এলাকায় বিদ্যুৎ আনানো
পল্লী বিদ্যুতের লাইন নেয়ার জন্য পুরো গ্রামের প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল ওই সময়টাতে। কিন্তু এমপি সাহেব যখন উদ্বোধন করতে আসেন তখন তিনি বলেছেন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। ঘটনার সন-২০১৬
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পল্লী বিদ্যুতের লাইন নেয়ার জন্য পুরো গ্রামের প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল ওই সময়টাতে। কিন্তু এমপি সাহেব যখন উদ্বোধন করতে আসেন তখন তিনি বলেছেন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। ঘটনার সন-২০১৬
দলিল পাওয়া রশিদ, ৬০০ Jeta hobar kotha 360 Taka, Ami pore sorakari Mainul pore janlam,, Ora Ai beshe taka, sobai Vag kore nei, din A 30-40 hajar taka Extra tule
পুলিশ ইয়াবা সহ দুজনকে এরেস্ট করেছে একজনের কাছে ইয়াবা ২২ পিস পেয়েছে আরেকজনের কাছে কিছু পায় নাই, যার কাছে পেয়েছে তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা, যার কাছে কোন কিছু পাই নাই তার কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চেয়েছে ১৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয় নাই, বলছে যে আইনের নরমাল দ্বারা দেওয়া হবে যাতে দুই-একদিনের জামিন করানো যায়, এই জন্য টাকাটা নেওয়া হয়েছে।
খুলনা সদর ভুমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয়না আর যদি আপনার নথিতে সামান্য সমস্যা থাকে তাহলে তো ঘুষ ছাড়া আপনার ফাইল আটকে থাকবে দিনের পর দিন,আমার একটা জমির মালিকানা পরিবর্তন বা ই-নামজারি বা বিআরএস খতিয়ান ভুক্ত করাতে, অনেক দিন দৌড়ানোর পরেও আবেদনটি নামঞ্জুর করে দেয় দায়িত্বরত নায়েব ও এসি ল্যান্ড পরে উক্ত নায়েবের সাথে ভুমি অফিসের বাইরে মিটিং করে ৭০,০০০ টাকা চুক্তি হয় এবং তা পরিশোধ করার পরবর্তী ১ সপ্তাহে কাজটি হয়ে যায়!
কাশিপুর মুহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে এমপিওর কাগজপত্র জমা দিতে প্রতি জনের জন্য ১০,০০০/- করে শিক্ষা অফিসারের সহকারী দাবী করে।
ঝালকাঠী কোর্টে একটা গার্ডিয়ানশিপের মামলার কাজে গিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে যা বুঝলাম, টাকা ছাড়া পেশকাররা কাজ করেনা। টাকার বিনিময়ে মামলার তারিখ আগে/পরে দেওয়া এবং আমার কাছে মনে হয়েছে এরা সবাই এই ঘুষের সাথে জরিত এবং এই ঘুষ বানিজ্য ওপেনে হচ্ছে। কেউ আটকাবার নেই! যতবার গিয়েছি টাকা দিতে হয়েছে, না হলে কাজ দেরি করে হবে। এরা সহজ মামলাও জটিল করে এরকম ঘুষ বানিজ্য করে। আমাকে কয়েকবার এভাবে করে টাকা দিতে হয়েছে এবং টাকার পরিমান ছিলো সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০০ টাকা।
জমির খাজনা দিতে যেয়ে খাজনা পরিশোধের জন্য ঘুষ দাবি করা হয়। ঘুষ হিসেবে প্রথমে ১০০০ নেওয়া হয় শুধুমাত্র ফাইল অফিসারের কাছে পাঠানোর জন্য।
পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার পর, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য লোকাল থানা পুলিশ আমার কাছে এসেছিল, আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেওয়ার পর কোনো ত্রুটি না থাকা সত্তেও নাস্তা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করে, এবং টাকা না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে হুমকি দেয়। উপায় না দেখে আমি দিয়েছি
