নাম জারি মিউটেশন
২৩ শতক জমি মিউটেশন করার জন্য বহবলপুর ভুমি অফিসার ৫০০০০ টাকা চেয়েছিলেন না হলে তিনি নামজারি করে দিবেন না। বাধ্য হয়ে আমাকে তা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২৩ শতক জমি মিউটেশন করার জন্য বহবলপুর ভুমি অফিসার ৫০০০০ টাকা চেয়েছিলেন না হলে তিনি নামজারি করে দিবেন না। বাধ্য হয়ে আমাকে তা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
নামজারি করতে গেলে সরকারি ফি ১১৪০ টাকার স্থলে অফিস সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অগ্রিম টাকা নিয়ে আর্জেন্ট করার পরিবর্তে গরিমসি করে নামজারি করে দেয়। সবাইকে জিম্মি করে ঘুষ নিয়ে কাজ করে এবং গর্ব করে বলে এটাই নাকি তাদের রেট।এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
টাকা না দিলে নামজারি হবে না
টাকা হাতে পেয়ে ৩০০ কম দিয়ে দিছে
অফিসের নিচেই উনি সিগন্যাল দেয় । আমি সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যাই।সার্জেন্ট হঠাৎ করে গাড়ির কাগজ দেখতে চায়, কাগজ আমার বেগে ছিল বেগ অফিসে ছিল । বৃষ্টির কারণে কাগজ পত্র বেগেই রেখিছিলাম। ওনাকে বলি আমি ১ মিনিট লাগবে কাগজ এনে দেখাচ্ছি। গাড়ি এখানেই থাক । উপরেই আমার অফিস। উনি আমাকে সময় না দিয়ে বাইকের নামে কাগজ লিখেন যে আমি কাগজ দেখতে ব্যার্থ। উনি চাবি নিয়ে গাড়ী থানায় নিয়ে যান। কাগজ আমাকে দিয়ে বলে ওই অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ দেখলে আমাকে একটা রশিদ দিবে ওটা এনে লোকাল থানায় দেখালে গাড়ী ছেড়ে দিবে। আমি যারা মামলা বুঝেন তাদেরকে দেখলাম তারা বলল এটা রেকার মামলা ১৫০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ফোজদারহাট অফিসে গেলে ওনারা ৬৫০০ টাকা ফিক্সড করে দিতে বলে। আমার গাড়িটি কোম্পানির তাই দিতে বাধ্য হই।
ট্রাফিক পুলিশ, গুলিস্তান BRTC বাস ডিপোর সামনে দাড়িয়ে ছিলো, আমি মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে পুলিশ সিগন্যাল দিলো, দাড়ালাম। কাগজপত্র চাইলো দিলাম, মামলা দিতে চাইলো প্রথমে ১০০০০/- পরে কমতে কমতে ২০০০/- রিকুয়েষ্ট করলাম, বললাম ১০০০ টাকা উপরে দিতে পারবো না তখন মানিব্যাগ বের করে টাকা দিতে চাইলাম আমাকে থামিয়ে দিলো, বললো বিকাশে দিতে একটা কিউআর কোড দিলো এক এজেন্ট নাম্বার । ঐ নাম্বারে ক্যাশআউট করে দিলাম। এই হচ্ছে অভিনব কৌশলে ঘুস আদায়। সরকার ১ টাকাও পেলনা।
একটা নামজারি করার ছিল। কিন্তু অফিস এর লোকজন সেটা আবেদন করে দিতেও চায়না। আবেদন করলে তা বিভিন্ন কারন দেখিয়ে বাতিল করে। পরে অফিসের বাহিরে থাকা এক দালাল আমাদের জানায় যে টাকা ছাড়া কাজ হবে না। টাকা দিলে এটা ১৫ দিনের মধ্যে নামজারি হবে। সে বলে সব স্যারেরা টাকায় কাজ করে। পরে ৭০০০ টাকা দিয়ে নামজারি টা ২৩ দিনের মাথায় পাই। এই হলো ভুমি অফিস। আমি বলি এটা হলো, দেশের নাম্বার ১ ঘুসের অফিস। যেখানে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
প্রথমে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট চাওয়ায় সেগুলো সংগ্রহ করতে সময়, টাকা ও হয়রানির আশঙ্কা ছিল। পরে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করি। সরকারি ফি ও দোকানের খরচের বাইরে **অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা** দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার পরই আবেদন থেকে শুরু করে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ সব অফিসিয়াল কাজ খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়ে গেল। শেষে জানানো হলো, ২১ দিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে।
গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার "শ্যামলী" থেকে "নবীনগর" যাওয়ার পথে "হেমায়েতপুরে" সাভার পরিবহন নামক একটি বাস মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলার কারণে ট্রাফিক পুলিশ কয়েকবার লেজার লাইট দিয়ে ওয়ার্নিং দিয়েছে বাসের ড্রাইভারকে। এবং পরবর্তীতে বাসের ড্রাইভার পুলিশের ওয়ার্নিং না শোনার কারণে পুলিশ এসে সেই বাসের ড্রাইভার এর কাগজ পত্র জব্দ করে। এবং পরবর্তীতে বাসে থাকা হেল্পার বাস থেকে নেমে পুলিশের সাথে এক সাইডে গিয়ে পুলিশকে ৫০০ টাকার নোট বের করে হাতে ধরিয়ে দেয়। এবং পরবর্তীতে পুলিশ সেই বাসের কাগজপতি আবার ফেরত দিয়ে দেয়। বিষয়টা খুবই অবাক করলো আমাকে সেদিন। একটা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন কাজ করে।
আমি অনলাইনে আবেদন করার পর ভুমি অফিস থেকে approved নেওয়ার জন্য গেলে ৪খতিয়ানে ৮০০টাকা ঘুষ দাবি করে, টাকা না দিলে কাজ হবেনা অলরেডি একদিন আগে জমা করা হয়েছে কিন্তু আমাকে ফিরিয়ে দেয়, কি আর করার টাকা দিয়েই aapprovel নিতে হলো।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাসপোর্ট করতে হলে, ১৮০০ টাকা মজা দিতে হয় দালাল এর কাছে, না হলে জমা মধ্যে বিভিন্ন ভুল ধরে |
জমি বিক্রয়ের দলিল রেজিস্টারি সম্পন্ন করতে গেলে সাব রেজিস্টার কাগজ আটকিয়ে রেখে উকিলের মাদ্ধমে এক লাখ টাা নেন। তার পর রেজিস্টারি কাজ সম্পন্ন করেন।
ওয়ার্ড সিটি করপোরেশন অফিসে (বিবিরহাট ৭ নং ওয়ার্ড) গেছিলাম টিসিবি কার্ড তৈরি করতে। প্রথমে বললো এখন হবে না পরে। এর বারবার বিরক্ত করায় বললো ৩০০ টাকা লাগবে। না পারতে দিতে হলো। মধ্যবিত্তের একটু সাশ্রয়ের আশায়।
সারা বাংলাদেশের যতগুলো ফায়ার সার্ভিস এর অফিস আছে সেইখানে ফায়ার লাইসেন্স করতে গেলে ছোট ব্যবসায়ী কিংবা বিভিন্ন কোম্পানি আপনাদের শোরুম দোকান আছে তোদের প্রত্যেকের কাছেই ২০০০ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। তাদের দাবি পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নেই, কিংবা এক্সিট ডোর নাই। যারা ছোট ব্যবসায়ী তাদের তো একটা শোরুমে কখনো দুইটা দরজা থাকে না। এবং পানির ব্যবস্থা থাকে না। এই কারণেই অনেক শোরুম কিংবা দোকান মালিক ঘুষ দিতে বাধ্য থাকে। যদিও আমি জানি এটা কোন সরকারি কাজ না। তবুও বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করে রাখলাম। আপনার নিজেরাই খোঁজ নেবেন তখন জানতে পারবেন বিষয়টা। আমি একাধিক বার এই ফায়ার লাইসেন্স করছিলাম প্রত্যেকবার অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগে।
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য সরকারি ফি ৫০/- টাকা হলেও ২০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটা করার জন্য গিয়েছি তারা আমার প্রয়োজনিয় ডকুমেন্ট ফটোকপি করার জন্য প্রতিটি দশ টাকা চেয়েছে অন্যথায় বাজার থেকে করে এনে দিতে হবে যা অটো দিয়ে গেলেও আসা যাওয়া দশ টাকার ভাড়া লাগে।
সরকারি ভ্রমন ভাতা তুলতে গেলে বিলের ১০% টাকা দাবি করে,এর সাথে জড়িত সরকারি অফিসের ক্যাশ সরকার এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা।
MPO অনুমোদন করে না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার। এর পর তিন দিন ধরে ঘুরে বুঝতে পারলাম কিছু না দিলে হবে না। আর তিনি ফোনে বললেন না আসলেও হবে। বিকাশ করলেই হবে। আমি সরাসরি গিয়ে খামে দিলাম। রাতেই আমার ফাইল অনলাইন এ জেলা শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড হয়ে গেল।
আমার ও আমার সহকর্মীদের এডভান্সড ইনক্রিমেন্টের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রত্যেক ফাইলে ৪০০০/ টাকা দাবি করে, আমরা পরিশোধ পূর্বক বিল উত্তোলন করি।
সাধারণ ডাইয়েরি তুলতে এই টাকা নেয়
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যায়, আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকা সর্তেও, তার বলে আমার নাগরিকত্ব সনদ লাগবে কিন্তুু পরে একজন আনসার সদস্য ডাক দিয়ে নিয়ে গিয়ে বলে কিছু লাগবে না ১২০০ টাকা দিলে, এই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা