নামজারি করার জন্য
আমি জায়গায় কিনেছেন। নতুন জায়গায় নামজারি করতে ১০০০০ লাগবে। যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি জায়গায় কিনেছেন। নতুন জায়গায় নামজারি করতে ১০০০০ লাগবে। যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র।
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রোগীকে এ্যামবুলেন্স এর মধ্যে প্রায় ১ ঘন্টা রেখেও কোন ট্রলি পাইনাই, পরবতীতে একজনকে ৫০০ টাকা দিয়ে একটা ট্রলি ম্যানেজ করি প্রায় ২ ঘন্টা পরে।
দলিল করার পর নামজারির জন্য মূল দলিল বা অবিকল নকল দলিলের প্রয়োজন হয় । যেহেতু মূল দলিল আসতে প্রায় ২ বছর লাগে তাই অবকল নকল দলিল তোলার জন্য ১২০০ টাকা জায়গায় ১৭০০ টাকা দাবি করে ও তা আদায় করেন
আমি অফিসে গিয়ছিলাম ২০২৩ সালে। উনি আমাকে আমার কাজটি করতে দিবেন না ইত্যাদি। যেহেতু আমি বাড়িতে থাকি না তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়েছে
এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সরকারি ফি ২৫ টাকার পরিবর্তে 1০০ টাকা নেয়। আর যদি কোন কিছু সংশোধন করতে হয় তাহলে এক্সট্রা চার্জ নেই অনেক টাকা চাই। জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেলে সচিবের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, এবং উপজেলা থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে আসার জন্য নেয় ১০০ টাকা। এভাবে জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে ডিজিটাল করা পর্যন্ত ৫০০ টাকা ব্যয় হয়, একটি জন্ম নিবন্ধন করতে হলে। তারা টাকা ছাড়া কিছু করতে চাই না।
আমার সব পেপারস ঠিক থাকার পরেও পাসপোর্ট অফিসের অফিসার বিভিন্ন অজুহাতে জমা নিচ্ছিলো না, অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে বলে ২ তলার (১**) কক্ষ নাম্বারে যান যেয়ে কথা বলেন, ঐ কক্ষের সামনে যাওয়ার পরে এক আনসার সাহেব ৩০০০/- টাকা দাবি করলো, একপ্রকার বাধ্য হয়ে দামাদামি করে ২৫০০/- টাকা দেওয়ার পরে, সেম পেপারস দিয়ে পাসপোর্ট করে দিলো।
বিনিময় সম্পত্তি আমাদের দখলে আছে। আমরা ভোগ করি কিনা তা সরকার দেখবে সেই রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা দশ হাজার টাকা দাবি করে আমরা তা পরিশোধ করলেও আজ ও রিপোর্ট দেয়নি।। কাল দিব বলে কিন্তু সেই কাল আর হয়না।
Ami tk.sara krbo bole sob documents niye gecilam.. Tbuo file joma nei nai. Pore AD r kase gclm onio ferot dise..pore baddo hoia dalal r maddome tk diye korsi..kuno documents nei nai sudu ID carad dkyei joma.nise
যশোর পলিটেকনিক সিভিল এর ভর্তি বাতিল করে মার্কসিট উত্তোলন করতে গেলে বিভাগীয় প্রধান জানায়,আমাকে অফিস থেকে দায় দেনার অনাপত্তিপত্র নিতে হবে। আর অফিস জানায়,পাওনা আছে কিনা জানিনা, অফিস দিতে পারবে না।বিভাগে যাও।বিভাগ ও দেয় না।২ ঘন্টা অসহায ভাবে ঘোরার পর অফিস সহকারি ১০০০ টাকা দাবি করে।যা পরিশোধ করে,ট্রান্সক্রিপ্ট তুলি।
আমাদের এলাকায় একজন মামলা বাজ লোক আছে উনাকে সবাই মামলা বাজ নামে চিনে ,উনি আমার ,আমার পরিবার এবং আমাদের আত্মীয়-স্বজন সবার নামে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয় মিথ্যা মামলা করেছে ওই মামলার পুলিশ স্পটে এসে কল দেয় আমাদের বিষয়টা তদন্ত না করে আমাদের কাছ থেকে টাকা দাবি করে তো কিছু টাকা দিয়ে বিদায় দেওয়া হয় আরো কত টাকা দিতে হয় কে জানে!!!
