Tin Certificates
টিন সাটিফিকেট নবায়ন করতে দিয়েছি, সারকারী চালান ফি ৩০০০ টাকা কর কর্মকরতা আমার টিন তৈরি করতে নিয়েছে আলাদা ৩০০০ টাকা বলছে উনার খরছের টাকা মানে ঘুষ, আমি দিয়ে দিয়ে আসছি বিগত ১৫ বছর যাবত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টিন সাটিফিকেট নবায়ন করতে দিয়েছি, সারকারী চালান ফি ৩০০০ টাকা কর কর্মকরতা আমার টিন তৈরি করতে নিয়েছে আলাদা ৩০০০ টাকা বলছে উনার খরছের টাকা মানে ঘুষ, আমি দিয়ে দিয়ে আসছি বিগত ১৫ বছর যাবত
নিজে আবেদন করেছিলাম,আমার থানা জোরারগঞ্জ,তবে বিদ্যুৎ অফিস মীরসরাইয়ে,ফাইল জমা দেয়ার সময় ফাইল নেয় নি,বলল আমার থানা নাকি মীরসরাই হবে। বের হয়ে একটু যাবার পরে একজন লোক বললো ভিতরে তার লোক আছে ফাইল জমা নিবে তবে ২৫০০ টাকা লাগবে। কি করার ২৩০০ টাকায় রাজি করালাম😅
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফেইল দেওয়া হয় আমাকে। বি আর টি এ কর্মচারী ৩০০০ টাকা দাবি করে। তাকে টাকা দেয়ার পর পাশ করানো হয় আমাকে।
Driving License korar somoy iccha kore fail koriye dey. Tarpor bike + car soho 10800 tk diye driving license kori.
আমাদের যে কোন একটি তদন্ত সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বভার পড়ে পিবিআই (উত্তরা) এর উপর। তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রথমদিন আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দেখা করি। তাকে আসার আগে একটি খাম দেই। তিনি খামটি রেখে দেন। খামে ২০০০ টাকা দেই স্বেচ্ছায়। খাম দিয়ে নিচে আসার পর তিনি ফোন দিয়ে উপরে যেতে বলেন এবং টাকা নিয়ে যেতে বলেন। প্রথমে তিনি খামটা নেন, পরে এমাউন্ট পছন্দ না হওয়ায় রাগ করেন। পরে আরো টাকা একটু জোর করেই দিয়ে আসি যেনো আমাদের তদন্ত ঠিকঠাক ভাবে করে। যা হোক এভাবে ধাপে ধাপে মোট ২০০০০ দেয়া হয়। যদিও লাভ হয় নি।।। হয়তো প্রতিপক্ষ হতে আরো বেশি পেয়েছে।
এই টেবিল সেই টেবিল পাঠাতে পাঠাতে ক্লান্ত। ঘুষ না দিয়ে কোনো ভাবেই পাসপোর্ট করাতে পারলাম না। ঘুষ দিলাম তো সব কাজ করে দিলো মুহূর্তের মধ্যে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহি:বিভাগে আমার মা কে ডাক্তার দেখাতে যেয়ে দেখলাম লম্বা লাইন। লাইন সামনে আগায় না৷ পরে টিকিট কাউন্টারে যেয়ে বলায় উনি বললেন ৫০০ দিন। ডাক্তার দেখাই৷ পরে ৫০০ দেয়ার পর উনি আমাদের পিছনের দরজা দিয়ে ডাক্তার দেখান। সেখানে বের হয়ে আসার সময় আবার ডাক্তারের সহকারী ২০০ টাকা চেয়ে নিয়ে নিল নাহলে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিল না৷
আমার দুঃসম্পর্কের এক ভাইয়ের শাশুড়ির জরায়ু টিউমার ,তো তার বেড পড়েছে 4তলায় আর উনি বয়স্ক তাই বেশি হাঁটতে পারেন না,জরায়ু টিউমার গুরুতর অবস্থায় পৌঁছানোর পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে শুধু 4তলায় নিয়ে যাইতে ট্রলি ভাড়া 200আবার নিচ তলায় প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য নিয়া আশা 200টাকা,এখন এইসব ট্রলি সরকারি হওয়া সত্ত্বেও ট্রলি গুলা দখল করে আছে যুগের পর যুগ কারো কোনো হস্তক্ষেপ নেই,একটা দরিদ্র পরিবার যার এক দিনের দিনমজুরি 400 থেকে 500টাকা তাকে শুধু এই ট্রলির কাছেই মাথানত করে 400টাকা দিতে হচ্ছে,এই সিস্টেম কি আদৌ পরিবর্তন হবে,এ কোন দেশে বসবাস করি,মাদারবোর্ড বড়লোক এমপি মন্ত্রী ra তো কখনও এমন সরকারি হাসপাতালে সেবা নেয় না,নিলে বুঝত কেমন হয়রানির শিকার সাধারণ পাবলিক।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ২১০০ টাকা করে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে দিয়েছিল
