New passport issues
সব ডকুমেন্টস থাকার পরও দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয়,অন্যথায় আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে হয় আমাকে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সব ডকুমেন্টস থাকার পরও দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয়,অন্যথায় আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে হয় আমাকে।
আমার বাড়ীর জমির নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই কাগজপত্র দেখে আবেদন করে তার পর ভুমি কর্মকর্তা ৬০০০ হাজার দাবি করে যার সরকারি মুল্য ১১৭০ টাকা আমি ৬ হাজার টাকাই দেই এবং আমার নামজারি হয় বি:দ্র: এর আগে আমি নিজে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেই কিন্তু নামজারি হয় নাই। ঘুষ ছাড়া এসিল্যান্ড অফিস এর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল এ যায় না।
টাকা না দিলে পাস হয় না |
সবার বাসায় বাসায় গিয়ে ভূমি জরিপ রের্কড এর স্লীপ দিয়ে গেছে তারিখ অনুযায়ী সে জায়গায় উপস্থিত থাকার জন্য এবং কাগজপএ দেখে সরকারি BDS এর কপিটা পেতে টাকা দাবি করে সহযোগীরা সরাসরি স্যারেরা নেয় না তারা সহযোগী ঠিক করে রাখছে তারা বলে দেয় কত দিতে হবে? একেক জনের কাছ থেকে একেক অঙ্ক দাবি করছে কারও কাছে ৭,১০,১৫,২০,৫০ (হাজার) কারও কাছে ১ লাক্ষ সব মিলিয়ে কোটি কোটি টাকা উঠানো হচ্ছে এই জরিপের মাধ্যমে। আমরা তো বাধ্য হয়ে দিয়ে কাগজ আনতে হয়? এই জুলুমের শেষ কোথায়? জমি কেনা থেকে শুরু করে সকল ধরনের কাগজপত্রে টাকা আর টাকা দিতে হয়।অথচ যে সেবা পাওয়ার কথা ছিলো সল্প ব্যয়ে। এখন কি পাচ্ছি কবে পরিবর্তন হবে দেশ কবে এসব হয়রানি বন্ধ হবে? কবে আমরা শান্তি পাবো?আল্লাহ এসব জুলুমের বিচার করো ঘুষখর ও দুর্নীতিবাজদের। এলাকাবাসীর পক্ষে
নতুন খতিয়ান সংগ্রহের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি প্রতি খতিয়ানে ১০০ টাকা। আমার মোট ৪টি খতিয়ান ছিল, তাই সরকারি ফি অনুযায়ী মোট ৪০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসের কর্মচারীরা প্রতি খতিয়ানের জন্য ৩০০ টাকা করে মোট ১,২০০ টাকা আদায় করেন, অর্থাৎ আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, সরকারের আরও বিভিন্ন খরচ রয়েছে। আমি বলি, অতিরিক্ত কোনো সরকারি খরচ থাকলে সেটি সরকারি ফি-এর সঙ্গে যুক্ত করে নোটিশে উল্লেখ করা উচিত। এ কথা বলার পর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, অতিরিক্ত টাকা না দিলে খতিয়ান দেওয়া হবে না। বাধ্য হয়ে আমাকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান সংগ্রহ করতে হয়েছে।
Police verifier said that form has some wrong info, he will correct it by taking some money. Then he negitiates with 600.
Hudai nilo 100 tk,,jei khane 2 taka o lage na,,,
পাসপোর্টের জন্য নাগরিক সনদ আবেদন করার পর প্রিন্ট করার জন্য কিছু খরচ চাওয়া হয় , আমি জানতে চাই উনাদের কি প্রিন্টার দেয় নাই সরকারের পক্ষ থেকে , অতঃপর তর্ক বিতর্কের পর উনাকে বারতি টাকা দেয়া হয়
নাম খারিজ করার জন্য সব কাগজ ঠিক থাকার পরও তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। কানুনগো এর সহকারী গ্রহণ করেছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট প্রতি ১২০০ করে টাকা নেয়, লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসে, নয়তো পাসপোর্ট হয় না, কাগজে ভুল দেখায়, বাতিল করে, আমি ২ টা পাসপোর্ট করতে গেছিলাম ২৪০০ টাকা নিয়েছে, লালমনিরহাটর পাসপোর্ট অফিসে দালান ও অফিসারেরা এ টাকা নেয়,
২৫০০টাকা দিলে কিছু সবকিছু সমাধান করে দিবে।
নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেই, এবং অফিসের দারিবর প্রেক্ষিতে টাকা প্রদান করি। কিন্তু আবেদন না মঞ্জুর হয়।
নতুন লাইসেন্স করা। সরকারি ফি ৭৪৪০ টাকা। আবেদন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৮০০০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেওয়া লাগছে
আমি একজন কম্পিউটার দোকানদার, সব পেপার ঠিক থাকলেও টাকা ছড়া কাজ করে না.
Without money dub register didn’t agree to accept the file.
বীজ ডিলার নবায়নের জন্য ২০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
19 লাখ টাকা পেনশনের জন্য 19হাজার টাকা দাবি
Every masei tader dite hoy file process korte naile hudai iccha kore amn qus kore jar kono ans thake na.
বয়লারের বাৎসরিক নিবন্ধন এর জন্য এই টাকা দেয়া হয়েছে। আমাদের ফ্যাক্টরি টি কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সাথে সাথে বাৎসরিক নিবন্ধন অনলাইনে আপডেট করা হত তাহলে কোম্পানি এই টাকা দিতে বাধ্য হতনা। বয়লার অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে মেনে চলা হয়। আমার ১৮ বছর চাকরি জীবনে এই প্রথম ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আল্লাহ বয়লার অফিসের লোকদেরকে হেফাজত করুক। আমিন
আমার ভোটার হবার জন্য যখন আবেদন করতে যাই তখন চোখে পরে আমার সার্টিফিকেট এ বাবার নামের বানান ভুল এসেছে। এই বানান সংশোধন করতে আমি আমার স্কুলে যাই। সেখানে দায়িত্বরত শিক্ষক আমাকে প্রায় ২ মাস ঘুরিয়েছেন তারপর আমার থেকে ১৮০০ টাকা দাবি করেন যেখানে আবেদন এর সরকারি খরচ মাএ ৫০০ টাকা। ৫ মিনিটের কাজের জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেন শেষ পর্যন্ত ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।