পৌরসভা কর্তৃক বিল্ডিং এর ড্রাফট প্ল্যান অনুমোদন
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের জন্য নোয়াখালী পৌরসভায় টেবিল খরচের নামে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের জন্য নোয়াখালী পৌরসভায় টেবিল খরচের নামে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় নোয়াখালীর সেনবাগে মিটিং আয়োজনের খরচের নামে ঘুষ দিতে হয়েছে।
Serial pete 1 mas somoy lagbe bolcilo Pore 500 taka dile kalke serial paowa jabe bolcilo
আমার মামলার তদন্তের জন্য জাজ সি আই ডি কে দায়িত্ব দেয়। আর সেই রিপোর্ট করতে অফিসার ফরেনসিক এর জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছে
আমার মেয়ের জন্ম সনদের তথ্য ভুল ছিল। সেটা সঠিক করার জন্য আবেদন করি। সচিব আমাকে বললো ১০০ টাকা দিতে। আমি জানি যে ফি হলো ৫০ টাকা। কিন্তু আমি তার ভাবভঙ্গি, আচরণ, ব্যবহার দেখে বুঝলাম আমি যদি তাকে ১০০ টাকা না দেই, সে আমাকে প্রচণ্ড হয়রানি করাবে। আমি একেবারে অসহায় হয়ে গেলাম এবং বিনা বাক্যে ১০০ টাকা দিয়ে দিলাম। সে আমাকে কোন receipt দেয় নি। এইভাবে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
আমার বাবা ২০১৮ সালে মারা যান। তখনও বাবার সম্পদগুলো ছেলেদের নামে বণ্টন করা হয়নি, তাই বাবার পক্ষ হয়ে আরও কয়েক বছর ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। এর মধ্যে ২০২২ সালে আমাদের ফাইল কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই অডিটে ফেলা হয়। পরে আমাদের বলা হয়, কোনো ফাইল অডিটে পড়লে নাকি অডিট রিপোর্টে অতিরিক্ত টাকা দেখাতেই হয়। কারণ, বাড়তি টাকা না দেখালে কর্মকর্তাদের কাছে প্রশ্ন ওঠে—“এই ফাইল অডিটে পড়ল কেন?” এই নিয়মের কারণে অনেক সময় কোনো ধরনের অনিয়ম না থাকলেও ফাইল নিয়ে হয়রানি করা হয়, নানা কাগজপত্র চাওয়া হয়, অতিরিক্ত কর ও জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে এবং কম জরিমানা দেওয়ার আশায় মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, যার নামে এই আয় ও সম্পদ—তিনি ২০১৮ সালেই মারা গেছেন। তারপরও ২০
একটা মামলার আসামীর ফরোয়ার্ডিং এর ফটোকপি নিতে দিতে হয়েছে
দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করাইতে গেছিলাম। প্রথম দিন জমা দিতে গেলে বলে সার্টিফিকেট নাই।২য় দিন বল্লো বাবার মৃত্যু সনদের অনলাইন কফি লাগবে।৩য় দিন বলে খতিয়ানের অনলাইন কপি লাগবে, শেষে বের হয়ে আলিবাবা ছিলো তারা বলে ৩০০০দিলে হয়ে যাবে। দেওয়ার পর হয়ে গেলো ও।
আমি আমার SSC মার্কশিট হারিয়ে ফেলেছি। পরে আমার স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে জানতে পারি যে, বোর্ড থেকে হারানো মার্কশিটের ডুপ্লিকেট কপি তোলা যায়। এরপর আমি বরিশাল বোর্ডে মার্কশিট তুলতে যাই। সেখানে স্যাররা আমাকে জানান যে মার্কশিট তুলতে ৩০০ টাকা খরচ হবে। কিন্তু পরে আমাকে ১,৮০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি একটু বিভ্রান্ত হয়ে গেছি, কারণ আগে আমাকে ৩০০ টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়েছিল। বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ।
বছরকানেক আগে, আমি যখন নতুন পাসপোর্ট বানাতে যাই আমি নিজে নিজে সব ফরম পূরন করি তাদের details অনুযায়ী। অফিসে যাওয়ার পরে আমার ভুল ধরেছিল আমি কেন Nid and Birth certificate number ২ টাই ফিলআপ করলাম যেটা কিনা কোনো সমস্যাাই না।পরে দালাল এর মাধমে পরের দিন আবার যাই কোনো কিছু পরিবর্তন না করে ফাইল ও জমা নেয় একি ব্যাক্তি কোনো ধরনের কিছু চ্যাক না করে approve করে দিছে😏
