প্রভিডেন্ট ফান্ড
2010 সালে বাবা মারা যাবার পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব শাখার হয়রানির স্বীকার হয়।তবে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
2010 সালে বাবা মারা যাবার পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব শাখার হয়রানির স্বীকার হয়।তবে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি।
বিষয়: পুলিশ কর্তৃক টাকা দাবি ও চাবি আটকে রাখার বিষয়ে অভিযোগ মাননীয় কর্তৃপক্ষ, আমি অভিযোগ করছি যে, কাশিমপুর থানার পুলিশের সদস্যরা আমার বাড়ির সামনে এসে তল্লাশি করেন। তল্লাশির সময় তারা আমার কাছে হেলমেটের বিষয়ে জানতে চান। এরপর তারা আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে আমি ১,০০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আমার চাবি ফেরত দেন। টাকা দেওয়ার আগে আমার চাবি তাদের কাছে ছিল/আটকে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি আন্ধার মানিক, কাশিমপুর এলাকায় ঘটে। আমি বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। ঘটনার স্থান: আন্ধার মানিক, কাশিমপুর থানা: কাশিমপুর থানা দাবি করা টাকা: ২,০০০ টাকা প্রদান করা টাকা: ১,০০০ টাকা অভিযোগ: টাকা দাবি এবং টাকা দেওয়া
কুড়িগ্রাম জেলার ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি কাগজপত্র জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। চিলমারী উপজেলার কাগজ ২৫ জানুয়ারি জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে যাওয়ায় কাগজ জমা দিতে পারিনি। বিষয়টি আগে থেকেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ই-মেইলে জানালে তিনি জানান, কোনো সমস্যা হবে না, পরে এসে জমা দিতে পারবেন। ২৬ জানুয়ারি কাগজ জমা দিতে গেলে দুইজন অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কাগজ জমা নেবেন না বলে জানান। জেলা শিক্ষা অফিসারের ই-মেইল দেখানোর পরও তারা আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নেন।
আমার ১৫০০ টাকা দেয়ার পড়ে পাসপোর্ট হয়েছিল আর চাকরির জন্য আনসার অভিসে ৫০০০০ হাজার নিয়েছিল । আমার এলাকায় একটা গাছ কাটার জন্য ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ করার জন্য ঘন্টায় ৫০০ দেয়া লাগছে ২ ঘন্টায় ১০০০ । বরিশাল প্রায় সব হাসপাতালে রোগির সিরিয়ালের জন্য আপনি যদি টাকা দেন আপনার সিরিয়াল আগে দিবে। বাংলাদেশের সব যায়গা দুর্নীতি এখন শুধু একটাই সপ্ন দেশ ছাড়া ।
জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর এর জন্য পিওন, কেরানিরা এই অর্থ দাবি করে
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন এর জন্য আবেদন করেছি অনলাইনে ৯ মাসেও কেনো কাজ হচ্ছিলো না বিধায় যোগাযোগ করি তখন দালাল মারফত ঘোষের টাকা চাওয়া হলো
প্রাইভেট সার্ভিসের প্রতায়ন দেয়া ছিল তারপর বলছে হবে না পরে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে এখন আমার প্রয়োজন বাধ্য হয়ে দিয়ছি
sob kichu thik thakar poreo bollo amr return er file naki atkaia dibe , jodi tader ke tk dewa hoy tahole amr file atkabe na evabe voy dekhaya tk nise
Without money didn’t agree to give lisence.
সব ডকুমেন্টস থাকার পরও দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয়,অন্যথায় আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে হয় আমাকে।
আমার নতুন মিটার নামানোর জন্য বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার নাম জারি করতে বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য চার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার সময় নানান ধরনের কাহিনী লাস্টে বাধ্য হয়ে-ই দিয়ে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করাই এবং যখন লাইসেন্স ডেলিভারী করতে আচ্ছে তখন আবর রিক্সা ভাড়া দাবি করছে, ওইটা আমি এমনিও দিতাম কিন্তু আমি খুশি হয়ে দেই নাই, ওই যা চাইছে ওইটা-ই দিছি ।
আমি আমার নিজ জমি নাম খারিজ করতে অনলাইন আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নথি জমা দেওয়ার ২দিন পর বাতিল করা হয়। তারপর আমি চুয়াডাঙ্গা জেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে যায়। ভূমি কর্মকর্তা অফিসের পিওনের কাছে পাঠায়, পিওন দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র দেখে 25000 টাকা ঘুষ দাবি করে। উল্লেখ করে বলে টাকা না দিলে নাম খারিজ হবে না, আবেদন করলে আবার নামঞ্জুর হবে। উপায় না পেয়ে তাকে 3000 হাজার কম দিয়ে 22000 টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সদর সহকারি কমিশনার (ভুমি) এর কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করলেও, তারা এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। খোজ নিয়ে জানতে পারি এসিল্যান্ডের সহকারী (নাজির) এবং এসিল্যান্ড তারা এই ঘুষের ভাগ পেয়ে থাকে। সবকিছু ম্যানেজ করেন এসিল্যান্ডের অফিস সহকারী (নাজির)।
প্রতিবার বিল তুলতে ৫%দিতে হয়
server problem,Sir nai ,sign lagbe ,ai sai ajuhat bas 500 TK dilam all are ready, somman pelam mane ghus deye kinlam,mone hoy ghus tader nagorik adhikar
I took my cousin to Rangpur Medical College Hospital in a very critical condition. Unfortunately, there were no stretchers available without payment. Some brokers were also waiting for money to provide assistance. There was no medicine supply available in the Neuromedicine Department either. As my cousin was in a very severe condition, I had to pay some money to a ward boy, after which he arranged a stretcher and other necessary assistance. It was very disappointing to see such practices in a government hospital. The intern doctors were aware of these issues, and I also observed that some nurses appeared to receive commissions.
যদি টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে আমার জায়গায় থেকে জমি কেটে নিয়ে, বিডিএস এ কম উঠানো হবে।