ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ভালো করার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়। টাকা না দিলে বারবার ফেল করানো এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ভালো করার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়। টাকা না দিলে বারবার ফেল করানো এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গেলে বিভিন্ন ভাবে ঝামেলা করে পরে আর কি করব অই টাকা দিলে কোন ঝামেলা হবে না পরে দালালদের মারফাত করলাম।
আমি পাসপোর্ট অফিস আমার জন্য পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল সামান্য ভুল ছিল না তার পর শুরুতে একজন বলছে বিদ্যুৎ বিলের পুরাতন কাগজ কেন নতুন লাগবে পরে নতুন টা নিয়ে যাই আর পর পাঠায় উপরে যাওয়ার জন্য উপরে গেলে বলে এখনো অনলাইন হয় নাই 1ঘন্টা পর আশেন 1ঘন্টা পর গেলে বলে হয় নাই আরো পরে আশেন এভাবে ঘুরাতে থাকে পরে একজন 1500টাকা দাবি করে অনেক কথা কাটাকাটি করে 1000দেওয়ার পর করে দিয়েছে
মেঝো ভাইয়ের পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়েছিলাম, পাসপোর্টে কিছু নামের সংশোধন দরকার ছিলো। বাবা মায়ের নামের বানান ভুল ছিলো। উদ্দেশ্যে ছিলো নবায়ন এর পাশাপাশি নামের সংশোধনী করবো। কিন্তু ওখানে একের পর এক ভুল বের করত থাকে। সবশেষে উপায় না পেয়ে দালাল ধরে কাজ সম্পন্ন করি।
Diabari data centre e atke chilo 6 month lajbe bolche tk diye complete kora hoiche
রেজিঃ অফিসে ২০০ টাকা করে প্রতি বছরে তল্লাশি নিয়েছে। আমরা মোট ২০ বছরের তল্লাশি দিয়েছি। রেজিঃ অফিসের সইমুহুরী আমাদের শুধু প্রতিদিন সময় দিয়ে ঘুরান। একদিন এক বছরের করে তল্লাশি দেন। এভাবে এক সপ্তাহ এক দিন পর পর ওখানে গিয়ে আমার বাবা গাড়ি ভাড়া আর ওদের খরচ সহ মোট ২ লক্ষ টাকা শেষ করে ফেলেন। আমরা গরীব মানুষ,, আমাদের দলিল গুলো আমাদের শত্রুরা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলো ৫০ বছর আগে। তারপর তারা আমার দাদাকে ভয় দেখিয়ে আমার দাদার জায়গায় মানুষ দখল নেন। আর তাদের নাম রেকর্ডে তোলে ফেলেন। আমার দাদা পড়ালেখা জানতো না। দাদা মারা যাওয়ার এতো বছর পর এখন ওই রেকর্ড করা মানুষ গুলো আমাদের জমি নিয়ে যেতে আসে। আগে শুধু আমাদের বাড়িটাই আমাদের ছিলো। এখন বাড়িও নাকি তাদের। কারন আমাদের দাদা রেকর্ডে নাম তোলাতে পারেনি।
আমার চেক বই হারিয়ে গেছে তাই থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম।থানায় যাওয়ার পর বলে থানায় জিডি করতে গেলে লেইট হবে,বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যান ওরা করে দিবে।আমার কাছে ২০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি প্রতিবাদ করি পরবর্তীতে ১০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাদ্য হই।
আমার দুই ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী! তাদের শিক্ষা বৃত্তির জন্য আবেদন করি তাদের সরকার কতৃক শিক্ষা বৃত্তির আংশিক অংশ প্রদানকারীর জন্য নির্ধারিত না হলে তাকে বৃত্তি প্রধান করা হয়না। এরুপ আমার পরিচিত সকলে দিয়েছে। আশা করছি অপরিচিত রা ও এর আওতায় আসতে হয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেছিলাম, সেখানে ১০ বছর মেয়াদে ৯ হাজার টাকা নিয়েছিল এই হলো। তারপরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে, বায়োমেট্রিকের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লাগবে অনেক সময় ব্যয় পুরোটা দিন হয়রানি।
নামজারি করতে দলিল খতিয়ান এর সবকিছু মিল আছে ,তারপরও একটি একটি ভুল ধরবেই
