নামজারি
ই নামজারি , নায়েব তার অফিস সহকারির মাধ্যমে ৬০০০০ টাকা দাবি করে পরে জা ২৫০০০ টাকায় করি। টাকা না দিলে কাজ হয় না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ই নামজারি , নায়েব তার অফিস সহকারির মাধ্যমে ৬০০০০ টাকা দাবি করে পরে জা ২৫০০০ টাকায় করি। টাকা না দিলে কাজ হয় না
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মিনিস্ট্রি অডিটে আসে DIA নামক একটা প্রতিষ্ঠান থেকে। সেখানে সকল শিক্ষকের এক মাসের স্যালারি ঘুষ হিসাবে দিতে বাধ্য হই।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশী সরকারি স্কলারশিপে (হাঙ্গেরিয়ান, টার্কি গভমেন্ট স্কলারশিপ) এপ্লাই করতে পুলিশ ভেরিফিকেশানের দরকার হয়। এই সেবা অনলাইনেই দেয়া হয় কিন্তু আমাদের স্কলারশিপের ডেট সামনেই ছিলো তাই কাজটা যাতে দ্রুত হয়, ২-৩ দিনের মধ্যে কাজটা করে দেবার জন্য রামপুরা থানার এক পুলিশ অফিসার আমাদের থেকে ৮ হাজার টাকা নেয় এবং কাজটা করে দেয়।
একটি জমির রেকর্ড সংশোধন এর জন্য সিভিল মামলা দায়ের করতে যাই। দায়েরের পর নোটিশ জারীকারক ৩০০০ টাকা দাবী করে বলে, টাকা না দিলে সমন জারী হবে না। নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
I was missed my exact date. For this reason 500 taka was given by me.
মৃত্যুর হুমকি আসায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে এক হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
Back in 2023. I’m living in spain. (That time also)so i needed the police clearance to get the residence. When i applied they start investigating when the found i live in europe they said have to pay 50k otherwise it won’t happen .I have tried from here by the embassy they also said it will take too much time and at the end you have to pay like 350 euro. That time it was more less 50k. So i had no choice but paid 50k
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীন নোয়াখালীর হাউজিং এস্টেটে বিল্ডিং এর ড্রাফ্ট প্ল্যানিং অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট) চট্টগ্রাম হাউসিং এস্টেট জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি একটি মামলার রায়ের নকল তুলতে তিন চার দিন ধরে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে আমাকে নকল দেওয়া হয়েছে। স্বয়ং দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে সিসিটিভি ক্যামেরা উপেক্ষা করে কোটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচন্ড লেভেলের ঘুষখোর। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটি আদালতে ঘুষ দিতে দিতে নাচতেনাবত অবস্থা।আপোষ মীমাংসা এর মাধ্যমে সমাধান হওয়ার কারণে মামলাগুলো আমরা তুলে নেই, মামলা তুলতে গিয়ে পদে পদে হয়রানি প্রায় ২২০০০ টাকা আমাকে ঘুষ দেওয়া লেগেছে। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার পাবার জন্য কিন্তু দিনাজপুর জেলা জজ আদালতেই মানুষ ন্যায় বিচার পায় না। তাহলে জেলা জজের কাজ কি??!! কোর্টের বিচারকগণ তাদের নিম্নস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!!
২০২৪ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৫ সালের একদম শুরুতে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (ইন্টেরিম গভমেন্ট) দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো, আমি আমার জন্ম সনদে (বার্থ সার্টিফিকেট) সকল তথ্য বাংলার সাথে সাথে ইংরেজিতেও এন্ট্রি করা এবং বাবা মায়ের নামের সামান্য বানান সংশোধন এর জন্য ঢাকার দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এর মূল অফিস অর্থাৎ নগর ভবনে যাই। এই কাজের জন্য ডিসি অফিসের অনুমোদন আর কাজটা দ্রুত করে দেবার জন্য ২০০০ টাকা চায় তথ্য কেন্দ্রে কর্মরত কর্মী। তাদের সাথে গেইটের ও লিফটের আসেপাশে থাকা সিকিউরিটি গার্ডরাও জড়িত। শেষমেশ ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি কিন্তু আমার ডিসি অফিসের কাজটা তারা করতে পারেনি। ইন্টেরিমের কারণে যেহেতু ডিসি অফিসের অনেক কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে তাই ওরা ঠিকমতো সুবিধা করতে পারেনি। শেষমেষ ৮০০ টাকায় কাজটা করে।
ঘুষ না দিলে আপনি ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করতে পারেন। ড্রাইভিং পরীক্ষার দিনে প্রায় শত শত লোক দালালের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে টাকা দিয়েছে। শুধু দালালরাই নয়, এমন লোকও আছে যারা আসলে সহজ পথ বেছে নিতে চায়। এই প্রবণতাটি খুবই সাধারণ। এটা রক্তে মিশে আছে। এমন মুসলিম লেবাস দারি কর্মচারীরাও ঘুষ হিসেবে টাকা চায়; এই ধরনের লোকেরা মনে করে এটা তাদের জন্য খুবই হালাল।
