পাসপোর্ট
পাসপোর্ট তৈরির জন্য যখন পাসপোর্ট তৈরীর জন্য নিয়োজিত ব্যাক্তিদের কাছে জানতে চাই তখন তারা ওখানকার আনসার সদস্যদের দেখিয়ে দেয়। তখন ঐ আনসাররা প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়। তারপর পাসপোর্ট তৈরি করে।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট তৈরির জন্য যখন পাসপোর্ট তৈরীর জন্য নিয়োজিত ব্যাক্তিদের কাছে জানতে চাই তখন তারা ওখানকার আনসার সদস্যদের দেখিয়ে দেয়। তখন ঐ আনসাররা প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়। তারপর পাসপোর্ট তৈরি করে।
নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশী + extra হয়রানি
আমি একটি জমি ক্রয়ের পর নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাই। সেখানে কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে প্রায় ৮–১০ দিন ঘুরান কখনো বলেন স্যার নেই, কখনো সার্ভার সমস্যা, আবার কখনো অন্য তারিখে আসতে বলেন।একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি আমাকে বলেন, “এভাবে সারা জীবন কেটে যাবে, কাগজ পাবেন না। কিছু দেন, ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।” তার কথায় আমি তাকে ২০,০০০ টাকা দিই। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো কাজ হয়নি। পরে আবার গেলে একইভাবে ঘোরাতে থাকে। একপর্যায়ে “জায়গা কিনেছেন, মিষ্টি খাওয়াবেন না?” বলে আরও ৬,০০০ টাকা নেয়।এরপরও নির্ধারিত তারিখে গিয়ে একই অজুহাত শুনতে হয়। সর্বশেষ আজও আমাকে ঘোরানো হয়। আমি অফিসে বসে থাকার পর কাজটি করে দেওয়া হলেও অতিরিক্ত ১,১০০ টাকা দাবি করা হয়। ইতোমধ্যে ২৬,০০০ টাকা দেওয়ার কথা জানালেও তারা কোনো কথা শোন
জমির খাজনা দেওয়ার সপ্তাহ চলতেছিলো,,, ভুমি অফিসের পিওন অথবা কে,,, সাতশত টাকা লেখা হবে তবেঃ ,,, টাকা দিতে হবে ৩৫০০, অনেক দিন খাজনা দেওয়া হয়না তাই জরিমানা অনেক হয়েছ,,, জরিমানা কমানোর জন্যএই ব্যবস্তা,,,
Amr Boro vai ekjon probasi, last 4 years holo tar NID card Nam er vul thik korar jonno ki proriman kosto korce seta Ami cara valo kuw bolte parbena. Sese 2lac tk dabi kore, amr Boro vai 150000 tk diye ses porjonto NID Card er Nam er banan thik kore! Ey desh e jonmo neya O pap
বিভিন্ন ট্যাক্স এর কথা বলে, বিভিন্ন রিসিভ করার কথা বলে। কোন প্রকার সরকারি ডকুমেন্ট না দিয়ে হাতাহাতি টাকা লেনদেন। কারণ জিজ্ঞেস করলেই বলে। সরকারি খরচ।
প্রাথমিকে বিভিন্ন আন্দোলনের নামে শিক্ষক নেতারা ওদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেছেন। নেত্রকোনা জেলার শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
Amar Ekta Unani medicine company ache proti license renewal er somoi inspection a Ashe r mota onker taka nie jai r products license renewal a to koto hat ghure tarpor file upore uthe r mashe mashe DD being AD ke taka dite hoi nato Tara ojoiktik jalabe onek bojha chapie dibe niomer marpach dekhiye othocho Unanir Kono nirdishto niom nai ek ekhn ek ek Kotha bole...eivabei babsha Kore jachchi din din ghusher poriman bartei ache othocho ay kom Bai berei jachche......
