পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাবদ
৪টি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করাতে গেলে কর্মরত পুলিশ প্রতিটি ১০০০ ধরে দাবী করে এবং ঘুস দিতে বাধ্য করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৪টি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করাতে গেলে কর্মরত পুলিশ প্রতিটি ১০০০ ধরে দাবী করে এবং ঘুস দিতে বাধ্য করে।
ইস্টার্ন প্লাজা,হাতিরপুল একটি দোকান খারিজ করতে গেলে ভূমি সহকারি বলেন, রেকর্ড ফেল।খারিজ হবে না। তারপর যোগাযোগ করলে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন ।আমি পরিশোধ করার পর কাজটা করে দেন।
আমার বাবা সরকারি চাকুরী করতেন কয়দিন পর অবসরে যাবেন তার জাতীয় পরিচয় পত্রে মায়ের নাম পাশের পাড়ার আর একজন হিন্দু ধর্মের মায়ের নাম দিয়ে রাখছে, সেটা পরিবর্তন করতে সাভার নির্বাচন কমিশনে বাবা কয়দিন ঘুরলো, তাকে পরের দিন দেখা করতে বললো, সাথে আমি গেলাম সকাল সকাল, ১০ টায় অফিস আমারা ৯ টার দিকে গেলাম, সকল কাগজ পত্র নিয়ে সেখানে বড় কর্মকর্তার নামটা ঠিক মনে নেই তাদের বোর্ডে লেখা আছে।আছরের পর আসেন, আমরা বললাম ঠিক থাকলে করে দেন, কিন্তু সে রেগে গিয়ে বললো যা বলছি তাই করুন, লোকটা মুখে দাঁড়ি মাথায় টুপি পরহেজগার বান্দা, আমরা ৬/৭ ঘন্টা অপেক্ষা করে আছরের সময় গেলাম সে বলল অপেক্ষা করেন নামাজটা পড়ে নেই, এর মধ্যে পাশের ভুমি অফিসের অফিসার আসলো তারা দুজন বললো মুরগী ভাজা খাওয়াতে ৫০০ টাকা দিয়ে বের হলাম কিন্তু কাজ হয় নাই।
তারা বলেছিল এটাই নাকি সিস্টেম টাকা না দিলে কাজ হবে না
Indian visa slot nite normally 1500 tk lage kintu system theke dalal der sujog kore dewar jonno 6000 tk kore nicche. Manush nirupay hoye tai nicche.
আমাকে জমি ঠিক আছে দলিল ও ঠিক আছে কিন্তু তারা টাকা ছাড়া কোন সেবা দেয় না আমাকে মাঠ পচা দিবে টাকা ছাড়া দেয় না ২০ হাজার টাকা ছায় আমি কথায় অভিযোগ করবো কি ভাবে কি করবো বুজতাছি না আবার এলাকায় কিছু প্রভাবশালী দালাল রা হাত আছে সাথে বড় বড় রাঘব বোলো হাতে আছে তাদের সাথে টাকা ছাড়া কোন কথায় হয় না
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মহিলাদের জরায়ু সমস্যা, ফ্রি ভায়া টেস্ট (via) করার কথা কিন্ত টিকিট করে টেস্ট সম্পন্ন করার পরে যে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ঐখানে দায়িত্ব পালন করেন তিনি সবার কাছ থেকেই রিপোর্ট দেওয়ার সময় ২০ টাকা করে চেয়ে নেন। এটা কেন নেন , তিনি কি বেতন পান না ?
ভূমি প্রদানের অনুমতি দেননি ৭০০০০০/- টাকা দেওয়ার পর অনুমতি দিয়ে ১১৪০০০/- টাকার ভূমি কর পরিশোধ করা হয়।
দলিল করার সময় আমার পাওয়ার নাম্বার ভুল দেওয়াতে আমি মিউটেশন করতে গেলে করতে গেলে ভুল উপলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরায় ভুল সংশোধন করার জন্য ঘোষণাপত্র করতে চাইলে আমার থেকে এই টাকা দাবি করেন
আমার পারিবারিক সনদের প্রয়োজন ছিল, আমি সমস্ত ডকুমেন্ট সাবমিট করি তাদের কথা অনুসারে। কিন্তু তারা আমাকে অনলাইন সার্ভিস চার্জ নামে ২০০ টাকা দিতে বললো তানাহলে সনদ দিয়া যাবেনা। বাধ্য হয়ে আমাকে সেই টাকা পরিশুদ করতে হলো। সুদ যে আমি তা না প্রতিটা নাগরিক এর কাজ থেকে তারা আমার সামনে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। এই অফিসের প্রতিটা লোক যারা কম্পিউটার নিয়ে কাজ করে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে গেলে অনলাইন চার্জ নামক মুলা জুলিয়ে দেয়। আপনি টাকা না দিলে আপনি শুদু অহবেদন এই করতে পারবেন মাসের পর মাস আপনাকে গুরাবে কাজ আর হবেনা।
প্রাইমারি ছুটি না দিয়ে, চুটি পাওনা নেই বলে পরবর্তী সমস্যা হবে বলে ছুটি মঞ্জুর না করে,বেতনের একটা অংশ টিও এটিও মিলে নিচ্ছে,শ্রান্তি বিনোদনের টাকা হতে ৪০০ টাকা করে নেয় হ্যান্ড ক্যাশ, বদলির সময় টাকা নিচ্ছে এটিও, উপরের উল্লেখ্য টাকাটা নিচ্ছে বদলির সময়,
জম্ননিবন্ধন সার্টিফিকেট বা যে কোন কাজের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সরকারি নিধারিত মূল্য হথে অতিরিক্ত ৪০০/৫০০ টাকা দাবি করে
হাসপাতালে রুগী কে জন্য অপারেশনের জন্য PLID জন্য টাকা সারা অপারেশন করে নাই
১ টা বছর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে সময় নষ্ট করে শেষে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা পরিশোধ করলে ১ দিনের মধ্যে কাজ শেষ।
Amader office er Fire licence renew korar jonno fire service ke 50000 taka dite hoiche tachara oi file appruve kore na oder required 100% ok Doc submit korar por ora visit a ase na call dile pik kore na er por jokhon oder office a amra gasi tkn ei taka under table dabi korche . ta na hole avabei jhulai rakhe file then baddho hoyei dite hoyeche amader
আমি একটি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই, কিন্তু দায়িত্বরত কর্মচারী আমার ফাইল কোন ভাবেই জমা নিচ্ছে না, বিভিন্ন ভূল ধরে ফিরিদিছিল, সেই একই ফাইল দালালের মাধ্যমে দেওয়ায় আর কোন ভূল ধরে নি
নিজের জমি দখল করে আছে। সেই জমি উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে থেকে টাকা নেয়। এমনকি অন্যদের কাছে থেকেও টাকা নেয়
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে ৩ টা পাসপোর্ট করতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো ।
ট্রান্সফরমার আসতে দেরি হবে। দ্রুত চাইলে ম্যানেজ করে দেয়া লাগবে। তাই........
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ভালো করার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়। টাকা না দিলে বারবার ফেল করানো এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।