নোয়াখালী জেনারেল হসপিটাল।
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
আমার দলিলে দাগ নাম্বার আর খতিয়ানের দাগ নাম্বার ভুল ছিলো। এটার জন্য আমাকে কমপ্লেইন করতে হবে ভূমি অফিসে। আমি তার জন্য এপ্লিকেশন করছি কিন্তু আমার এই ফাইল টেবিলে টেবিলে সিগনেচার এর জন্য এবং ইনকোয়ারির জন্য পদে পদে ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর ও আমার কাজটা এখনো সমাধান হয়নি। এখনো জুলে আছে।
২০২০ সালে ড্রাইভিং প্রেক্টিকেল এক্সামে পাস করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া লাগে। যদিও আমি ভালো ড্রাইভার ছিলাম।
ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদের জন্য আবেদন করেছিলাম, তো এটির সরকারি ফি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা, আমি সনদ নিতে গিয়েছিলাম এক দিন পর, সনদ নেওয়ার সময় সচিবকে ৫০ টাকা দিচ্ছিলাম যা সরকারি ফি, এটা দেখে ওনি বলছে এখন ৫০ টাকার দাম নাই এ টাকা দিয়ে হবে না ২০০ টাকা দাও না হয় নিও না, তো এটা আমার অনেক দরকার ছিলো তাই এতো বাড়াবাড়ি না করে দিতে হয়ছিলো
আমাদের ঢাকা-১৯, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে যেকোনো কাজের জন্য গেলেই টাকা দিতে হয়। চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর জন্য ১০০ টাকা ও বয়স্ক ভাতার আবেদনের জন্য ২০০ টাকা আজকে দিতে হয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারীদের ব্যবহার অনেক খারাপ মানুষকে মানুষ'ই মনে করে না।
আমি প্রথম এ মিরপুর গেলাম আমার বাইকের নাম পরিবর্তন করার জন্য এরপর আমি সকল কাগজ পত্র কিনে রেডি করে টাকা জমা দিয়ে বাইক চেকিং এর কাজ সেস করে সেই ফাইল নিয়ে গেলাম নির্দেশিত রুমে পরে আমার কাগজ চেক করে দেখে বলল এটা কার মাদ্ধমে করতেছেন আমি বললাম একাই পরে বলল যান এটা বি এস পি করে আনেন দোকানে গেলয়াম করার জন্য বলে ২৫০০ টাকা লাগবে করে দিতে পরে যার কাছে থেকে কাগজ কিনেছি তার কাছে গেলাম সেটাকা নিয়ে বলল ভাই ভিতরে আমাদের লোক আছে তাদের টাকা দেয়া লাগে , আগেই বললাম আমাদের দেন টাকা তাইলেই ত হইয়ে যায় , এই পর্যন্ত ৬ বার বাইক কিনেছি সেম কাহিনী ২ হাজার অতিরিক্ত দেইয়া লাগে ঘুষ , দালালের নাম এক্স মিরপুর বি আর টি এ এর গেটের সামনেই বসে
প্রতিবছর বগুড়া সদর রেলওয়ের কাচারী অফিসে লিজ কৃত ভূমি ও দোকানের লাইসেন্স ফি পরিশোধ করতে হয়। এ বছর আব্বুর অসুস্থতার কারণে আমাকে ফি দিতে যেতে হয়েছিলো এবং বলে দিয়েছিল যে- রেলের কাচারী অফিসের লোক বেশি ঘুষ চাইলেও ৫০০ টাকার বেশি দিবা না। যথারীতি অফিসের লোক বললো যে- ১০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম যে- আপনার উপরের বস জানে এইসব (মুলতঃ রেলের স্টেশন মাস্টারও এসবের ভাগ পায়), ৫০০ টাকাই রাখেন। পরে উনার পাশের সহকর্মী ইশারা দিয়ে বললো যে- ৫০০ই নিয়ে রেখে বিদায় করে দেন।
ভূমি কর্মকর্তা একজনের নিকট রেফার করে সে বলল আমরা এখানে চাকরি করি না আমাদের কিছু দিলে আমরা কাজ করে দেই।
মিউটিশনের জন্য টাকা দাবি করে অন্যথায় মিউটেশন করে দিবে না। বাধ্য হয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেই। দুই দিনেই কাজ করে দিয়েছে। অথচ এই কাজের জন্য দেড় মাস ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করেছি। নন্দীপাড়া ভুমি অফিস শাহজাহান পুর।
জায়গা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নামজারি করার জন্য চাওয়া হয়। টাকার দরকার ছিল... আবার বিভিন্নভাবে ভিতি প্রদর্শন.. এক কথায় অপারগ
আমার এইচএসসি পরীক্ষায় এডমিট কার্ড একটি সাবজেক্ট ভুল এসেছিল আমি সেই ভুল সংশোধন করতে গেছিলাম এবং সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি পিয়ন আমার থেকে দ্রুত কাজের বিনিময় ঘুষ চাই এখানে নাকি ঘুষের টাকা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সব অফিসারই খায়
ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর জন্য গিয়েছিলাম। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স বানিয়ে এখন গাড়ি চালাই।
আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই, আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন যেহেতু অনলাইন আছে তাই আমি ফটোকপি নিয়ে যাই, তারা বলে মেইন কপি লাগবে, আমাকে ফেরত দেয়, আমার পাসপোর্ট এ একটা সামান্য সংশোধনী ছিল যা অনলাইনে আবেদন করার সময় ভুল হয়েছে। আমি হতাশ হয়ে বের হয়ে যাই, বাইরে গিয়ে জানতে পারি এসব ঠিক করে গেলেও তারা আবার নতুন ভুল ধরবে, তারচেয়ে দুইটাতে ৫০০০ টাকা দিলে ভিআইপি রুমে নিয়ে ছবি তুলবে। আমি যেহেতু অফিস থেকে ছুটি নিয়ে গেছি আর বাচ্চাদের সাথে নিয়ে গেছি তাই বাধ্য হয়ে দালাল কে টাকা দেই, টাকা দেয়ার পর দালাল ফোন করে অফিসের এক পিয়ন কে ঢাকে, সে এসে কোন মেইন কপি বা সংশোধনী ছাড়াই আমাকে ভিআইপি রুমে নিয়ে যায় এবং সব কিছু ঐ রুমে বসে ঠিক করে দিয়ে দেয়।এর আগেও আমাকে আমার মেয়ের আর স্ত্রী র পাসপোর্ট করার সময় ৫০০০নিছে
আমার ছোট ভাই এর পাসপোর্ট হিসাবে জন্মনিব্ধন করা হয়েছে এখোন তার বিদেশে পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের আর,এম,পি পাসপোর্ট নতুন করে আর বানাতে পারছেনা নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট বানেতে যাই দেখা গেলো তার জন্মনিব্ধন অনলাইন করা নাই,ইউনিয়ন অফিসে যাই যোগাযোগ করলাম তারা চেক করে দেখলো এই নম্বারে অন্য কারো নামে নিবন্ধন করা আছে তাহলে আমরা যে আগের নিবন্ধন করেছিলাম সেটা ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে দিয়োছিলো,এখোন যখোন বললাম আমাদের পাসপোর্ট দিয়ে নতুন করে একটা করতে বললাম বললো তা করা যাবে না,পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে পস্তাব দেয়, আমরা ও ৫০০০ দিয়ে করতে বাধ্য হই নাহলে সে দেশে আসতে পারবে না।
রাজউক আমার বাড়ির কাজের অনুমোদন আটকে দেয় কোনো কারণ ছাড়াই। এরপর তাদের একজন ইঞ্জিনিয়ার বিশ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাদের বাড়ির কাজের অনুমোদন দেয়। এরপর বাড়ির কাজ চলাকালীন সময়ে রাজউক এর এলাকা পরিদর্শন কারি ইঞ্জিনিয়ার ও ধাপে ধাপে ২-৪ লাখ করে চাঁদা দাবি করে এবং তা পরিশোধ না করলে বাড়ির কাজে বাঁধা দেয়। এইভাবে আমাদের অনেক অর্থের লোকসান ঘটায়।
৫৭৫০ টাকা সরকারি ফ্রি পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট বানাতে গেলে তারা যে কোনভাবে ফাইল আমার সাথে যারা ছিল তারা নিজের নিজের ট্রাই করছিল কিন্তু তারা বাট অনেক জায়গায় ঘুরছে তারপর পাইলে এখান থেকে ওইখানে ওইখান থেকে এখানে তাদের এই পরিস্থিতি দেখে আমি কন্টাক্ট করলাম দালালের সাথে উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল কন্টাকের সাথে সাথে প্রথম দিনই টাকা পরিশোধ করার সাথে সাথেই ফিঙ্গার আর আমার পিছনে যারা নিজেরে যেটা ট্রাই করছিল তারা আজকে ১১ দিন যাব ফাইল নিয়ে ঘুরতাছে তাও ফিঙ্গার দিতে পারে নাই পরবর্তীতে আজ সাথে কথা বলায় দেয়ার পর বাড়তি ২০০০ করে টাকা চেয়েছে টাকা দিয়ে মাত্র ফিঙ্গার দিতে পারছো আজকে
জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো
জমির নামজারি বা মিউটেশন করার জন্য মোট চার বার অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। কোন অবস্থাতেই তারা ঘুষ ছাড়া করে দিবে না। প্রত্যেকটা ফাইলে তাদের গোপন চিহ্ন থাকে যদি ওটা কোন দালালের মাধ্যমে অথবা তাদের কোন লোকের মাধ্যমে আসে তাহলে ওটা সাথে সাথে করে দিব অর্থাৎ ওই টাকাটা ওনারা পেয়ে গেছে হিসেবে। হঠাৎ করে ভাগ বাটোয়ারা হবে। আর যদি কোন ফাইলে চিহ্ন না থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাতে তারা এটাকে বাদ করে দিবে। আমারটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো আগের মিউটেশন এর কাগজ দেখে বলতেছে এটা জাল সিগনেচার। টাকা দেওয়ার পরে একই মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কাজ হয়েছে। টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করানো সম্ভব না ।অনেক চেষ্টা করেছি। হয় নি।