জমির নামজারী করা
জমি ক্রয়ের পর নামজারী আবেদন করেছিলাম নিজেই অনলাইনে, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে ভূমি কর্মকর্তা বলে যে, কন্টাকে না আসলে নামজারী হবে না, বাতিল করা হবে। ১৫,০০০ টাকায় কন্টাক করি এবং নামজারীও হয়ে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি ক্রয়ের পর নামজারী আবেদন করেছিলাম নিজেই অনলাইনে, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে ভূমি কর্মকর্তা বলে যে, কন্টাকে না আসলে নামজারী হবে না, বাতিল করা হবে। ১৫,০০০ টাকায় কন্টাক করি এবং নামজারীও হয়ে যায়।
আমার মরহুম বাবার পেনশনের টাকার জন্য বিগত ১৪ মাস হিসাব রক্ষণ অফিস,রামু আমাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন হয়রানী করেছে৷
সার্টিফিকেট এর সাথে মায়ের নামের বানান গরমিল ছিল। ২বার সংশোধনী আবেদন রিজেক্ট হলে ঘুষ দিয়ে কাজটি করিয়ে নিই।
জমির নামজারি করে দিবে
সরকারি চাকরিতে পে ফিক্সেশন এর জন্য (প্রথম বেতনের সময়), বদলির সময় চাকরির বিবরণী উত্তোলন, প্রান্তে বিনোদন ২০০০ টাকা, এডভান্স ইনক্রিমেন্ট ৩০০০ টাকা। এছাড়া যে কোন কাজ করতে গেলেই ওখানে টাকা লাগে। টাকার অংক সাত বছরের চাকরি জীবনে মোট প্রদেয় অর্থ।
serial e taratari dibe bole tk nise
আমি অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র খুব একটা ভালো ছাত্র নয় পরিবরেরর আর্থিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। অনেক চেষ্টা করার পরেও একটা চাকুরি পাইনি তাই বিদেশ যেতে ইচ্ছুক। কিন্তু আমার ভোটার আইডি কার্ডে আমার বাবার নাম ভুল থাকার কারনে আমার পাসপোর্ট হবে না বলে তারা জানায়। কিন্তু বের হওয়ার সময় দায়িত্ব থাকা কালীন দারোয়ান আমাকে বলে ১০০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করে দিবে। এর পরে তার কথা মতো ঐ অফিসারের সাথে কথা বলার পরে সে আমাকে ১০০০০ টাকা নিয়ে কালকে যেতে বলে।
মৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার টাকা তুলতে ধাপে ধাপে টাকা প্রদান করতে হবে বলে জানিয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে এক্সাম দেই। বারবার ফেইল করায় দিচ্ছিলো, পরে বুঝলাম দালাল & মার্কা (একটা সিল দালালদের) ছাড়া পাশ করা জাস্ট ইম্পসিবল। এরপর বাধ্য হয়ে দালাল দিয়েই করাই। এরপর এক্সামের সময় সব এক্সাম ফেইল করি ইচ্ছাকৃত, কিন্তু তবুও লাইসেন্স হয়েছে। this is the power of ghush 😂
আদম ইপিজেডে একটা কোম্পানির ফায়ার লাইসেন্স রিনিউয়াল করার জন্য ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর ৩০ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা না দিলে রিনিউয়াল করে দেন না। কোম্পানিগুলোতে নিয়মিত অডিট হয় এবং এই লাইসেন্স গুলো মেয়াদোত্তীর্ণ পেলে অডিটোর ফাইন্ডিংস দেয় এবং ফাইন্ডিংস এর কারণে কোম্পানিতে অর্ডার কমে যায় তাই এই কোম্পানি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে থাকে। এটা প্রত্যেকটা কারখানার লোকই দিতে হয়। ইনভারমেন্ট ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মিনিমাম ৫০০০০ হাজর টাকা ঘুস দিতে হয়। আর যদি সামান্য কোন প্রবলেম পায় তাহলে এটার পরিমাণ এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে রেনুয়াল করতে হয় না হলে বিভিন্ন অডিটে ফাইন্ডিংস দিবে এবং অর্ডার কমে যাব।
I needed my dope test report for applying driving licence. And someone from the authority said to give extra 300 for the test report.
