সাভার,বাজার রোড
আমার কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও, শুধু শুধু আমার বাইকে মামলা দিতে চায়, পরবর্তীতে টাকা দিয়ে নিজেকে মামলার হাত থেকে বাচাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও, শুধু শুধু আমার বাইকে মামলা দিতে চায়, পরবর্তীতে টাকা দিয়ে নিজেকে মামলার হাত থেকে বাচাই।
(৩ বছর আগের অভিজ্ঞতা) ২০২৩ সালে আমার স্ত্রীর নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করি আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোন ফিডব্যাক পাইনি, এমত অবস্থায় চাটখিল নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি এবং আমার স্ত্রী এবং শাশুড়িকে নির্বাচন অফিসে পাঠায় তখন নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে।বাধ্য হয়ে আমার স্ত্রী ৩০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, টাকা পাওয়া পর তারা এনআইডির কার্যক্রম করে মোবাইল নাম্বারে মেসেজ পাঠায় এবং তাও এনআইডিতে মুল নামই ভুল দেয়। পরে আমি যখন ফোন দিয়ে তাদের সাথে রাগারাগি করি এবং কি ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর কথা বলি। তখন তারা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এনআইডির মূল নাম সংশোধন করে আবার মেসেজ পাঠায়।
সবুজবাগ ভূমি অফিস। জমি মিউটেশনের জন্য ওখানকার একজন কর্মচারী ১৭০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে কাজটি করে দেয়। না দিয়ে উপায় আছে? কোন কর্মকর্তা সরাসরি টাকাটা চায় নি, ভুমি অফিসের কর্মচারী পুরা কাজের কন্ট্রাক্ট নেয়।
পাসপোর্ট ইনকুয়ারী ২০১৯ সালে।বিদেশে যাওয়ার আগে পাসপোর্ট করেছিলাম।১৫০০টাকা বিকাশের মাধ্যমে নিয়েছে।কোন ইনকোয়ারী করেনি।থানার দারোগাকে বিকাশে টাকা দিলেই ইনকোয়ারী হয়ে যায়।পাসপোর্ট ও টাইমমত পাওয়া যায়।তা নাহলে দারোগা পাসপোর্টকারীর বিপক্ষে পাসপোর্ট অফিসে খারাপ রিপোর্ট জমা করে পাসপোর্ট আটকিয়ে দেয়।আমার কাছে সেই দারোগার ফোন নাম্বার আছে। দারোগার প্রাইভেসির জন্য ফোন নাম্বার উল্লেখ করিনি।
আমি ঢাকায় থাকি কিন্তু গ্রামের বাড়িতে আমার নামে একটি বাইক আছে। সেই বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য নওগাঁ বিআরটিএ থেকে মেসেজ পেলাম। কিন্তু আমি ঢাকাই থাকি তাই আমি যেতে পারিনি, রিসিট নিয়ে আমার বাবাকে যেতে বললাম। আমার বাবা যথা সময়ে রিসিট নিয়ে বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড উঠাতে নওগাঁ বিআরটিএ অফিসে গেল। তখন সেখানে কর্মরত কর্তা আমার বাবাকে বলে যে, আপনাকে কার্ড দেওয়া যাবে না। আপনার ছেলেকেই আসতে হবে। পরে অফিসার আমাকে ফোন করে বলে যে, আপনাকে ছাড়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া যাবে না। আমি বললাম, আমি তো ঢাকাতে আছি, নওগাঁতে আমি আরও ৬-৭ মাস পরে যাবো। আমার বাবার কাছে রিসিট আছে, আপনি দিয়ে দেন, তখন উনি বলল যে তাহলে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে। তখন উনি আমার বাবার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি দেন।
আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সকল কিছু ভালোভাবে দেখেশুনেই আবেদন করেছি। কোথাও কোনো গ্যাপ রাখিনি। তবে অপশনাল একটা ঘর পূরণ করিনি। তাই আবেদন বাতিল করে দিল। বললাম, এটা তো অপশনাল। অফিসার বলল, অপশনাল বলতে কোনো কথা নাই। দিতেই হবে। আবেদনটা বাতিল করে দিতে বললাম, সেটাও করল না। তখন পাসপোর্ট পাওয়া আমার খুব জরুরি ছিল। কোনো উপায় না পেয়ে দালালকে বললে সে দুই ঘণ্টার মধ্যে ২২০০ টাকা নিয়ে আবেদন জমা করিয়ে ছবি তুলিয়ে দেয়।
আমার দলিলে নাকি ভুল ছিলো আমি একজন প্রবাসি কিন্তু কি ভুল ছিলো আমি ঠিক মত বুঝতে পারি নাই আমি ৫ থেকে ৬ বার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম আমাকে শুধু গুরায় পরে একদিন ভূমি অফিসের নায়ের আমাকে বলে নামজারি করতে সাধারণতো ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা লাগে কিন্তু তোমার নামজারি করতে ডাবল টাকা লাগবে কারণ অন্যান্য স্যারদেরকে টাকা দিতে হবে
I needed to go to India for emergency medical condition. I didn't have a passport. When I went to the passport office, someone at the gate demanded 11000 tk to make my and my son's passport within 3 days. It was a life and death emergency so I paid and I did got our passport after 3 days.
