মিউটেশন
ই নামজারী আবেদনের রিপোর্ট করাতে ৫০০ টাকা দাবি করা হলো না দিলে তারা রিপোর্ট করাবে না অথচ আমরা ক্যানসার রুগির চিকিৎসার জন্য নামজারি করতে এসেছিলাম। শেষমেশ টাকা দেওয়ার পরই খসড়া রিপোর্ট বানিয়ে দিলো নায়েব সাহেব।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ই নামজারী আবেদনের রিপোর্ট করাতে ৫০০ টাকা দাবি করা হলো না দিলে তারা রিপোর্ট করাবে না অথচ আমরা ক্যানসার রুগির চিকিৎসার জন্য নামজারি করতে এসেছিলাম। শেষমেশ টাকা দেওয়ার পরই খসড়া রিপোর্ট বানিয়ে দিলো নায়েব সাহেব।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফেইল দেওয়া হয় আমাকে। বি আর টি এ কর্মচারী ৩০০০ টাকা দাবি করে। তাকে টাকা দেয়ার পর পাশ করানো হয় আমাকে।
নিজে আবেদন করেছিলাম,আমার থানা জোরারগঞ্জ,তবে বিদ্যুৎ অফিস মীরসরাইয়ে,ফাইল জমা দেয়ার সময় ফাইল নেয় নি,বলল আমার থানা নাকি মীরসরাই হবে। বের হয়ে একটু যাবার পরে একজন লোক বললো ভিতরে তার লোক আছে ফাইল জমা নিবে তবে ২৫০০ টাকা লাগবে। কি করার ২৩০০ টাকায় রাজি করালাম😅
টিন সাটিফিকেট নবায়ন করতে দিয়েছি, সারকারী চালান ফি ৩০০০ টাকা কর কর্মকরতা আমার টিন তৈরি করতে নিয়েছে আলাদা ৩০০০ টাকা বলছে উনার খরছের টাকা মানে ঘুষ, আমি দিয়ে দিয়ে আসছি বিগত ১৫ বছর যাবত
I needed my dope test report for applying driving licence. And someone from the authority said to give extra 300 for the test report.
আদম ইপিজেডে একটা কোম্পানির ফায়ার লাইসেন্স রিনিউয়াল করার জন্য ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর ৩০ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা না দিলে রিনিউয়াল করে দেন না। কোম্পানিগুলোতে নিয়মিত অডিট হয় এবং এই লাইসেন্স গুলো মেয়াদোত্তীর্ণ পেলে অডিটোর ফাইন্ডিংস দেয় এবং ফাইন্ডিংস এর কারণে কোম্পানিতে অর্ডার কমে যায় তাই এই কোম্পানি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে থাকে। এটা প্রত্যেকটা কারখানার লোকই দিতে হয়। ইনভারমেন্ট ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মিনিমাম ৫০০০০ হাজর টাকা ঘুস দিতে হয়। আর যদি সামান্য কোন প্রবলেম পায় তাহলে এটার পরিমাণ এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে রেনুয়াল করতে হয় না হলে বিভিন্ন অডিটে ফাইন্ডিংস দিবে এবং অর্ডার কমে যাব।
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে এক্সাম দেই। বারবার ফেইল করায় দিচ্ছিলো, পরে বুঝলাম দালাল & মার্কা (একটা সিল দালালদের) ছাড়া পাশ করা জাস্ট ইম্পসিবল। এরপর বাধ্য হয়ে দালাল দিয়েই করাই। এরপর এক্সামের সময় সব এক্সাম ফেইল করি ইচ্ছাকৃত, কিন্তু তবুও লাইসেন্স হয়েছে। this is the power of ghush 😂
মৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার টাকা তুলতে ধাপে ধাপে টাকা প্রদান করতে হবে বলে জানিয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।
নিউ পাসপোর্ট করার জন্য ১৪০০ টাকা না দিলে approve হবে না।
আমার মামা প্রবাসী।দীর্ঘদিন প্রবাস থেকে দেশে ফেরেছেন। উনার জাতীয় পরিচয় পত্র ছিল না। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যাই। উনারা নানা বাহানায় জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে কাল বিলম্ব করেন। এবং সার্ভার সমস্যা,নতুন আইডি কার্ড এখন হবে না ইত্যাদি বলেন। আমরা বারবার অনুরোধ করার পরে উনাদের একজন কর্মচারী ৩০০০ টাকা দিতে বলেন। এবং ২৪ ঘন্টায় জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে দিবেন এই আস্বাস দেন। আমরা বাধ্য হয়ে টাকা দেই এবং জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে সক্ষম হই।
