দলিল রেজিষ্ট্রেশন ও দলিলের নকল উঠানো
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে ও দলিলের নকল উঠাতে সরকারি ফি চাইতে অতিরিক্ত ফি দাবি করা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে ও দলিলের নকল উঠাতে সরকারি ফি চাইতে অতিরিক্ত ফি দাবি করা।
Police officers ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চায় ৫০০০ তা দেওয়ার পর ৫/৬ মাস সময় চলে যায় পরে আবার যোগাযোগ করলে টাকা চায় কিন্তু বিশেষ জরুরী হওয়ার জন্য আরও ৫০০০ টাকা দিলে কয়েক দিনের মধ্যে পেয়ে যাই
জমি নামজারি করতে ১০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। না দিলে অনেক হয়রানি হতে হবে তাই সহজে পেতে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
পরীক্ষার্থীদের মালামাল সংগ্রহ করতে গেলে ২ জায়গায় টাকা দিতে হয় এবং বোর্ড পরীক্ষা শেষে মালামাল ফেরত দেওয়ার সময় ২ জায়গায় টাকা দিতে হয়। সবার চোখের সামনে ঘটছে কিন্তু তারপরেও সবাই নিরব কারণ আপনি ঝামেল করলে তারা আপনার সাথেও ঝামেলা করবে।
Amar kache namjary korar jonno 3000 tk. demand kore.
জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাপ অনুমোদনের জন্য সরাসরি ফি ছিলো ২৪০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে নিয়েছে ৩৪০০ পরিমাপ ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য নাকি লাগে ১০০০ টাকা আমাকে ভাউচার দিয়েছে ২৪০০ টাকার বাকি ১০০০ টাকার ভাউচার দেইনি
সাব রেজিস্ট্রার অফিস, পটুয়াখালী। অফিস খরচ বাবদ ৩০০০/-
রংপুর জেলার উপজেলা আনসার অফিস থেকে যোগাযোগ করে বলা হয়েছিলো হাসপাতালের ফ্যামিলি প্লানিং গুদামে গুদামরক্ষী হিসেবে ডিউটি হবে ১ বছর টাকা পাবা ২ লাখের উপরে এখন তোমাকে ওখানে পরীক্ষায় কারসাজি করে পাশ করাবো টাকা দিতে হবে ৫০০০০ হাজার শেষে ৩০০০০ টাকায় ডিউটি দেয় কিন্তু এখানে ডিউটি হয়েছে মাত্র ৬ মাস। আমি নিজে প্রতারিত
প্রবাসীরা বিদেশে যাওয়ার আগে যে প্রশিক্ষণ নেয় বিভিন্ন টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে তেমন আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ও চিনাইরয়ে অবস্থিত একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার আছে এখানে প্রবাসীরা ট্রেনিং নিয়ে থাকেন বিদেশে যাওয়ার আগে সেই ট্রেনিং এর ভর্তি ফি হচ্ছে সরকারিভাবে ৩০০ টাকা কিন্তু এখানে ঘুষ বাবদ আরো অতিরিক্ত ৬০০ টাকা যোগ করে ৯০০ টাকা করে নেওয়া হয়
আমরা এক শ ১৪৮ জন বন্ধুরা ৩১ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সরকারি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে, বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে
পাসপোর্ট ফরমে মায়ের নাম বেগম ভুল ধরে ১৫০০ টাকা নিয়ে কাজ করে দিছে।
ওয়ারিশ সনদ, আমার কাছে চা-নাস্তার খরচ বাবদ দাবি করছে এবং ফরমে স্বাক্ষর করছেনা বিধায় আমি দিতে বাধ্য হই।
আমার শশুড় অবসর প্রাপ্ত হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গণিত। উনার পেনশনের টাকা তুলতে গেলে ব্যানবেইজে হাটতেছিলাম ৩-৪ বছর ধরে, উনার চিকিৎসার জন্য টাকা ভীষণ প্রয়োজন ছিল। অনেক বার্গেইনিং করে শেষমেষ ৩০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
টাকা খরচের জন্য দিতে হবে।
টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করবে নাহ বহুবার বহুদিন ঘুরায়
জমি কিনতে যাওয়ায় জমির লেখক জমির খরচ বাবদ এক্সট্রা ৪০ হাজার টাকা নিছে। এভাবে বেশ কয়েকবার নিছে,মিউটেশন ও রেজিস্ট্রি বাবদ এছাড়াও টাকা নিছে।
আমার wife প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন। সরকারি মাতৃকালীন ভাতায় নাম দেয়ার কথা বলে ৫০০০ হাজার টাকা নিয়েছিলো মেম্বার। কিন্তু আমার বাচ্চার বয়স ১১ মাস হয়ে গেছে সে নামও দেইনি আর চমার টাকাও ফেরত দেইনি। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
শিল্প অধিদপ্তরের অধীনে বাংলাদেশ প্রধান বয়লার পরিচালকের কার্যালয়। এই কার্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশে বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের অত্যন্ত সাহায্যকারী বয়লার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের বৃহত্তম শিল্প পোশাক প্রস্তুতকারকের (বয়লার ব্যবহারকারী) থেকে প্রতিটি কাগজপত্রের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে থাকে। যেমন বয়লার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হতে প্রত্যেক ভিজিটের জন্য সর্বনিম্ন5000 টাকা পরিমাণটি অল্প মনে হলেও একটি বয়লারের পাঁচ থেকে ছয় বার ইনস্পেকশন হয় তাহলে একটি বয়লার জন্য প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা তারা ঘুষ ধার্য করে। এছাড়াও বাংলাদেশের শতভাগ রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠানগুলো কেউ তারা ছাড়ে না। ছোট বড় বয়লারের রেজিস্ট্রেশন এবং নবায়ন বাবদ তারা বিশ হাজার থেকে ৫০-৬০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে।
ব্যাংকের হাউজ লোন পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট অংকের টাকা ছাড়া হাউজ লোন করে দেয়া সম্ভব না বলে জানায়।হাউস লোনটি আমার খুবই প্রয়োজন, এজন্য আমি শেষমেষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
সরকারি খরচ মাত্র 2000 বা তারও কম। অথচ দালাল চক্র 55000 টাকা নেয়। এটা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। অফিসের স্টাফের সাথে পরামর্শ নিতে আসলেও তারা ইনিয়ে বিনিয়ে দালালদেরকে দেখিয়ে দেয়। টাকা লেনদেন হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পাশেই দলিল লেখকদের অফিসে।