প্রথমে নকশা অনুমোদন দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অযুহাতে কাজ বন্ধ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়। যদিও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী বিল্ডিং করা হচ্ছিল ।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম কিন্তু ওখানে দালাল ছাড়া কিছুই হয় না যখন আমি নিজের হাতে সবকিছু করে জমা দিলাম তখন তার একটা দোষ খুঁজে বের করলো এবং বলল এটা নিয়ে আসো হবে না এবং আমার কাগজটা ছুরে ফেলে দিল তিন দিন গিয়ে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার কাজটা করতে হয়েছে আমাদের বাড়ি থেকে যেতে প্রতিদিন ৪০০ টাকা খরচ হইত যাতায়াত ভাড়া কি করবো আমরা বাঙালি তাই তাদের সাথে আপোষ করে কাজ করে আনছি কিছুই করার নেই আমাদের
জমি ক্রয়ের পরে নামজারির জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম সেই আবেদনের কোনো আপডেট দেয়নি। এরপর ভূমি অফিসে যেয়ে যোগাযোগ করলে আমাকে জানানো হয় এভাবে আবেদন করলে তারা সেটা আমলে নেয় না। এরপর জমির খাজানা বাদেও অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে। কাজটি জরূরী এবং ঘুষ ছাড়া অন্য কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে সেই টাকা দেয়ার পরে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আমার কাজটি হয়ে যায়।
জমির জামজারি করতে টাকা চেয়েছিলেন
পাসপোর্ট নবায়ন, সিরিয়াল থেকে অজুহাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে টাকা দিলে কাজটি সম্মানের সাথে করে দেয় অতিরিক্ত 2000 টাকা নিয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট আবেদন ছিল আমার মায়ের জন্য। আবেদনটি আমি নিজেই করি। মা এবং বোন পাসপোর্ট অফিসে যেদিন যায় আমি ঢাকায় ছিলাম। আবেদনটি করি আমার বাবার মৃত্যুর ৩-৪ সপ্তাহ পর। আবেদন করার সময় আমি হাজবেন্ড অপশনে Widow কোন সিস্টেম দেখি নাই। যেদিন কাগজপত্র জমা দিতে গেল, সব কাগজ ঠিক আছে। যিনি কাগজ জমা নিচ্ছেন, ওনি আম্মুকে জিজ্ঞেস করে আপনার স্বামী কী করেন। আম্মু সরল মনে বললেন ওনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছেন। ওনি এই সুযোগে বলেন তাহলে হবে না। আপনার এখানে Widow নেই। আবার আবেদন করে আসেন। অথচ Widow কোন অপশন ছিল না। তাদের প্রসেসই এমন, কোন না কোন ভুল ধরে কম্পিউটার দোকানে পাঠাবে তারপর তাদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে। সংশোধনের জন্য একটা দোকানে গেল, তারা বললো ২০০০ দিলে হয়ে যাবে। টাকা দিল, তারা অফিসে আসলো কাজ শেষ।
চাকুরীর যোগদান পত্রের সাথে মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এটাকে বলা যায় সিভিল সার্জন এর প্রত্যয়ন পত্র। এই প্রত্যয়ন পত্র আনতে গিয়ে সিভিল সার্জন অফিসারের সহকারীকে পাঁচশত টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
সময় ২০২১, করোনা এর জন্য আবেদন ধীর গতি। ৪-৫ দিন গিয়েছি কোন লাভ হয় না। এর পর একদিন হঠাৎ একজন রাস্তায় আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলে ওরা কিছু একটা করতে পারবে। দরদাম করলাম এবং ৩০০০ দিলাম। কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে একটা পুলিশ এসে নিয়ে গেলো। পুলিশ এক কোনায় নিয়ে আরও ১০০০ টাকা দাবি করে আমার কাছে সর্বশেষ ৫০০ টাকা ছিলো তাই দিয়ে দিলাম। এর পর ১০ মিনিটের মধ্যে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে আবেদন জমা নিলো। একদম কোন ভিড় ই ছিলো না, তাও জমা নিচ্ছে না ঘুষ ছাড়া। বাইরের দালাল দের আমরা মাঝে মধ্যে গলি দেই, কিন্তু আসল হাত ভিতরের কর্মকর্তা দের।
দলিল রেকর্ড করেতে দিছিলাম তখন তসিলদার সরকারি ফি ছাড়াও ৩০০০হাজার টাকা বেশি নিয়েছে
হিসাব রক্ষণ অফিসে ৫% কমিশন ছাড়া কোনো বিল ছাড়ে না।
No one can't even get a valid driving licence from here without paying to the local brokers, even after passing all the tests.