আমি আমার সদ্য ক্রয়কৃত গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে সিলেট বিআরটিএ অফিসে যাই। এ সময় সেখানে কর্মরত একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমার মালিকানা পরিবর্তনের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য ৩,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি কিছুটা কম টাকা দেওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি তাতে রাজি হননি। ফলে, বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত ৩,০০০ টাকা প্রদান করেই আমাকে আমার কাজটি সম্পন্ন করতে হয়।
জিডি করতে থানার কম্টিউটার অপারেটর অনলাইন খরচ এর নামে সবার থেকে ১০০/২০০/৫০০ করে টাকা নেই। আমার থেকেও নেয়।
২৫ হাজার টাকা চেয়েছিল পরে এক বড় ভাইকে দিয়ে উনাকে ফোন করিয়ে ২৫ হাজারের স্থলে ১২০০০ টাকা দিয়ে এসেছি।
জম্মনিবন্ধন ঠিকানা পর্রিবতন করতে বেশী টাকা দিতে হয়।
আমি যখন প্রথম পাসপোর্ট এর আবেদন করি, তখন পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশনের জন্যে একজন পুলিশ স্থানীয় থানা থেকে আমাকে ফোন করে দেখা করার জন্য, তো আমি দেখা করতে যাওয়ার পর আমার সম্পর্কে সব কিছু জিজ্ঞেস করার পর ওনি বলে বসেন চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য কিছু দিতে, আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি ওনি কিসের টাকার কথা বলছেন, তারপর আমার ভায়ের কাছে ওনাকে নিয়ে যাই সেখানে যাওয়ার পর, ভাই একটু পরিচিত মুখ হওয়ার কারনে ৫০০টাকা নিয়ে ৭ দিন পর আমার ভেরিফিকেশন ক্লিয়ার করে দেয়।
মানে অযথা কারনে পাসপোর্ট এর কাগজপত্র বাতিল করে দিসিল পরে অফিস থেকে বের হয়ে দালাল এর সাথে কথা বলে ১৬০০ টাকা দাবি করে যে শব ঠিক করে দিবে আজকের ভিতরেই সব কাজ শেষ করে দিবে তারপর টাকা নিয়ে অফিস এর কাগজ আপ্রভাল কারির কাছে কল করতেই শব ঠিক হয়ে যায়
১৩টি খতিয়ানের জন্য আবেদন করছিলাম প্রতিটি ১৫০ টাকা করে মোট ১৯৫০ টাকায়। কিন্তু ২ সপ্তাহ পর খতিয়ান আনতে গেলাম, দেখি এখনো হয় নাই। রেকর্ডরুমের একজনের সাথে কথা বলার পরে মহাফেজখানার একজন কর্মচারির নাম্বার দিলো যে কিনা আমার আবেদনের দায়িত্বে। ওনাকে ফোন দিলাম পর পর সরাসরি বললো কিছু খরচ লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের খরচ আমি ত টাকা দিয়েই আবেদন করছি। পরে বললো নেওয়ার সময় এটা দিতে হয়। টাকা না দিলে আবেদন ঝুলে থাকে। তারপর আমি বললাম আচ্ছা কত টাকা দিতে হবে বললো খতিয়ান প্রতি ১০০ টাকা। আর বড় খতিয়ান হলে ১০০ তে হবে না তখন আরো বেশি লাগবে। কি আর করার, ওখানে অনেকজনের সাথে কথা হয়েছে সবাইই বললো টাকা না দিলে কাজ হয় না। তাই যে ৫টা খতিয়ান রেডি ছিলো, ৫০০ টাকা দিয়ে নিয়ে আসছি। বাকি ৮টা আনতে আগামী বুধ-বৃহঃস্পতিবার যেতে বলছে।
I applied several times (5) for mutation but unfortunately reject by AC land office.Waste time for more than 8 months though i participate in hearing.After payment of Tk 100,000 it was approved without participating hearing.
সরকারি পে অর্ডার ফি বাদে অতিরিক্ত অর্থ আদায়
টিসির কাজের জন্য দিতে হয়েছিলো।
ট্রেডলাইসেন্স করার জন্য ৪০০০ টাকা আগেই গুষ দিতে হয়েছে। গুষ এর টাকা দেয়ার পরের দিন তারা ফাইল প্রসেস করে।
বাংলাদেশের ফিশিং ভেসেল যখন বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে যায় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে, তখন আমাদের একটা অনুমতি পত্র লাগে যেটাকে সেলিং পারমিশন বলে । সেই সেলিং পারমিশন নেওয়ার জন্য প্রতিবার ঘুষ দিতে হয়। এবং সাগর থেকে ফিরে আসার পর উনাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছ দিতে হয়। এবং এই জাহাজগুলা সার্ভে করার সময় সার্ভেয়ারকে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হয়।