তারা সরাসরি বলে যে চা পানি খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান
উপজেলা বাস্তবায়ন কর্তকর্তার কাছে বিল তুলতে গেলে মোট ভিলের ৯-১০% ঘুষ না দিলে স্বাক্ষর করেনা। সহকারী ইঞ্জিনিয়ার, অফিস সহকারী, পিয়ন সবাইকে টাকা দিতে হবে নাহলে কোন ডকুমেন্টস সামনে আগাবেনা। ইউএনও অফিসে কোন চিঠি নিয়ে গেলে নিচে ফ্রন্ট ডেস্কে জমা দিয়ে নিশ্চিত থাকতে চাইলে সেই অফিসের কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হবে নাহলে চিঠি ইউএনও পর্যন্ত পৌঁছাবেনা। এই পর্যন্ত আমি ৮ প্রজেক্টের জন্য মোট ১৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি তবুও তাদের মন ভরেনা।
জমির নামজারি জন্য| আমি যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছিলাম তার ভাই আমার অংশ হতে ৪ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে নামজারি করে নিয়ে যায়| আমি বিদেশ থাকি বিদায় আমার ভাই কে ভূমি অফিসে পাঠিয়ে যোগাযোগ করি| প্রথম দিন কাগজ দেখে বলেছে আমার ৬ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মধ্যে আমি ২ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মালিক| পরে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে নেগুচিয়েশন করে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নামজারি করে দেয়| তাও ১৫/২০ তাদের পিছনে ঘুরতে হয়েছিল|
মোহাম্মদপুর বসিলা পাসপোর্ট অফিসে রমরমা ঘুশের ব্যবসা চলছে ভিতোরে দালালদের অবস্থান এমন জেনো তারা অইখানে চাকুরি করে, কেউ দালাল ছাড়া গেলে অফিসার তার ফিংগার নেয় না নানান বাহানা দিয়ে, একজন ড্রাইভার কাছেও চাকুরির সনদ চায়।
সব কাগজপত্র নিজেরা রেডি করে অফিসে জমা দেওয়ার সময় জন প্রতি ২০০০ করে টাকা দাবি করে, টাকা না দেওয়া হলে প্রসেসিং আটকে থাকে, পরে জনপ্রতি ১০০০ করে টাকা দেওয়া হলে বেতন চালু হয়, পরবর্তীতে কাগজের কপি নিতে গেলে আবার ৫০০ টাকা দিয়ে কপি নেওয়া হয়।
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
আমার পরিবারের সবার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়েছিলাম মোট ৭জন। আমাদের ৪ জনের টা সরাসরি কোনো সমস্যা ছাড়া হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের বউ এবং তার ২ ছেলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও হয়রানি করা হয়েছে । তারপর আমরা বাহিরে কম্পিউটার দোকান থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ৩ টা ফাইলে একটা তাদের গোপন কোড বসানোর পর আবার অফিসে যাওয়ার পর তারা ফাইল গুলো রিসিভ করছে । যা একটা সিন্ডিকেট ব্যবসা। আমি চাই আপনার এই সাইটের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার সকল ভূমি অফিসে অকল্পনীয় দূর্নীতি হয়। আমি জমি খতিয়ান মানে খারিজ করতে গেলে ৯০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি নিজেই আবেদন করি, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ভূমি অফিস তা বাতিল করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
নাম খারিজ করতে গিয়ে এই টাকাটা দিতে হয়েছিল।
2025 সালে সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলনের সময় কারখানাগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন পড়ে, তৎকালীন পুলিশ সুপার প্রতিটি ফ্যাক্টরি হতে 2 লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ মোতায়েন করেন।