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন দরকার ছিল। টাকা ছাড়া কোনোভাবেই দিচ্ছিল না পুলিশ। ১৫০০ টাকা তাকে বিকাশ করার পর ভেরিফিকেশন দিয়েছিল।
দুবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে হয়েছে আমাকে। প্রথমবার ১৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার ৮,৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
প্রায় ১৪ বছর আগে যখন আমার বার্সিক আয় ছিল মাত্র ১৫ লক্ষ টাকা। যার পুরোটাই বেতন থেকে আয় এবং পুরোটাই ব্যাঙ্কে জমা হত। আমার অন্য কোন আয়ের উৎস ছিলনা। কোথাও কোন শেয়ার ছিলনা। পৈত্রিক বা অন্য যে কোন উপায়ে পাওয়া কোন আবাদী বা অন্য যে কোন প্রকার জমি ছিলনা। কোন ব্যাবসা বা ব্যাবসার শেয়ার ছিলনা। আমি ডাক্তার হলেও আন্তর্জাতিক সংস্থ্যায় কাজ করার কারনে প্রাইভেট প্রাকটিস করার সুযোগ ছিলনা। সেই সময়ের রিটার্নের জন্য আমার নামে প্রায় ৮/১০ টা আইটেমে প্রায় কোটি টাকা মিথ্যা আয়ের অভিযোগ দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা কর দাবী করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি আইটেমের প্রমান সহ জবাব দেয়ার পরও আমাকে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে রক্ষা পেতে হয়।
আমি একজন প্রবাসী আমার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট ডে আমার নাম বাবার নাম এবং মার নাম সংশোধন চেয়েছিলাম সেখানে অনলাইনে আবেদন করে কোন সারা না পেয়ে প্রধান নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম আমার বাড়ি কুমিল্লা কুমিল্লা থেকে আমি প্রায় ১০ থেকে ১৫ বার অফিসে গিয়ে পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট দিয়েও কোন ধরনের সাড়া পাইনি পরবর্তীতে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে কাজটি করতে হয়
জমি খারিজ বাবদ দবি ২৫০০০ দফা রফা।
আমি সৌদি আরব প্রবাসী ৬ ডিসি মেন্ট যায়গায় খরিদ করি, ৫৬ রেকর্ড ছিল বা সাবেক দরন বা জমির শ্রেণী ছিলো ছাড়া বাড়ি আমি যখন খরিদ করি তখন ও টিক ছিল, বি এস রেকর্ড আগের জমির মালিকের নামে চলমান রেকর্ড আগের মালিকের নামে চলে যায়, শ্রেণী ছিল চারা বাড়ি এটা এখনো বতমান রেকর্ড বিট বাড়ি এটা চেঞ্জ করতে এতো টা দিতে হবে না হলে হবে না,
আমি মিটারের আবেদন করি অফিসিয়াল সব খরচ নিজে করি। কিন্তু ওয়্যারিং রিপোর্ট টাকা ছাড়া সাবমিট করতে লেট করে বিধায় ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এরপর তার নাই মিটার নাই বলে মিটার অর্ডার করেনা আবার ৫০০ দিলে মিটার অর্ডার হয়। তাও সকল প্রসেসিং শেষ হতে ৬মাস পার হয়। এরপর বলে তার নাই আর অপেক্ষা করার পর এজিএম স্যার বলেন তার কিনে দিলে লাগিয়ে দিবে অন্যথায় অপেক্ষা করার জন্য পরবর্তীতে একজনকে ৫০০ টাকা দিলে ৮ মাসের সময় মিটার সংযোগ পায় এমন অভিযোগ নতুন মিটারের ক্ষেত্রে চকরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে প্রায় ৮০%+ গ্রাহক যথেষ্ট ভোগান্তিতে থাকে....কোনো বিচার নাই
মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেকটি LAO অফিস থেকে Accounts শাখায় পাঠানো হয়েছিল। Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে তিনি চেকটি তাৎক্ষণিকভাবে ইস্যু করতেন না; ঘুষ দিলে একই দিনেই চেক পাওয়া যেত। আমার চেকটিও ইস্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আমি প্রথমে কোনো টাকা দিইনি। এর মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি অযৌক্তিক আপত্তি তুলে চেকটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে LAO অফিস কাগজপত্র যাচাই করে চেক ইস্যুর বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়। আরও বিলম্ব বা নতুন কোনো জটিলতার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই দিনই Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে চেকটি সংগ্রহ করি।
আমার পাসপোর্ট নবাশন করতে ৫০০০ টাকা ঘুসদিতে হয়েছে। কারন হিডেবে বলা হয়েছে এখানে টিকানা সংশোধন করা হয়েছে
মূলত গত ৪ বছর ধরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ৩,০০০ টাকা করে ঘুষ রাখতো ঐখানে কর্মরত একজন দাপ্তরিক কর্মকর্তা। পরবর্তীতে গতবছর আমি কোন ঘুষ ছাড়া নবায়ন করতে পারি। কিন্তু আমি যে ১২,০০০ টাকা ৪ বছরে দিয়েছি তার কোন হিসাব নেই।
For getting my driving smart card earlier, they wanted 3000 BDT, but we decided to fix it with 2000 bdt.
I have apply as new voter at NID site. they verification process want the money