নতুন ভোটার নিবন্ধন এবং নাগরিকত্ব সনদপত্র সংগ্রহ
২০২৫ সালের আমরা যে এলাকায় থাকি ওখানে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য এবং নাগরিক সনদ সংগ্রহ করার জন্য আমাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২৫ সালের আমরা যে এলাকায় থাকি ওখানে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য এবং নাগরিক সনদ সংগ্রহ করার জন্য আমাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়
মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদের জন্য আবেদন করা হয়। জন্ম/মৃত্যু সনদ প্রাপ্তির সরকারী ফি খুব সম্ভবত 100.00 টাকা। সেখানে দাবি করা হয় 600.00 টাকা এবং উক্ত দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হলেও প্রায় 2 মাস পরে উক্ত সনদ পাওয়া যায়।
সব কিছু declaration অনুযায়ি আনার পরও মালগুলো ছাড়া যাবে না, কারন একজনের দাবি ৩০,০০০ টাকা আর একজনের দাবি ৭০,০০০ টাকা, না দিলে মাল নাকি ১০০℅ examination এ ২ মাস রেখে দিবে। শেষ পর্যন্ত অপারগ হয়ে ১ লাখ টাকা দিয়ে মাল রাত ১১ টায় ডেলিভারি নিলাম।
আমার নামে থাকা একটি ফ্লাট আমার স্ত্রীকে হেবা করতে দলিল লেখকের সরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে কাজটি ৪৫০০০ টাকায় সম্পন্ন করে নকল সরবারাহ করেন। এক্ষেত্রে সরকারী ফি সর্বোচ্চ ২ হাজার সাথে দলিল লেখকের পারিশ্রমিক যোগ হলে ৫,০০০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। বেশির ভাগ টাকাই ঘুষ হিসেবে সাব-রেজিস্টার কে দিতে হয় বলে জেনেছি।
ভূমি নামজারি, আমি আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করতে যাই। আমার কাগজ পত্র দেখে ভুল খোজতে শুরু করে। আমি দলিল অনুযায়ী নামজারি করতে বলি তাও সে অযুহাতে বলে কোর্টের সিল মোহর কাগজ লাগবে, মায়ের নামের সমস্যা ছিল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাম সংশোধন করে কাগজ পত্র দাখিল করি তারপর দলিল হয়েছে সেই কাগজ পত্র ভূমি অফিসে দেখালে নামজারি হবেনা বলে তারপর 12000 টাকা নিয়ে নামজারি করে দেয়। আরো দুই টা নামজারি করিয়েছি 14000 টাকা দিয়ে।
আমার স্ত্রীর এসএসসি সনদের নাম সংশোধন করতে সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রয়োজনীয় ফী দেওয়ার পর ও ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে নাম সংশোধন করতে।
মাছ এক্সপোর্ট করার জন্য প্রতি সিপমেন্টে সার্টিফিকেট দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে । সেটা বাবদ টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না ।
আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। সমাজসেবা কার্যালয়ে আমাকে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য প্রতিবছর ঘুষ দিতে হয়েছে। আমাদের ধর্মপাশা সমাজসেবা কার্যালয়ের অফিসার আমার অনেক টাকা মেরে দিয়েছে বিভিন্ন তালবাহানা করে। বর্তমানে আমাদের নতুন মধ্যনগর উপজেলা হয়েছে এখান থেকে আমি প্রতিবন্ধী ভাতা করেছি। এখানেও আমার টাকা মেরে দিয়েছে তারা বলতেছে আমার বিকাশে টাকা আসছে কিন্তু কোন টাকা আসেনি। নতুন নাম হওয়ার পর ২ কিস্তি টাকা পেয়েছি। এখন আমি ছয়মাস ধরে কোনো টাকা পাচ্ছি না যোগাযোগ করলে বলে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু ঠিক হচ্ছে না।
