নামজারি
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৭ হাজার টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য।
ময়মনসিংহে পাসপোর্ট করার অন্য নিয়ম চালু আছে। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে ২৯/৩০ টা দোকান আছে, কম্পিউটারের এই সবদোকানেই সকল কাজ হয় এবং তাদের ভেতরের অফিসারদের সাথে হাত করা আছে। সকল দেকানের আলাদা আলাদা সংকেত আছে। অফিসাররা ঐ সংকেত দেখেই কাজ করে, সংকেত থাকলে কাগজে ভুল থাকলেও তা পাস হয়ে যায়, আর সংকেত না থাকলে এই টেবিল ঐ টেবিল করতে হয়। টাকা বেশি দিলে সাধারণ পাসপোর্ট ও ৪/৫ দিনে পাওয়া যায়। এটা নিয়ম হয়ে গেছে, তাই ইচ্ছা না থাকা সত্তেও টাকা সরকারি ফি এর থেকে বেশি দিতে হয়েছে। প্রথম বার আমার পাসপোর্ট এর কিছু তথ্য ভুল থাকে যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল , কিন্তু কাগজে সংকেত থাকার কারণে ঐ ভুল তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায়। পরে যখন ঠিক করতে আবেদন করি আমি আর টাকা দেই নাই, তাই আমার পাসপোর্ট ৩দিন বেশি আটতে রাখে শেষে আরও ১০০০ দেই।
বলে অনেক কষ্ট হয়েছে বোঝো তো।
মালিকানা পরিবর্তন গিয়ে ৫ ঘন্টায় এত তথ্য চাওয়া হয়েছিলো যাতে করে মাঝপথে আটকে যাই কিন্তু দালাল ধরে টাকা দেওয়ার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে যায়
ভুমি রেকর্ডের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে বসুরহাট ভুমি অফিস,, আমাদের যৌথ এবং একক মালিকানা মিলে প্রায় ৩৫ টি পর্চা মাঠ থেকে শেষ পর্যন্ত ৬০০০০০ লক্ষ টাকার অধিক খরচ হয়েছে,,,,
গুনে গুনে ঘুষের টাকা নিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।
টাকা না দিলে আমার কোন কাজ করেনা আমার সাথে কথা ও বলে না, আজকে আসেন কালকে আসেন না হয় পরশু কাজ আর হয় না।টাকা দেওয়া মাত্রই কাজ হয়ে যায়
পেশকার মামলা তুলে নিতে দাখিলি দরখাস্ত জমা নিতে দাবী করেন
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না
সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনিম্ন মূল্য ৪১৩৭ টাকা প্রতি বছর, এই সর্ব নিম্ন ট্যাক্সটির জন্য ওনারা সব কাগজ পত্র আপিল সহ রেডি করে দিবেন, তাই প্রতি ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ না দিলে ওনারা বেশি এমাউন্ট এর ট্যাক্স ধরবেন।
আমি বিদেশ যাওয়া উদ্দেশ্য অনলাইনে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন পর্ম পুরন করি, তার পর সে কপি নিয়ে পাসপোর্ট করতে নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, তার আমান ফর্ম টি দেখে বলতো পেশায় ভুল আছে আমি পেশা ছাত্র দিয়েছে তাই তারা বল্লো ছাত্র বসানো যাবে না পাইভেট কোম্পানি চাকরি দিতে হবে, এবং বল্লো এইটি গ্রহণ করা হবে না তারা আমাকে পিরিয়ে দিলো আমি বেড় হয়ে যাচ্ছি গেটেই একটা লোক আমাকে এসে বরে সে বলে দেয় আপনার সমস্যাটি আমি সমাধান করে দিবো, ২০০০ টাকা লাগবে সে আমার সমস্যাটি জানেও না দেখেও নাই কিন্তু সে জানে কি সমস্যা হয়েছে আমার মনে হচ্ছে আমি বেড় হওয়ার আগেই কর্মকর্তা সেই লোক কে জানিয়ে দিয়েছে আমাকে ধরার জন্য আমার সমস্যা সমাধান করার জন্য, তার পর আমি ২০০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং সাথে সাথে সেই লোকটাই আমার ফর্ম এপ্রুভ করে দেয়।
এটা ছিল একটা জেনারেল ডায়েরি করার জন্য আমরা থানায় গিয়েছিলাম বিষয়টা ছিল একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার জন্য জিডি করা সেই জিডিটা কোনভাবেই থানার কোন পুলিশ নিচ্ছিল না। এক্ষেত্রে চাঁদা বাবত এক লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে জেনারেল ডায়েরি করিয়েছি বাকি টাকাও পরিশোধ করবো এই শর্তে।
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
পর্যায়ক্রমে তিন টি জমি ক্রয় করার পর মিউটেশনের জন্য আবেদন করার পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার কাগজ পত্র যাওয়ার পরে ইউনিয়ন ভূমি সরকারি কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে সেই মোতাবেক ঘুষ প্রদান না করলে আমার কাজটা হবে না বিদায় আমি তিনবার তিন হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করি বাধ্য হয়ে
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দরকার ছিল। বিভিন্ন কাগজপত্রের বাহানায় ২ দিন ঘুরানো হয়েছে। তারপর আমার থেকে সরাসরি ২০০০ টাকা দাবি করেছে জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত একজন কর্মচারী। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। টাকা দেওয়ার পরে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়েছে।
আমার রিলেটিভ ওর সুনিধার্থে ওর পছন্দনীয় জেলায় ট্রান্সফার নিতে হেডঅফিসে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার বাবা গত ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে ১৫ তারিখ আখিরাত এর বাসিন্দা হয়ে যায়, আল্লাহ তাকে জন্নাত বাসী করুন আমিন। আমি তার ছেলে ওয়ারিশ হিসাবে, আব্বার রেখে যাওয়া সম্পদ সকল ওয়ারিশ এর নামে নাম জারি প্রয়োজন মনে করে স্থানী একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ নাম জারি আবেদন করতে যায়। তারা এই কাজ সঠিক ভাবে করিয়ে দিতে চায়, তবে অতিক্রম অর্থ দাবি করে। “তারপর নামজারি ১১৭০ টাকার কথা বললে তারা বলে, ঠিক আছে আবেদন করে দিচ্ছি, এর পর সকল কাজ আপনি নিজে থেকে করে নিয়েন। বিষয়টি সমস্যা দেখে আমার খালু (পূর্বে অভিজ্ঞতা) থেকে তাদের কিছু টাকা দিয়ে কাজ টি করিয়ে নিতে বলে। এর পর বিভিন্ন কিছু বুঝার পর তাদের হতে টাকা দিয়ে কাজটা করিয়ে নেই। #এগুলো প্রথম অভিজ্ঞতা ছিলো, তাই বেশ অবাক হয়েছি।
২০২৫ সালে ঢাকা মিরপুর বি,আর,টি,এ, তে গারির ফিটনেস করাতে যাই। বি,আর,টি,এ, এর গেট এ ঢোকার আগ পর্যন্ত আমার গারির হেড লাইট ১০০% ঠিক ছিল। যেই রাম্প এ ওঠাল, আমার গারির হেড লাইট ফিউস হয়ে যায়। আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে ফিরনেস দিতে। এটি একটি সিন্ডিকেট যার সাথে অফিস কর্মকর্তারাও জড়িত। আপনি একজন অসহায় সেবাপ্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক।