Police Verification
Bank teke Police verification r jonno dicilo 2no. Gate sholo shohor Police Karjaloiye...Taka chara oni amader report valo dibe na bolce,tai amra baddo hyci taka dite.
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Bank teke Police verification r jonno dicilo 2no. Gate sholo shohor Police Karjaloiye...Taka chara oni amader report valo dibe na bolce,tai amra baddo hyci taka dite.
বাংলাদেশে সাব-রেজিস্টার অফিসের মধ্যে দিয়ে সব দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস হলো সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কুমিল্লা। টাকা দিয়ে আপনি যাহ খুশি তাই করতে পারবেন সেখানে জাল দলিল থেকে শুরু করে যাহ যাহ আছে।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ৪০০০ টাকা ঘুস দিয়ে ফাইল পত্র প্রস্তুত করে উপজেলা হিসাবরক্ষক অফিসে যাই। সেখানে তারা আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। আমি তাদেরকে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি।
টাকা না দিলে কোন কারণ ছারাই আবেদন বাতিল করে দেয়, অথচ নিয়ম অনুযায়ী সকল কাগজ ছিল।
২০০৪ /২০০৫ সালের দিকে দুটি জায়গা নাম জারি করতে আমার প্রায় ১০০০০ টাকার উপরে ঘুষ দেয়া লাগছে, ষোলশহর ভুমি অফিসে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনে লাইনের গ্যাস এর মালিকানা নাম পরিবর্তনে সাধারণত ৫ হাজার টাকা লাগার কথা সরকারী নিয়মানুযায়ী। কিন্তু আমি গ্যাস অফিসে গেলে তারা ১৫,০০০ টাকা দাবি করে। আমার পরিচয় ও বিভিন্ন কথা বলার পর ১০,০০০ টাকা দিতে বলে। টাকা দেয়ার সময় বলে- "টেবিলের নিচে টাকা ফেলুন, উপরে সিসি ক্যামেরা আছে। আরো বলে যে- ওয়াশরুমের ভিতর ঢুকে টাকা গুলো গুণে গুছিয়ে নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ফেলুন। আমি ১০০০০ টাকা তার পায়ের নিচে টেবিলের নিচে ফেলেছি। তারপর সে আমার কাজ টা করে দিয়েছে। তার মানে এখানে সে/তারা ৫০০০০ টাকা ঘুষ খেয়েছে। গ্যাস অফিসের অবস্থান: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন, বাইপাইল (এস.এ. কুরিয়ার অফিসের পাশে), আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
পেনশন কাগজ জেলা অফিসে পাথানো জন্য ফাইল স্বাক্ষর ৩০০০০ টাকা চাওয়া।
আমার বাবার নাম তারা তাদের সার্ভারে ভুল করে। যার সংশোধন করতে এবং আমার বাবার সম্পত্তি আমার বাবার নামে করে দিতে,তার বিনিময়ে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই নিজে আবেদন এর মাধ্যমে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসারের কাছে আবেদন এর কগজপত্র দেওয়া পর তিনি আমাকে বার বার ফিরিয়ে দেন মায়ের নামে ভুল আছে বলে অথচ কোন ভুল ছিল না আমি ফি পেমেন্ট করেছিলাম অনলাইনে তাই আমার ৮০০০ টাকা লস গেছে (৬৪ পাতার) পরে দালালের মাধ্যমে আর ১৬০০০ টাকা চাওয়া হয় ওই টাকা দেওয়ার পরদির আমার ফিংগার নেয় তারা।
আমি আমার এনআইডি স্থানান্তর করার সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে দোয়ারাবাজার নির্বাচন কমিশনে যায়, যাওয়ার পর তারা সকল কাগজ পত্র দেখে জমা রাখে। অফিসের ভেতর থেকে বাহিরে আসার পরে তাদের একজন জিজ্ঞেস করতে ছে যে কিছু দিছি কি না, আমি বল্লাম জি না দেই নাই। তখন তখন তিনি বলেন ভিতর গিয়ে দিয়ে আসেন। তার পর ভিতরে আবার গেলে সেখান ৫০০ টাকা দাবি করে পরে এক ভাই এর সাথে ফোনে কথা বলে ২০০ টাকা পরিশোধ করি। তিনি পরে জানান যদি টাকা না দেয় তাহলে আমার ফাইল দরবে না যে ভাবে আছে এভাবেই থাকবে, ২০০ টাকা পরিশোধ করার পরেও এখনো কোনো কাজ হইনি অথচ আজ ৩১ দিন হয়েছে এভাবেই রযেছে।