আমি সমস্ত ডকুমেন্টস জমা দেবার পর। হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার সাথে দেখা করি। তাঁর পাশে দুইজন বসে ছিলেন তারা অডিটর। টাকা ছাড়া একাজ হয় না। টাকা ছাড়া করতে গেলে ফাইল বা ফাইলের কাগজ হাওয়া হয়ে যায়। আমি হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য সম্প্রতি অবসর নেওয়া কয়েক জনের সাথে কথা বলে দেখেছি তাদের কাছ থেকে( তার আমার সহকর্মী শিক্ষক)এই কাজে ১০০০০/থেকে ২৫০০০/ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাই সরাসরি অফিসারকে বলি স্যার কত দিতে হবে। অফিসার তার সহকর্মী অডিটর দের বললেন, আপনারা বলেন, এ কাজে কত টাকা নেই। তারা বললেন আপনার টাকার পরিমান কত? আমি বললাম ৩২ লাখ। তারা বললেন,স্যার এ কাজে লাখে ১ হাজার নেন। আপনার সেই হিসাবে ৩২ হাজার হয়, ঠিক আছে আপনি ৩০ হাজার দিয়েন।
নামজারি থেকে নতুন নামজারি করার জন্য ( ৩ বার নামজারি আবেদন বাতিল করার পর ৪থ' বার টাকার বিনিময়ে নাজজারি) করা হয়
“জমি নামজারি করতে ১০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। না দিলে অনেক হয়রানি হতে হবে এবং কাজ হবে না, তাই বাধ্য হয়ে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি” কাজের মুল সরকারি ফি ছিলো ২২০০ টাকা মাত্র।
নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে যাই এবং নাগরিক সংগ্রহ করার জন্য কিন্তু আমাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়
আমি ১ম অনলাইনে নিজে আবেদন করে সেটা প্রিন্ট করে ঢাকা যাত্রাবাড়ির পাসপোর্ট অফিসে যাই।৫ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে ভিতরে যাই, অফিসার আইডি দেখে বললো আপনার জেলায় যান এবং আবেদন কেটে দিল। এরপর এটা নিয়ে কুড়িগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে যাই,সেখানকার দায়িত্বর অফিসার বললো কাটা আবেদন চলবে না নতুন লাগবে।নতুন নিতে এটা আগে বাতিল করতে হবে। ১ বছর পর হবে। পরে ওখানকার এক দালালের দেখা হলে সে বলে আমাকে দেন আজই করে দিব টাকা দিতে হবে ৯০০০। পদ বললাম ব্যাংকের টাকা জমা দিছি।তখন বলে ২৫০০ টাকা তাহলে লাগবে।তাহলে আমার ১০ বছরে ৭০০০+২৫০০=৯৫০০-২০০ =৯৩০০ টাকা। ১ বছর সময় লাগবে তাই দিতে রাজি হলাম। দালাল আবেদন করে দিয়ে আমাকে পাঠাল তাকে( সেই অফিসার) কানে কানে কি বলে আসলো আর কোড লিখে দিল। এরপর ওইদিন ছবি, ছাপ সব নিলো ওই অফিসার কোন প্রশ্ন করলো না।
২০২৫ ডিসেম্বরে পাসপোর্ট অফিস পাঁচলাইশে নিজে নিজে আবেদন করে কপি নিয়ে গেছিলাম বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে একবার ২তলা আবার নীচ তলা ঘুরাতে থাকে এর পর বাইরে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে ছিলাম এক দালাল ২৫০০ দিলে পাসপোর্ট করে দিতে পারবে বলে। অনেক দরদাম করে ২২০০ টাকা চুক্তি হয়। একি আবেদন পত্র দালাল তাদের মেইল লিখে দিয়ে পাঠায় জমা দিতে তাও তারা আবেদন নিতে অস্বীকার করে। এরপর দালালের সাথে কথা বললে দালাল পাসপোর্ট অফিসে কথা বলে জানায় আমি নাকি ওদের সাথে তর্ক করেছি তাই আমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আজ জমা নিবে না। সারা দিন না খাওয়া এবং খুব অসুস্থ ছিলাম অনেক কাকুতি মিনতি ওদের মন গলাতে পারি নি। যে পাসপোর্ট আবেদনে আগের দিন ভুল আছে বলে নেয় নি, দালাল পরের দিন আরো ৫০০ দাবি করে, ৫০০ দিয়ে মোট ২৭০০ দিয়ে সেইম আবেদন দিয়ে পাসপোর্ট বানাই।
ওয়ারিসি সনদের জন্য পুলিশ সায়নের জন্য টাকা চাইছ। না হলে সাইন দিবেনা
পিয়নের মাধ্যমে দাবি করে
personal service ar jonno tk niche
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও পাসপোর্ট প্রতি ১৫০০টাকা করে দিতে হয়েছে।
Fire Service and Civil Defence, Cumilla/ warehouse inspectors demand from BDT100,000 to BDT50,000 for approval of Fire License Yearly Renewal. We pay every year, and like inflation their demands also rise each year!
আমি টাকা না দিলে আমার ফাইল ভুমি অফিসার এর কাছে পাঠাচ্ছিল না। এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে।টাকা দেওয়ার পর সব হল।সে নিজে দাবি করবে না তাকে দিতে হবে নাহলে কাজ হবে না।