মাতৃকালীন ভাতা
আমার wife প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন। সরকারি মাতৃকালীন ভাতায় নাম দেয়ার কথা বলে ৫০০০ হাজার টাকা নিয়েছিলো মেম্বার। কিন্তু আমার বাচ্চার বয়স ১১ মাস হয়ে গেছে সে নামও দেইনি আর চমার টাকাও ফেরত দেইনি। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার wife প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন। সরকারি মাতৃকালীন ভাতায় নাম দেয়ার কথা বলে ৫০০০ হাজার টাকা নিয়েছিলো মেম্বার। কিন্তু আমার বাচ্চার বয়স ১১ মাস হয়ে গেছে সে নামও দেইনি আর চমার টাকাও ফেরত দেইনি। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
ব্যাংকের হাউজ লোন পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট অংকের টাকা ছাড়া হাউজ লোন করে দেয়া সম্ভব না বলে জানায়।হাউস লোনটি আমার খুবই প্রয়োজন, এজন্য আমি শেষমেষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
সরকারি খরচ মাত্র 2000 বা তারও কম। অথচ দালাল চক্র 55000 টাকা নেয়। এটা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। অফিসের স্টাফের সাথে পরামর্শ নিতে আসলেও তারা ইনিয়ে বিনিয়ে দালালদেরকে দেখিয়ে দেয়। টাকা লেনদেন হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পাশেই দলিল লেখকদের অফিসে।
জমির নামজারি করার জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে।
আমার বয়স যখন ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তখনও আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) করা হয়নি। সে সময় আমার কাছে শুধু জন্মনিবন্ধন সনদ ছিল। পাসপোর্ট করার প্রয়োজন হওয়ায় আমি জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য চেষ্টা করি। কিন্তু তখন আমাকে জানানো হয় যে, ১৮ বছর বয়স হওয়ার পর NID না থাকায় শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে পাসপোর্ট করার প্রয়োজনীয়তার কারণে আমাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সঠিক নিয়ম ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমার পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় শেষ পর্যন্ত একজন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করাতে হয়। একই সময়ে আমার NID না থাকার বিষয়টিও সামনে আসে এবং NID করার প্রয়োজন হয়। পরবর্তীতে আমি NID করার জন্য নির্বাচন অফিসে গেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর এতদিন কেন NID করতে আসিনি।
নামজারি করতে অফিস খরচ, তদন্ত প্রতিবেদন পাঠাতে অফিস খরচ লাগবে বল্লো। না হলে আপনার বিপক্ষে যাবে রিপোর্ট।
রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে জামিন কৃত কয়েদীদের বের করতে তারা এই টাকা দাবি করে এবং ভয় ভূতি দেখায় যা ঘটেছে ১০/০৮/২০২৬ ইং তারিখে
Garir number plate vije jay . Number bujate pare nai. Pore tar shamne lamenting Kore number Niya ashi .then se bole number mamla dibo ame bollam sir apnar shamne to Niya Aslam thik Kore. Pore bole mamla dimu naki 500 taka dibi. Pore taka diya aslam
সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলের চার মাসের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছিল। প্রশিক্ষণ অবস্থায় সেখানকার যারা প্রশিক্ষক ছিল তারা জানালো আপনারা যদি পাশের রিক্স নিতে চান না চান তাহলে ২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এ বিষয়ে সবশেষে সম্মত হয়েছিলাম এবং সবাই 2000 করে টাকা দিয়েছি। শুনেছি এটা কার ভাগ বিআরটিএ পরিদর্শক সরকারি পরিচালক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যিনি বিআরটি এর দায়িত্বে থাকেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সবাই পেয়ে থাকেন।
প্রতি খারিজ ৩ হাজার টাকা দিতে হয় উপজেলা বা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
শুধু সইয়ের বিনিময়ে টাকা নিছে টাকা কেন নিবো তারা তো সেবা দেওয়ার জন্যই সরকার থেকে বেতন নেই
কাপাসিয়া ভুমি অফিস নামজারি কোরতে 10000 টাকা দাবী কোরে নিজ নিজ কোরলে আবেদন খারিজ কোরে দেইতে বাড্ডো হইসি
We were asked pay pay at first 70k as it was commission based registration, where the registry officers would come to one's house and do the registration there.It was Ramadan and they were not coming on time so when we called, they said if we pay 20k more up front they will show up, when we had already paid 70k for the whole process.There were many elderly people who were the owners and wouldn't be able to go the registry office physically,one was on wheelchair, hence this application for commission was applied for. So we paid 20k more as they were black mailing us for it.Then same day for the application for copy of registered deed they asked for 10k when back in 2019 it was 3k-5k.
অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে আসা, ও রিপোর্ট প্রধান করা বাবদ
আম্মুর পাসপোর্টের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দিছি। ঘুষ না দিলে বলে সার্ভারে সমস্যা। আর দিলে সার্ভার ঠিক হয়ে যায়। উপর মহল থেকে আনসার সদস্য সবাই জড়িত।
২০২৩ সালে আমার এমপিও আবেদন করা হয়। আবেদন ডিজিতে পাঠানোর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
Taka chara kaj kore na
আমি আমার জমির খাজনা দিতে গেলে আমাকে বলে ২০ সতাংস জমির খাজনা করা লাগবে আমার জমি মাত্র ১০ সতাংস সেখানে বলে যদি খারিজ করতে চাউ ১০ সতাংসের তাহলে ৩০০০০ টাকা দিতে হবে আমি আএর কি করব টাকা দিয়া করচি
আমার মামার ৩.৫ শতাংশ জমি থেকে অর্ধেক কিনে দলিল করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কর্মকর্তার দাবি জমি নাকি প্লট করে বিক্রি হচ্ছে। তাই হয় ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নয়তো ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।
নতুন পাসপোর্টের জন্যে দিতে হয়েছে আমার সবকিছু ছিল