রংপুর, মিঠাপুকুরের রেজিস্ট্রি অফিসে একজন দলিল লেখক ২৯৫০০০/- (দুই লাখ পচানব্বই হাজার) টাকার জমি রেজিস্ট্রি করতে আমার থেকে ৩৫০০০/ পয়ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছেন ।
মিটার এবং এর ভেতরের ব্যাটারি ডিপিডিসি (DPDC)-এর নিজস্ব সম্পত্তি। তাই ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে তা বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তবে গত ২৯ আগস্ট আমার বাসার মিটারের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে যোগাযোগ করা হলে তারা ৫০০ টাকা দাবি করে। দিতে রাজি হলে তারপর একজন টেকনিশিয়ান এসে মিটারের ব্যাটারি সংযোজন করে দেয়।
২০২০ সাল থেকে আমি পাসপোর্ট অফিসের সাথে কাজ করছি। সেখানে প্রতিটি পাইল জমা দিতে হলে অফিসের লোক দের কে 1500 টাকা করে জাম দিতে হয় বিকাশের মাধ্যমে। ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় 50000/- পঞ্চাশ হাজার ফাইল জমা দিয়েছে। তাহলে হিসাব করে দেখেন 50000*1500 টাকা 75000000/- সাত কুটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা অফিসের লোকদের জামা দিয়েছি। হিসেব করে কত টাকা ঘুস দিয়েছে।
এসপি অফিস সিলেট হিসাব শাখায় নিজের সঞ্চয় করা টাকা তুলার জন্য আবেদন দিতে গেলাম। আবেদন দেওয়ার পর ওইখানে কর্মরত একজন বল্লো খরচাপাতি! চক্ষু লজ্জায় বলছি আচ্ছা, অবশ্য হাতে না দিয়ে অন্য কোন মাধ্যমে দিয়ে দিছি।এর পর দিন কল দিলো কনফার্ম করতে টাকা দিলাম কি-না! কারন প্রায় সবার কাছ থেকেই তো টাকা দাবি করে,কে দিলো কে দিল না এটারও তো একটা অংক মিলানোর বিষয় আছে না!
ডেসকো ইব্রাহিমপুর বি ও বি বিভাগের ফিল্ড ভিজিটর, আমার বাসা ভিজিট শেষ করে অন্য মাধ্যমে আমার কাছে ঘুষ দাবি করে, আমার সব কিছু সচ্ছ থাকার পরেও সে আমার ফাইল বার বার ফেরৎ দিয়ে টাকা দাবি করে। তার বিরুদ্ধে অতিসত্তর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। আমার মতো অনেকে এমন অনেক ভুক্তভুগি আছে যাদের আমি চিনি।
আমার বাবা একজন বাংলাদেশ রেলওয়ের তৃতীয় কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালে অবসরে গেলে পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ততকালীন লালমনিরহাট ডিভিশনের এক কর্মকর্তা (নামটা আমার বর্তমানে মনে নেই) পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য 42000/- টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা না দিলে পেনশনের টাকা পেতে বিলম্ব হবে। বাধ্য হয়ে আমার বাবা টাকা দিতে রাজি হয় এবং টাকা দিয়ে দেয়। আমার বাবা ছিলেন লালমনিরহাট ডিভিশনের অধীন। অর্থাৎ বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল এ।
একটি খ তফসিল ভুক্ত জমি খারিজ করতে টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই দিচ্ছিল না।
জমির রেজিস্ট্রি করার জন্য যাই, প্রথমে সরকারি কোষাগারে প্রি অর্ডারে ক্রয় সূত্রে ৮,০০,০০০ টাকা জমা দেই । যখন সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এর কাছে যাই জমি রেজিস্ট্রির জন্য তখন আমার কাছ থেকে আরও কোনো রশিদ ছাড়া মানে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে না দিলে নাকি রেজিস্ট্রি হবে না, ব্যাংক এ সরকারি টাকা দিয়ে ফেলেছি এই কারণে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
আমি একটি নামজারি করতে গিয়েছিলাম তখন সেখান থেকে বলল নামজারি করতে ৮০০০ টাকা লাগবে। এরমধ্যে ৪০০০ টাকা সহকারী কমিশনারের ফি, ৩০০০ টাকা নায়েবের ফি, বাকি ১ হাজার অন্যান্য ফি।
আমার কাকাতো ভাই এর জন্য, কাকা কাকিমা এবং ভাই ৩জনের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গেলে তিনি জানান কাজটি করতে হলে ফি ছাড়াও ৬০০/- অতিরিক্ত দিতে হবে, যা নাকি উপজেলায় জিনি কর্মকর্তা আছেন তাকে না দিলে কাজটি কতদিনে হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। যেহেতু আমার ভাই এর স্কুলের কাজের জন্য জরুরী ছিলো তাই বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ৬০০/- পরিশোধ করে কাজটি করাতে বাধ্য হই।