খারিজ এবং অনলাইন করতে গিয়ে
ইমার্জেন্সি কারণে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল তাই খারিজ অফিসে গিয়েছিলাম তারা দুই মাস ঘুরাইছে খারিজ করা যাবে না ১৫০০০ হাজার টাকা না দিলে। বাধ্য হয়ে দিয়েছে
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ইমার্জেন্সি কারণে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল তাই খারিজ অফিসে গিয়েছিলাম তারা দুই মাস ঘুরাইছে খারিজ করা যাবে না ১৫০০০ হাজার টাকা না দিলে। বাধ্য হয়ে দিয়েছে
টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দিবে না, টাকা দিলে করতে দিবে।
we two Brother take heba dolil from my mother in Sub Registry office. they demand 1% of total Value. first 2 time i have tried without Ghush but can't. finally i have given Ghush then Registry done.
পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে আর্জেন্ট করা দরকার ছিল পরবর্তীতে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আর্জেন্ট পাসপোর্ট করিয়ে দিয়েছিল ব্যাংক ড্রাফ টাকা বাদেই,না হয় বলেছিল 15 দিন সময় লাগবে তাই ৩০০০ টাকা দিয়েই ৫দিনের মধ্যে নবায়ন করেছি।
নাম জারি করতে গিয়েছিলাম প্রথমে তা বাতিল করে দেয় তারপর এক দালাল বলে যে ১৫ হাজার টাকা দিলে কাজ করে দিবে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০০ টাকা দেই তারপর আমার নাম জারি করে দেয় আমার লোকেশন মাল্টিপ্লান সেন্টার
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী হওয়াতে শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র বা এলপিসি নিতে ও নতুন কর্মস্থলে জমা দিতে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি-বিবিধ অফিসে বেতন পাশ করানোর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
নামজারীর জন্য ২০,০০০ টাকা চেয়েছে। কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে ১৬০০০ টাকা দিয়ে করি। আমার কাগজ পত্র সব কিছ।
আমি বদলীজনিত কারণে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ছাড়পত্র আনতে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
২০২২ সালে জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে দেইনি বলে দুই মাস ঘুরাইছে।পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে খারিজ করে এসেছিলাম। কারণ জমি বিক্রি করা ইমার্জেন্সি ছিল আমার জন্য। নিরুপায় বাপ দাদার কষ্টের টাকা কেন জমির টাকা তাদেরকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
১১০০ শত টাকার নামজারির আবেদন করতে আমার লেগেছে ৬০০০ টাকা।তারপরও কত তোষামোদ করতে হইছে
আমার বাবার ২ টা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা দিতে গিয়ে সরকারি চাকরি করা লোক সরাসরি চাইছে টাকা।৪ বছরের ফি কম দেখিয়ে দিবে আর ২৫০০০ টাকা ভাগাভাগি করে অফিসের সবাই নিবে। এছাড়া আমি নাকি কোন ভাবেই বকেয়া টাকা জমা দিতে পারবো না।
driving licences পরিক্ষায় পাশ করলেও, পরের ধাপে উর্ত্তিন্ন করে নাই। ৮০০০t aka দাবি করে। taka দেওয়ার পর আমাকে licence দেয় সরকারি ৮০০০+ ঘুস ৮০০০ = ১৬০০০/- লাগছে
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র NID কার্ডে আমাকে মৃত উল্লেখ করে দিয়ে দিয়েছিল যার কারণে আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে পারছিলাম না সিম তুলতে পারছিলাম না এক কথায় সরকারের সকল কাগজপত্রে আমাকে মৃত বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তারপর ঘুষ দিয়ে আমি আমার NID ঠিক করেছি
২০১৮ সালে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরেও অনুমোদন কার্যকর করতে মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমরা ৬ কলিগ থেকে এই অর্থ নেন।
Amader TTC theke bola hoyechilo taka na dile 99% probability je amra license pabo na. It was not stated to us directly but somehow we got the vibe that if we pay then and only then we will get the license. Tai amra license ar learner er takar sathe 3100 taka hush money hisabe di. Ager batch 2900 diyechilo amader batch theke ghush ta 3100. Pore amra zig zag test e fail kori ba pass kori matter na. Je taka dise se pass na dile fail. Erokom taka diye license kine pore rasta ghat e manus jon accident kore. Mayer kol khali hoy. Eder biruddhe kobe ke bebostha nibe god knows.
নির্বাচন অফিসে নাম সংশোধন ও ধর্ম সংশোধন করার জন্য। যেহেতু আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছিলাম এই কারণে। তাই নাম সংশোধন করার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল
বাবার পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট অফিস ২লাখ দাবি করেছিল। আমরা খুব ক্রাইসিসে ছিলাম। পরে ধার দেনা করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ম্যানেজ করতে পেরেছিলাম।
প্রথমে আমি আবেদন করি বিপিডিবি তে।আমি জানি আবেদন ফি ৪০০+ টাকা। কিন্তু আমাকে বলা হয় এটা কাজ করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। আমি প্রথম দিন টাকা না দিয়ে আবেদন করে আসি। কিন্তু বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আমার কাজ করতে ছিলোনা কিন্তু যারা টাকা দিচ্ছিলো তাদের কাজ সাথে সাথে হয়ে যাচ্ছিলো।আমার খুব প্রয়োজন ছিলো আমার বাসায় কারেন্ট লোড নিতে পারতেছিলোনা তাই আমি পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করি। গ্রাহক সেবার নামে এরা গ্রাহককে হয়রানি করতেছে।
ই-পাসপোর্ট ফর্মে প্রাইভেট সার্ভিস নির্বাচন করি আমার কাছে আমার চাকরির আইডি কার্ড আছে। পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমায় চাকরির প্রত্যায়ন পত্র আনতে বলে। আমি ফিরে আসতে চাইলে একজন কর্তব্যরত আনসার আমার সমস্যার কথা জানতে চায়। আমি তাকে সমস্যার কথা বলতেই তিনি দুই হাজার টাকা চায়। তারপর অফিসের বাহিরে বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বল্লে তারা জানায় টাকা দিলে সব পাশ হয়ে যাবে এগুলো কিছু না। পরে আমি ১৫০০ টাকায় আমার পাসপোর্টের কাজ শেষ করি।