়ে নেয়।
ফায়ার সেফটি প্লান পাশ এবং NOC সার্টিফিকেট বাবদ কমপক্ষে ২৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফায়ার সার্ভিস এ আবেদন এর পরে ফিল্ড ভিজিট এ যেই ইন্সপেক্টর (ফায়ার সার্ভিস) যান, ওনার চা খরচ ১০,০০০টাকা। এটা ফিক্সড। এর পরে প্লান পাশ আর ফায়ার সার্ভিস এর NOC এর জন্যে বর্তমানে মিরপুর ১০নং এর সদর দপ্তরে, ১৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। যেই টাকা AD স্যার নিজে অন্যদের (২জন ইন্সপেক্টর আছে) কাছে দিয়ে দিয়ে দিতে বলেন। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এবং যে সকল ফার্ম ফায়ার সেফটি প্লান নিয়ে কাজ করেন সবাই দেন। অনেকে আবার ঘুষ এর পরিমান বাড়িয়ে দেন যেন অযথা হয়রানি কিম্বা সিরিয়াল ব্রেক করে দ্রুত ফাইল পাশ করে দেয়া হয়।
পুরোনো দলিল উত্তোলন। সেবা প্রদানকারী ৩০০০/- টাকা চায়। আমি ২০০০/- টাকা দিয়ে দলিল পাই।
আমি বিদেশে যাব আমার নামে কোন মামলা নেই থানায়,,, অথচ যে জায়গায় আমার পরে মানুষ আবেদন করে পাঁচ দিনে ছয় দিনে হয়ে গেছে,,,, সে জায়গায় আমারটা হয়নি,,, লাস্টে ২০ দিন পর আমারটা টাকা দেওয়ার পরে আমারটা হইছে,,,,। এটা হচ্ছে আমার থানা করিমগঞ্জের ঘটনা ওখানে আমি আরো অনেকবার গিয়েছি আমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য টাকা ছাড়া কারো কোন কাজ হয় না,,,।
আমি একজন সেনা সদস্য, বৈদেশিক মিশনের টাকা পেতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এয়ার হেডকোয়ার্টার পে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল, রিটায়ার্ড টাকা পেতে খুলনায় আমার সেন্টারের সে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল দুই জায়গা মিলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, এবং আমার মতো সকল সেনাবাহিনী সদস্য অবশ্যই টাকা দিতে বাধ্য
পরীক্ষা অনেক কঠিন করে নেওয়া হয়, সারাদিন রাত বাইক চালায়লেও ফিল্ডে পাশ করা কঠিন, কিন্তু সবাই টাকা দিয়েই পাশ করে
আমার কারখানার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। যদিও আমার কারখানার সকল ডকুমেন্টস ok সিল। তার পর o taka দিতে হলো। গাজীপুর চৌরাস্তা জোনাল অফিস এ। ১৪ ওয়ার্ড এর ভিতর
আমি সৌদি আরবে আছি,,, এবং সৌদি আরব আসতে,, আমি বাংলাদেশে যেই প্রসেসিং কাজগুলো করেছি সরকার অফিস গোলাতে,,, ,ট্রেডিং সেন্টার,, পাসপোর্ট অফিস,,, পুলিশ কিলারেন্সের জন্য থানা,,, ফিংগারের জন্য ফিঙ্গার অফিস,,,আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার উপরে আমাকে খরচ করতে হয়েছে,, সরকারি অফিস ফের বাইরে ঘুষের জন্য,,।
আমার আব্বা প্রাইমারী স্কুলে হেডমাস্টার হিসেবেই রিটায়ার্ড করার পর মঠবাড়ীয়া টিও অফিস উক্ত টাকা নিয়ে আমার বাবার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করে।