আমার মা'র পেনশন অধিদপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সবকিছু ঠিকঠাক পাশ হয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ফাইল আসে।সব ধরনের ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পর ও উপজেলা একাউন্টস অফিস জানায় ফাইলে অসংগতি আছে, পেনশন পাবেন না।আমার মা, পরিবারের সবাই, এমনকি আমার মার অফিসের সবাই অবাক ; হিসাব রক্ষণ অফিসের এমন নেগেটিভ মন্তব্যে।২/৩ দিন পর উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসের অডিটর ফোন করে জানায়, আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে কিন্তু ৫০০০০ টাকা লাগবে, না হলে ফাইল ঢাকায় ফিরত দিয়ে দিব।তখন ঢাকায় অনেক ঘুরাঘুরি করতে হবে।মা তখন প্রশ্ন করে, আপনারা ই তো বললেন ফাইলে অসংগতি আছে, তো ৫০০০০ টাকা দিলেই সেই অসংগতি কিভাবে সমাধান হয়ে যাবে? কাগজ পত্র ১০০% ঠিক, তারপর ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে তাঁরা ৫০০০০ টাকা দাবি করে।পরে ২০০০০ টাকা দফারফা হয়।
চিকিৎসার জন্য অনুমতি। সিভিল সার্জন এর কার্যালয় থেকে বলে অনুমতি আপনাকে দিবে না। এই চিকিৎসার জন্য। আমার গলাতে অপারেশন এর কথা বলেছে তাই আমি ভারতে চিকিৎসা করতে চাইছি।পরে অনেক দিন গিয়েছি, বলে বাতিল হয়ে যাবে, পরে ৩০০০ টাকা দিয়ে আমাকে অনুমতি নিতে হয়েছে।
আমি একজন নাবিক। আমার নাবিক জীবনে পা রাখার শুরুতেই আমার যোগ্যতা থাকার পরেও আমাকে ছয় লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ট্রেনিং করতে হয়। ট্রেনিং শেষে চট্টগ্রাম শীপিং অফিস থেকে সিডিসি তৈরি, রোস্টার ভুক্ত হওয়া বাবদ ধাপে ধাপে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এখনো প্রতিবার সাইন অন ও সাইন অফ করতে গেলে ৩-৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় তাদের। এবং জাহাজের এজেন্ট দের দিতে হয় ৩-৫ লাখ টাকা ঘুষ। এইভাবে আমাদের পরিবার গুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে।
২০ টাকার কাজ ১০০০ টাকা নিয়েছে
প্রতি নিবন্ধনে ৫ শ করে দেওয়া লাগে আর ডুপ্লিকেট পড়লেত লাগে ৫ হাজার যতবার নিবন্ধন চান নাহ কেন দেওয়া হয়। বলছিলাম কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের কথা আর কি ! 🫠
জমি টি আমার দাদুর নামে ছিল। এখন আমার দাদু এবং বাবা দুজনে মারা গিয়েছে তাই আমার ২ ভাই এর নামে খারিজ করে খাজনা দিব। আমার সব কাগজ ঠিক আছে। আমাকে সরাসরি বলে ২০০০ এর নিচে আমরা নেই না। এটাদেন কাজ হয়ে যাবে।আমাকে ৩/৪ দিন যেতে হয়ে টাকা দেই না বলে। পরে টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে ফেনী টাউনের ভূমি অফিসার প্রতি ফাইলের জন্য ২৫,০০০ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রেশনের ফাইল পাস হয় না এটাই যেন এখানকার অনিয়িখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য,এই অবিচারের বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলছেন না। প্রতিবাদ করলে কাজ আটকে যাবে বা আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে এমন ভয়ে সবাই নীরব থেকে সবকিছু সহ্য করে যাচ্ছেন। কিন্তু সবার এই নীরবতার সুযোগ নিয়েই দুর্নীতি আজ সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়েছে.
ভূমি জরিপের কাগজ আনতে সার্ভেয়ারকে দিতে হয়েছে। তিন হাজার টাকা চেয়েছে। না দেওয়ায় ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। পরে ১ হাজার দিতে বাধ্য হয়েছি। একবার এই টেবিলে পাঠায় আরেক বার আরেক টেবিলে পাঠায়। দুনিয়ার সব কাগজ যোগাজ করতে হয়েছে। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর কোনো কাগজ ছুঁয়েও দেখেননি। ঘুষ খাদক ভদ্রলোকের নাম ও মোবাইল নাম্বার আমার কাছে সেভ করা আছে।
file joma dite gesi Ank khon daria thakar pore jokhon counter a file disi bole apnar akta documents nai oita disi tokhon bole oita attested lagbe. pore attested kore nia gesi porer din bole ajke apnar schedule nai reshedule kore nia asen Pore dorbesh dhorlam uni bollo kisui lagbe na Just nid den dilam same lok instant file joma nilo.
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য দ্বীতে অস্বীকার করলে বলে বন্ধ করে দিবো পরবর্তীতে টাকা দিয়েছিলাম