নামজারি করার জন্য সরকারি উদ্যোক্তা অফিসে যাই, তারা বলে টোটাল ৭ হাজার টাকা দিলে আমাকে কোথা ও যেতে হবে না। সব কাজ করে দেবে এবং এই দোকান থেকে ই মিউটেশান ও ডিসিআর কেটে দেবে। টাকা না দিলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও এসিল্যানড অফিসে যেত হবে, আর তারা দুই দিন বার ও দরখাস্ত খারিজ করে দেবে তাতে ১৫ / ২০ হাজার খরচ হবে। সময় ও লাগবে ৩/৪ মাস। এই ভয়ে আমি টাকা দেই। তার পর ও কানুনগো কে আলাদা ১ হাজার টাকা দিতে হইছে। সব নিয়ে ৮ হাজার টাকা নিয়েছে। এই টাকা উদ্যোক্তা কে দিতে হয়েছে।
আমি আড়বাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যায়, সেখানে কম্পিউটার থেকে RS খতিয়ান ডাউনলোড করি এবং উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দেওয়ার জন্য আরবাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি সীল, স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের কাছে সিল ও স্বাক্ষর নিতে গেলে তিনি আমার কাছে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। বাধ্য হয়ে আমি মন খারাপ করে প্রায় এক ঘন্টা পর গুরুত্ব বুঝে ৫০০ টাকা ঘুস চুক্তি করি এবং ৫০০ টাকা দিয়ে সীল স্বাক্ষর নিতে বাধ্য হই।
সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামে আমার থেকে 10,000 টাকা দাবি করেছিলো। নওগাঁ DSB অফিস থেকে ।পরে জরুরী হওআই উপায়ন্তর না দেখে পরিশোধ করেছি।
অনলাইন সাবমিশন করা হয়েছিল কিন্তু একটা স্পেস থাকায় বাতিলযোগ্য বলেছিল। দালাল কর্তৃক দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হলে একদিনের মধ্যে পাসপোর্ট রেডি হয়ে যায়।
নমজারি অনলাইন আবেদনের পর ভূমি অফিস থেকে দাবী করা হয়েছে। পুরোপুরি পরিশোধের পর নাম জারি সম্পন্ন হয়েছে
আমার ১০ বছর চাকুরিকাল অতিবাহিত হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড মন্জুর হয়৷উক্ত বিল করতে হিসাব রক্ষন অফিসে যাই৷টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে তিনমাস ঘুরায়৷পরবর্তিতে টাকা দিলে বিলটি মন্জুর হয়৷
10 তলা বাড়ী নির্মানের জন্য প্রথমে প্লান পাসের জন্য রাজউকের কতিপয় ব্যক্তি 1500000 টাকা চাওয়া হয় । পরবর্তীতে 4000000 টাকা চাওয়া হয়। না হলে প্লান পাস হবে না। পরে 4000000 টাকা দেওয়ার বিনিময়ে প্লান পাস করা হয়।
একজন জুনিয়র কর্মকর্তা তার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে বদলী করেন গুলশান মেট্রো কৃষি অফিস, ঢাকায় যা ঢাকা খামারবাড়ী থেকে করা হয়।
আমি আমার একটি অনলাইন ডকুমেন্টস হারানোর জিডি করেছিলাম থানার পাশের একটি দোকান থেকে। দোকানদার বললেন আপনি থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে সাইন নিয়ে আসেন।আমিও থানায় গেলাম। গিয়ে দেখি কাউন্টারে একজন বসে আছে তিনি আমার পেপারস টা নিয়ে বললেন আপনি বসুন আমি করে দিতেছি তার পর উনি সব করলেন। আমার হাতে পেপারস টা দিয়ে বললেন ৫০০ টাকা দেন।আমি দিতে বাধ্য হইলাম।পরে তারা হুরো ছিলো তাই দিয়েই চলে আসছি।
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দুর্ভাগ্য, ঘুষের সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। ২০২৫ সালের নভেম্বরে জমি কেনার পর নামজারির জন্য আবেদন করি। আবেদনটি বারবার বাতিল হলে ভূমি অফিসে গিয়ে নায়েব সাহেবকে কারণ জিজ্ঞেস করি। প্রথমে বললেন সার্ভারের সমস্যা, পরে আমার সামনেই আবার আবেদন বাতিল করে বললেন, “চাপ লেগে বাতিল হয়ে গেছে।” এরপর তার সহকারী আমাকে বাইরে ডেকে সরাসরি বললেন, “নায়েবকে ১,৫০০ টাকা দেন, তাহলেই হয়ে যাবে।” শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, ঘুষ নেওয়ার সময়ও নায়েব সাহেব আল্লাহর নাম জিকির করছিলেন। আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে মানুষের হক নষ্ট করা—এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর কী হতে পারে?