আমরা এক ভাই এক বোন, বাবা ও মা মারা গিয়েছে এখন ভাই আমাকে সম্পত্তির ভাগ দেয়না , তাই আমি ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে অরিস নামা , আনআইডি সহ সকল পেপার জমা দিলে আমাদের দুইজনের (ভাই-বোন) নামে যৌথ নামজারি করতে ১ লক্ষ টাকা চায় যা ৮০ হাজার টাকায় হয়। কাজ হয়েছে।
ই নামজারি , নায়েব তার অফিস সহকারির মাধ্যমে ৬০০০০ টাকা দাবি করে পরে জা ২৫০০০ টাকায় করি। টাকা না দিলে কাজ হয় না
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মিনিস্ট্রি অডিটে আসে DIA নামক একটা প্রতিষ্ঠান থেকে। সেখানে সকল শিক্ষকের এক মাসের স্যালারি ঘুষ হিসাবে দিতে বাধ্য হই।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশী সরকারি স্কলারশিপে (হাঙ্গেরিয়ান, টার্কি গভমেন্ট স্কলারশিপ) এপ্লাই করতে পুলিশ ভেরিফিকেশানের দরকার হয়। এই সেবা অনলাইনেই দেয়া হয় কিন্তু আমাদের স্কলারশিপের ডেট সামনেই ছিলো তাই কাজটা যাতে দ্রুত হয়, ২-৩ দিনের মধ্যে কাজটা করে দেবার জন্য রামপুরা থানার এক পুলিশ অফিসার আমাদের থেকে ৮ হাজার টাকা নেয় এবং কাজটা করে দেয়।
একটি জমির রেকর্ড সংশোধন এর জন্য সিভিল মামলা দায়ের করতে যাই। দায়েরের পর নোটিশ জারীকারক ৩০০০ টাকা দাবী করে বলে, টাকা না দিলে সমন জারী হবে না। নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
I was missed my exact date. For this reason 500 taka was given by me.
মৃত্যুর হুমকি আসায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে এক হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
Back in 2023. I’m living in spain. (That time also)so i needed the police clearance to get the residence. When i applied they start investigating when the found i live in europe they said have to pay 50k otherwise it won’t happen .I have tried from here by the embassy they also said it will take too much time and at the end you have to pay like 350 euro. That time it was more less 50k. So i had no choice but paid 50k
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীন নোয়াখালীর হাউজিং এস্টেটে বিল্ডিং এর ড্রাফ্ট প্ল্যানিং অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট) চট্টগ্রাম হাউসিং এস্টেট জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি একটি মামলার রায়ের নকল তুলতে তিন চার দিন ধরে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে আমাকে নকল দেওয়া হয়েছে। স্বয়ং দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে সিসিটিভি ক্যামেরা উপেক্ষা করে কোটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচন্ড লেভেলের ঘুষখোর। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটি আদালতে ঘুষ দিতে দিতে নাচতেনাবত অবস্থা।আপোষ মীমাংসা এর মাধ্যমে সমাধান হওয়ার কারণে মামলাগুলো আমরা তুলে নেই, মামলা তুলতে গিয়ে পদে পদে হয়রানি প্রায় ২২০০০ টাকা আমাকে ঘুষ দেওয়া লেগেছে। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার পাবার জন্য কিন্তু দিনাজপুর জেলা জজ আদালতেই মানুষ ন্যায় বিচার পায় না। তাহলে জেলা জজের কাজ কি??!! কোর্টের বিচারকগণ তাদের নিম্নস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!!