জন্মনিবন্ধন
আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গেলে মাথাপিছু ১০০০ করে ঘুষ দাবী করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গেলে মাথাপিছু ১০০০ করে ঘুষ দাবী করে।
Ami nije nije shob online a apply kore passport form joma dite gesi kintu tara joma ney na counter a gafargaon theke 4-5 din ektana gesi joma ney na. Pore bujlam dalal sara joma nibe na. Pore ek dalal dhori ora dukaner ki ekta paper lagaya dey just ar kisui kore nai oita deikha counter er luk joma ney amr almost 1k-20k tk gese eshob korte korte. Amr oshustho baba k niye daily eto jatayat onk koshto hoise. 2024 er ghotona eta.
হারানো পাসপোর্ট পুনরায় করতে গিয়ে, বিভিন্ন ভাবে তা আটক রাখে, পরবর্তী এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলল, তাঁরা উপরোক্ত চাঁদা দাবি করলে তা দিলে, কিছু দিন পর পাসপোর্ট পুনরায় পায়।
প্রিপেইড মিটার নিয়ে সাত মাসের ভোগান্তি—এর দায় কার? সরকার প্রিপেইড মিটার স্থাপনের দায়িত্ব দিয়েছে একটি থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানকে। তারা অনেকটা জোর করেই আমাদের বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে। কিন্তু মিটার লাগানোর পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক ভোগান্তি এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি। মিটার লাগানোর পর প্রথমেই তারা ৩,০০০ টাকা দাবি করে। শেষ পর্যন্ত ২,০০০ টাকা দিয়ে তাদের বিদায় করি। তখন বলা হয়েছিল, ২৫ দিনের মধ্যে মিটার অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। কিন্তু ২৫ দিন তো দূরের কথা, তিন মাস পার হয়ে গেলেও মিটার অ্যাকটিভ হয়নি। যোগাযোগ করলেই কখনো লোক পাঠানো হয়, কখনো বলা হয়—‘হয়ে যাবে’, ‘হচ্ছে’, ‘আর একটু সময় লাগবে’। এভাবেই চলতে থাকে। এরপর একদিন আবার বাসায় এসে মিটারসংক্রান্ত সব কাগজপত্র নিয়ে যায়। সেদিনও ‘কষ্ট করে এসেছে’—এই
নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য সরকারের নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে
জরুরিভিত্তিতে বানানো লাগতো তাই বললো টাকা লাগবে নাহলে সময় লাগবে করতে।
একাউন্ট খোলার জন্য উক্ত ব্যাংকের শাখার কর্মকর্তারা নানাভাবে হয়রানি করছিলো, সব ডকুমেন্টস থাকা সত্বেও আজকে হবে না বলে প্রত্যাখান করে দিচ্ছিলো। অতঃপর ব্যাংকের মুরব্বি পিওন ১০০০ টাকার বিনিময়ে ঐদিনই খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাউন্ট টা খুলে দেন।
তো একটা মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দিতে হয়েছে। এছাড়া থানাতেও পুলিশেরা আমাদের কাছ থেকে হুমকি ধামকি দিয়ে প্রায় ২০০০০ টাকা নিয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( রাজউক) এ আপনি যদি প্ল্যান পাশের আবেদন করেন তাহলে বিনা ঘুষে আপনি কাজ বের করে নিয়ে আসতে পারবেন না। চলুন দেখে নেই, কি কি উপায়ে তারা টাকা নেয় এবং তাদের রেট কি? ১। এম আই এস- ৪০,০০০/- ২। সংরক্ষন-২০,০০০/- ৩। ছাড়পত্র - ৩০-৪০,০০০/- ৪। অনলাইন ছাড়পত্র- ৪০,০০০/- ৫। ফাইনাল প্ল্যান এপ্রুভাল- ৪/৫,০০,০০০/- জমির ট্রান্সফার-৫০,০০০-৫,০০,০০০/- সেল পারমিশন - ৬০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- ফাইলে মামলা থাকলে রেট হাই এই ঘুষ নেয় কে? এমন কিছু লোক আছে যারা স্থায়ী চাকরি করে না রাজউকে, বিভিন্ন সহকারী, হিসাব সহকারি, ডিলিংস অফিসার, কানুনগো, ইন্সপেক্টর, সহ ইন্সপেক্টর, সহকারী অথরাইজড অফিসার, অথরাইজড অফিসার। এছাড়াও নিচের বিভিন্ন সহকারী দিয়ে টাকা খায়, ডিরেক্টর, মেম্বার। আমার কাছে এমন অনেক এভিডেন্স আছে।
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাজমেন্ট এর সময় শিক্ষকদের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের কথা বলে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে ৭০০ টাকা করে নেয়। সর্বমোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ জন এবং সবার থেকে এ টাকা নেওয়া হয়। ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের জন্য এই টাকাগুলো সিভিল ডিপার্টমেন্ট ব্যতীত অন্য কোন ডিপার্টমেন্ট নেয় না।
সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।
আমার বাইকের নাম ট্রান্সফার করার জন্য ফরিদপুর BRTA অফিসে যাই। সেখানে প্রায় ৭ দিন ঘোরাঘুরি করেও কোনো কাজ এগোয়নি। বারবার অফিসে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত শুনতে হয়েছে, কিন্তু আমার ফাইলও বের করে দেওয়া হয়নি। এমনকি আমাকে ২ বার ব্যাংক ড্রাফট করতে বলা হয় এবং আমি ব্যাংক ড্রাফট করেও দিই। কিন্তু তারপরও কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। পরবর্তীতে একজন ব্যক্তি এসে বলেন, তাকে কিছু টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দিতে পারবেন। বাধ্য হয়ে তাকে ১৫,০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর আমার বাইকের নাম ট্রান্সফারের পুরো কাজ মাত্র ১ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করে দেন। একইভাবে, যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই, তখনও আমার কাছ থেকে নির্ধারিত খরচের চেয়ে অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা শেষে টাকা চাওয়া হয়। আগের বার টাকা দেই নাই জন্য ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছিল ।
উপরোক্ত আবেদন জমা দিতে গিয়েছি, আবেদনটি দেখার পরে খরচ লাগবে এই মর্মে আমার থেকে ২০০০ টাকা দাবি করা হয় , পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে আবেদন জমা করাই । উক্ত অফিসের " জমা ও গ্রহন " শাখার ব্যাক্তি এই কাজ করেছে
পাসপোর্ট অফিসে এক আনসার সদস্য আমার থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তবে এর সাথে পাসপোর্ট অফিসার ও যুক্ত বলে আমার মনে হয়। কারণ তিনি একটা ডকুমেন্টস এর জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু ঘুষ দেওয়ার পর সেটি ছাড়াই আমার পাসপোর্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকে বাধ্য হয়ে তা দিতে হয়েছে কারণ আমার বাসা থেকে পাসপোর্ট অফিস অনেক দূরে আর আমার যাতায়াত করতে সমস্যা হয়।
amader basai pani na asai amra sanitary mistri dekhaiyechi, Se bolse WASA main line e pani ase na, WASA office janate hobe. Poroboirtite 16162 help line e fon diye janano hoi, tara lok pathai and bole taka lagbe . amra jante chailam taka lagbe keno? etato amader fault na. apnader main line e pani ase na. Tarpor tara bollo kisu korar nai, pani ante chaile taka dite hobe, Amra jigges korlam koto taka lagbe, tara seta clear kore bollo na, Tara kaaj korlo and pore 3000 taka dabi korlo, amra bollam taka debo keno? meter e ti pani ase nai, wasa responsibilty pani asbe , tarpor tara example dilo je basa barite kaj korle 100000 taka porjonto nei, apnader to kom taka chawa hoise, tarpor ami bollam..
ভূমি অফিসে কি ভাবে খতিয়ান দেখতে হয় তা জানা নাই বা কোন পদ্ধতি নাই জানা।তাই তথ্য জানার জন্য যে দেখিয়েছে তা কে।৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল। মুল কারন হলো আমরা জানি না খতিয়ানে কতটুকু জমি আছে তা জানার কি পদ্ধতি । কি ভাবে আবেদন করতে হয়।সিস্টেম কি তা আমরা জানি না।এটা ভূমি অফিসের লোক।প্রচার করবে না।অন্য কাউকে প্রচার বা জানাতে হবে
আমার পাসপোর্টের সব ডকুমেন্টস্ ঠিক থাকার পরও। এটা সেটা বাহানা দিয়ে বার বার রিজেক্ট করছিল। গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসের যাচাই-বাছাই করে যে কর্মকর্তা তিনি। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তাগিদে ৩,০০০/- টাকা দিয়ে দরবেশ (দালাল) ধরে পরে করতে হইছে।
জমি রেজিস্ট্রী করার জন্য, জমির খাজনা এবং খারিজ বাবদ ২০হাজার টাকা অতিরিক্ত নিছিলো৷
দালাল এ ৯ হাজার টাকার কথা বলে ১৫ হাজা টাকা নিছে।