আজ ৩ বছর যাবদ সার্ভেয়ার রিপোর্ট এর জন্য ঘুরছি। এক সার্ভেয়ার ১২০০০ টাকা খেয়েও রিপোর্ট দেয় নাই। এর পর আরো অনেকেই পাল্টাইছে। এখন যে আছে টাকা দেওয়ার পরও রিপোর্ট না দিয়ে ঘুরাচ্ছে। আমি একজন ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা। আমার পরিচয় দেওয়ার পরও কাজ হচ্ছে না। এবার ভাবেন, সাধারণ মানুষ কি সেবা পাচ্ছে।।।।
এমপিও ভুক্ত করনের জন্য পূর্ণাঙ্গ ফাইল জমা দেওয়ার পরেও বিভিন্ন ধরনের তাল-বাহানা দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখে এর পরে যখন বকশিস নামক ঘুষ প্রদান করা হয় তখনই ফাইল তৎক্ষনাৎ শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়। দ্রঃ আমার এবং আমার সাথে অন্যান্য সহকর্মীদের ফাইল অনেক দিন পরে ছিলো পরে অন্য কোনো উপায় না পেয়ে এবং সহকর্মীদের কথা বিবেচনা করে দিতে বাধ্য হয়েছি।
হাসপাতালে থেকে গর্ভবতী কার্ড নিতে গিয়েছিলাম। ২২০ টাকা দাবি করছে, এবং এই টাকা পরিষদের পরে কার্ড করে দিয়েছে।
Amar name er spelling correction er jnno ghush dite hoi
বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের ভূমির নামজারি (মিউটেশন) আবেদনের উদ্যোগ নিই। প্রথম আবেদনটি দলিলের ঘাটতিতে বাতিল হয়। পরে কাগজপত্র পরীক্ষা করিয়ে দ্বিতীয়বার আবেদন করি। মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ে নথি পৌঁছালেও সার্ভার সমস্যা ও ম্যাজিস্ট্রেটের বদলির কারণে দেড় মাস বিলম্ব হয়। দ্রুত শুনানির তারিখ পেতে এক দোকানদারকে ৩,০০০ টাকা দিই।শুনানির দিন কর্মকর্তা সব নথি ঠিক আছে জানালেও, দুই দিন পর মৌজা ম্যাপ অনুপস্থিতির ভুয়া অজুহাতে আবেদনটি বাতিল করা হয়। অফিসে যোগাযোগ করলে এক কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন, না হলে কাজ হলে ৬+মাস লাগবে। স্বাভাবিক নিয়মে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে, শেষ পর্যন্ত ৪২,০০০ টাকায় রফাদফা করে ১৫ দিনের মধ্যে নামজারির খতিয়ান হাতে পাই।
পাসপোর্ট বানাইবার লাগি এক্সট্রা দেওয়া লাগছে নাইলে ফাইলও নিছিলো না ফরে টাকা দিলে নিছে
আমরা জমি কিনতে টাকা বায়না করেছি,,।কিন্তু সেই জমি অন্য একজন কিনতে চায়,, পরে দলিল লেখক আমাদের থেকে দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা চায় আমরা তা দিতে বাধ্য হই,, কারন টাকা না দিলে বিপক্ষ দলকে জমি দলিল করে লিখে দিবে,, নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে দলিল করি
স্কুলে অডিট, অডিটর সার্কিট হাউসে ছিল টাকা তারা ঐ হাউজেই নিয়েছিল। স্কুলে অডিট করে সার্কিট হাউসে রাত যাপন করত।
লাইসেন্স করার পরীক্ষা ও অন্যান্য
পাসপোর্ট আবেদন সবকিছু ঠিকঠাক ছিল।ওনাদের এত বড় সিন্ডিকেট অফিসে আপনি প্রতিবাদ করলে আপনাকে মেরেও ফেলতে পারে পরা।ভিতরে বাইরে সবটাই উনাদের লোক।তো প্রথমবার ফিঙ্গার দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ালাম অফিসার স্টেটাস প্রাইভেট দেয়ার কারনে বাতিল করে দিয়ে বললো ঠিক করে আনো।এর আগে লাইনের মধ্যেই দালালরা সিল নিয়ে ঘুরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে সিল দেয়।ঐ সিল থাকা কাউরে আটকা না।তারপর বের হয়ে বাইরে থেকে সিল নিলাম আর ভেতরে সব ঠিক।
ভাতার আবেদন করতে গেলে ১০০০ টাকা দাবি করে। অতপর তা পরিশ্রম করেছি।কিন্তু কাজ এখনো হয় নি।
আমি একজন ট্রাভেল এজেন্সির মালিক। সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পূর্ণ ও হালনাগাদ করে সিভিল এভিয়েশন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রথমে ডিসি অফিস থেকে ‘অফিস খরচ’ বাবদ বলে ১৭,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসে ২০,০০০ টাকা দিতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, ২০,০০০ টাকার এক টাকা কম দিলেও লাইসেন্স অনুমোদন করা হবে না। ১৯,০০০ টাকা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হয়নি, ফলে শেষ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। এভাবে মোট ৩৭,০০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়। সরকারি চালান ও অন্যান্য বৈধ খরচসহ লাইসেন্স প্রাপ্তিতে মোট প্রায় ১,৫৫,০০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩ মাস সময় লাগে এবং এ সময়ে ডিসি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসে ২০ বারেরও বেশি যাতায়াত করতে হয়েছে।