টিন সাটিফিকেট নবায়ন করতে দিয়েছি, সারকারী চালান ফি ৩০০০ টাকা কর কর্মকরতা আমার টিন তৈরি করতে নিয়েছে আলাদা ৩০০০ টাকা বলছে উনার খরছের টাকা মানে ঘুষ, আমি দিয়ে দিয়ে আসছি বিগত ১৫ বছর যাবত
নিজে আবেদন করেছিলাম,আমার থানা জোরারগঞ্জ,তবে বিদ্যুৎ অফিস মীরসরাইয়ে,ফাইল জমা দেয়ার সময় ফাইল নেয় নি,বলল আমার থানা নাকি মীরসরাই হবে। বের হয়ে একটু যাবার পরে একজন লোক বললো ভিতরে তার লোক আছে ফাইল জমা নিবে তবে ২৫০০ টাকা লাগবে। কি করার ২৩০০ টাকায় রাজি করালাম😅
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফেইল দেওয়া হয় আমাকে। বি আর টি এ কর্মচারী ৩০০০ টাকা দাবি করে। তাকে টাকা দেয়ার পর পাশ করানো হয় আমাকে।
Driving License korar somoy iccha kore fail koriye dey. Tarpor bike + car soho 10800 tk diye driving license kori.
আমাদের যে কোন একটি তদন্ত সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বভার পড়ে পিবিআই (উত্তরা) এর উপর। তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রথমদিন আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দেখা করি। তাকে আসার আগে একটি খাম দেই। তিনি খামটি রেখে দেন। খামে ২০০০ টাকা দেই স্বেচ্ছায়। খাম দিয়ে নিচে আসার পর তিনি ফোন দিয়ে উপরে যেতে বলেন এবং টাকা নিয়ে যেতে বলেন। প্রথমে তিনি খামটা নেন, পরে এমাউন্ট পছন্দ না হওয়ায় রাগ করেন। পরে আরো টাকা একটু জোর করেই দিয়ে আসি যেনো আমাদের তদন্ত ঠিকঠাক ভাবে করে। যা হোক এভাবে ধাপে ধাপে মোট ২০০০০ দেয়া হয়। যদিও লাভ হয় নি।।। হয়তো প্রতিপক্ষ হতে আরো বেশি পেয়েছে।
এই টেবিল সেই টেবিল পাঠাতে পাঠাতে ক্লান্ত। ঘুষ না দিয়ে কোনো ভাবেই পাসপোর্ট করাতে পারলাম না। ঘুষ দিলাম তো সব কাজ করে দিলো মুহূর্তের মধ্যে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহি:বিভাগে আমার মা কে ডাক্তার দেখাতে যেয়ে দেখলাম লম্বা লাইন। লাইন সামনে আগায় না৷ পরে টিকিট কাউন্টারে যেয়ে বলায় উনি বললেন ৫০০ দিন। ডাক্তার দেখাই৷ পরে ৫০০ দেয়ার পর উনি আমাদের পিছনের দরজা দিয়ে ডাক্তার দেখান। সেখানে বের হয়ে আসার সময় আবার ডাক্তারের সহকারী ২০০ টাকা চেয়ে নিয়ে নিল নাহলে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিল না৷
আমার দুঃসম্পর্কের এক ভাইয়ের শাশুড়ির জরায়ু টিউমার ,তো তার বেড পড়েছে 4তলায় আর উনি বয়স্ক তাই বেশি হাঁটতে পারেন না,জরায়ু টিউমার গুরুতর অবস্থায় পৌঁছানোর পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে শুধু 4তলায় নিয়ে যাইতে ট্রলি ভাড়া 200আবার নিচ তলায় প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য নিয়া আশা 200টাকা,এখন এইসব ট্রলি সরকারি হওয়া সত্ত্বেও ট্রলি গুলা দখল করে আছে যুগের পর যুগ কারো কোনো হস্তক্ষেপ নেই,একটা দরিদ্র পরিবার যার এক দিনের দিনমজুরি 400 থেকে 500টাকা তাকে শুধু এই ট্রলির কাছেই মাথানত করে 400টাকা দিতে হচ্ছে,এই সিস্টেম কি আদৌ পরিবর্তন হবে,এ কোন দেশে বসবাস করি,মাদারবোর্ড বড়লোক এমপি মন্ত্রী ra তো কখনও এমন সরকারি হাসপাতালে সেবা নেয় না,নিলে বুঝত কেমন হয়রানির শিকার সাধারণ পাবলিক।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ২১০০ টাকা করে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে দিয়েছিল