পাসপোর্ট করার জন্য যা যা সরকারি দপ্তরের সাইটে লেখা আছে সব সহ যাই। এরপরও এটা সেটা চেয়ে ঘুরাতে থাকে। প্রথমে নাগরিকত্ব সনদ। এরপর বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র, এরপর বাড়িওয়ালার এনআইডি ফটোকপি। শেষে পাশের এক কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল জমা নেয়। তখন আর এসব কিছুই লাগেনি। ফাইলের কোনায় একটা দাগ দিয়ে দেয়। সেই দাগ দেখেই ফাইল ওকে করে জমা নিয়ে নেয়
500 টাকা পরিশোধ করে,, সমাধান করেছি,,তদন্ত কর্মকর্তা চা খাওয়ার জন্য 1000 টাকা দাবি করেছিল
মৃত্যু সনদ করতে আবেদন করেছি । জমা দিব তখন দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার বলল ৫০০ টাকা দিতে হবে। না দিলে ঝামেলা হবে তাই আমি টাকা পরিশোধ করেছি ।
নতুন পাসপোর্ট করার সময় সব কাগজপত্র ঠিক ছিল, তবুও ভুল বের করে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। পরে অফিসের নিচে দালাল কাগজ দেখে বলল, ঠিক করে দিচ্ছি, কাগজ দিন। কাগজ দিলাম, সে শুধু একটা ছোট সিল মেরে দিল। ওই একই কাগজ নিয়ে পরের বার লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিলে অ্যাপ্রুভ করে দিয়েছে।
আমি আমার ৭০শতাংশ জমি মিউটেশন করতে গেলে প্রথমত নায়েব সাহেব আবেদন প্রস্তাবের জন্য চান১০০০০/তারপর তাকে দিলাম ৩০০০/অবশেষে ভূমি কমিশনের অফিসে সার্ভেয়ার, নাজির, এসি ল্যান্ড মিলে ৩০০০০/টাকা। অবশেষে খারিজ কম্প্লিট হল। সেই একই দরখাস্ত পূর্বে২বার নামঞ্জুর করেছেন। টাকা দেওয়ার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
কয়েকমাস আগে গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেবার সময়, তারা একসেপ্টই করছিল না, এটা সেটা ভুল ধরতেছিল। প্রথমে বলে কিউ আর কোড ভুল আছে,। আমি বললাম এটা তো অনলাইনে সংয়ক্রিয় তৈরি হয়েছে আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে সেটা বলুন। তারপর জিমেইল অ্যাড্রেসে ভুল ধরেছিল। সেটা ফোন খুলে দেখিয়েছি যে এটাই আমার জিমেইল অ্যাড্রেস। বহুৎ বাগবিতণ্ডা করার পর আমার অরিজিনাল স্মার্ট কার্ড থাকা সত্ত্বেও বলে অনলাইন কপি লাগবে। অতবর বের হবার সময় ডিউটিরত পুলিশ (কনস্টেবল) সদস্য আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে?, তাকে সবটা বলতেই বলে ২০০০ টাকা দিলে ওসব কিছুই লাগবে না। তারা নাকি কাগজ জমা দিয়ে দিতে পারবে, ভিতরে নাকি যোগাযোগ আছে। আমি রাজি হই নি। স্মার্ট কার্ডের অনলাইন কপি বের করে জমা দিয়ে কাজটা করাই। কিন্তু কিছুদিন পর আমার ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ইচ্ছেমত ভুল ধরে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করায়।🥲
প্রথমে নামজারি করতে ১১৭০ টাকার কথা বলি তারপর বলে এটা দিয়ে হবে না,,আমাকে দিয়ে করাইলে ১৫০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,অনেক ভেবে দেখলাম টকা না দিলে এগুলো কাজ হবে না অনেক দেখছি,,,তারপর রাজি হয়ে গেলাম ৩য় ধাপে এসে বলে আপনার এটায় অনেক ঝামেলা আছে আরো ১০০০০ হাজার লাগবে,,না দিলে হবে না,,,কি আর করব মাঝপথে আটাওকাইলে হয়তো আরো ঝামেলা বাড়বে তাই রাজি হই,,অবশেষে হাতে পাই