রাজউকের জমির ছারপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করা হয়। তখনই বিভিন্ন সোর্স থেকে জানতে পারি টেবিল খরচ না দিলে এটা অনলাইনেই পরে থাকবে। তারপর বিভিন্ন সোর্সের সাথে আলাপ করে অতিরিক্ত ৩০০০০/ টাকায় দফারফা হয়। এখনো হাতে আসে নাই তারা আরও দাবি করছে।
আমার স্ত্রীর বিদেশে যাওয়ার জন্য সিভিল সার্জন এর অফিস থেকে মেডিকেলের রিপোর্টে একটা সত্যায়িত করার জন্য যাই। সেখানে বলে আজকে পাবেন না। ৫দিন পরে আসুন। বললাম, সত্যায়িত করতে ১মিনিট লাগবে। ৫দিন পরে কেনো? তখন বলে, চা খাওয়ার জন্য কিছু দিন। ১০০০টাকা দেওয়ার পর ৩০সেকেন্ডে কাজ শেষ। এই দেশ আমাদের? এরাই আমাদের টেক্সের টাকায় বেতন নিয়ে চলে? মাঝে মাঝে এই সিস্টেমের উপর খুব রাগ লাগে। এই জন্য দেশ ছেড়ে বিদেশে পরে আছি।
আমার জমির কাগজপত্র সবকিছু ঠিক আছে। নামজারিতে দিয়েছিলাম কিন্তু মাসের পর মাস আটকে ছিল। কয়েকবার প্রত্যাখ্যানও হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে পৌর ভূমি অফিসে ১০০০ টাকা এবং উপজেলা ভূমি অফিসে ২০০০ টাকা এই মোট ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। সাত দিনের মধ্যে আমার নামজারিটা কমপ্লিট হয়ে যায়।
জমি কেনার পর নিজের নামে নামজারি করতে সরকারি ফি হিসেবে ১,১৭০ টাকা দিতে হয়। আমি অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু প্রায় ৬–৭ মাস হয়ে গেলেও আবেদনটি অনুমোদন হয়নি। পরবর্তীতে দনিয়া ভূমি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করলে নামজারি করে দেওয়ার জন্য ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। যেহেতু জমিটি নতুন কেনা এবং দ্রুত নিজের নামে নামজারি করানো আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই বাধ্য হয়ে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিই। টাকা দেওয়ার মাত্র দুই দিন পর আমার নামজারির আবেদনটি অনুমোদন হয়ে যায়।
সরাসরি গিয়েছি আবেদন গ্রহণ করেনি। দালাল বললো গ্রহণ করবে না। কন্ট্রাক্ট করুন এতো টাকা দিলে আপনার কোন ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্ট সংশোধন হয়ে আসবে। ২০২৩ সালের ঘটনা। এবং শেষ পর্যন্ত দালাল এর কথায় টাকা দেয়ার পর এক ধরনের সাইন ব্যবহার করে ফাইল রিসিভ হলো এবং সব কিছুই শেষ কোন প্রশ্ন ছাড়াই।
আইডি কার্ড বানাতে দেরি হবে সার্ভার কাজ করছে না,নির্বাচন কমিশন থেকে বন্ধ আছে,৩০০০ টাকা দিলাম অমনি সার্ভার কাজ হয়ে গেলো,,,
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে নাগরিক সনদ পত্র আনতে পৌরসভা গেলাম রমজানের ছুটি শুরু হওয়ার আগের দিন। তো আমি যখন করার জন্ সেখানে গিয়ে কোনো কর্মকর্তাকে পেলাম না। সরকারি চাকরি তো তাই, ছুটি শুরুর আগের দিন থেকেই ছুটি ধরে নিয়েছিল হয়তো। ফলে নাগরিক সনদ ছাড়াই জমা দেই। এরপর একজন পুলিশ কল দিয়ে বলে দেখা করার জন্য। উনি সম্ভবত হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এপ্লিকেশন গ্রহণের দায়িত্বে আছেন। যাওয়ার পর বলে, ৫০০ দিতে হবে। নাহলে ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত নাগরিক সনদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। পরে অনিচ্ছা সত্বেও দিতে হয়েছে।
আমার মায়ের অসুখ এর জন্য আমি আমার মাকে নিয়ে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতাল এ যাই, করা গেছেন তারা জানেন সেখানে সব কিছু তেই অতিরিক্ত সিরিয়াল । ডাক্তার দেখাবেন সিরিয়াল, তবে যদি নার্সদের অথবা আনসার দের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন আপনি আগে দেখাবেন, রোগী প্রতি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা । এবার আপনি ডাক্তার দেখালেন আপনাকে টেস্ট দেয়া হলো, টেস্ট করাতে গিয়ে দেখলেন টেস্ট করানো পর্যন্ত যেতে আপনাকে কয়েক ধাপে , সম্ভবত ৩ ধাপে সিরিয়াল দিয়ে টেস্ট এর সম্পোল দেয়ার জায়গা পর্যন্ত যেতে হয় এই ৩ ধাপ আপনাকে সহজ করে দিবে আনসার সদস্যরা যদি আপনি ১০০০- ২০০০ টাকা খরচ করেন প্রতি ধাপে টেস্ট এর খরচ ৬০০ টাকা সাথে আরও ৬০০০ টাকা আপনার ঘুষ দিতে হলো । আপনি ভাবতে পারেন ঘুষ দিবনা সিরিয়াল এ দাঁড়িয়েই টেস্ট করাবো, সে গুড়ে বালি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এরজন্য বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছিলো ২০১৮ সালে একজন দালালের মাধ্যমে। আরো টাকা দিতে হবে। আজ পর্যন্ত প্রিন্ট হয় নি বাড়তি টাকা পাওয়ার লোভে ।