Jomi khariz
10 sotok jomi khariz apply korsi.. all ok silo but tara system network nai bole,, trpor tk diya lagse kaj korse 1din er moddei
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
10 sotok jomi khariz apply korsi.. all ok silo but tara system network nai bole,, trpor tk diya lagse kaj korse 1din er moddei
আমি আমার কোম্পানির জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে যাই তো আমাকে বিভিন্ন ধাপে ধাপে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় যেহেতু এটা আমার জন্য ইম্পরট্যান্ট ছিল তাই আমি পরিশোধ করি ।
We were late to submit the Withhold Return so they had refused to give the signature and told us that we will have to pay a fine of 5000 taka to proceed officially but then they offered that if we give them 1500 taka then they will proceed to take the signature from the tax officer.
অতিরিক্ত টাকা ওদের লোকের মাধ্যমে না দিলে কাগজ এ অনুমোদন দেয় না। টাকা না দিলে তথ্যের নানা ভুল হয়ছে বলে কাগজ ফেরত দেয়৷
গত ১.৫ বছর ধরে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১১৭০ টাকাতে করার জন্য চেষ্টা করেছি, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বার বার তারা নামঞ্জুর করেছে, বাধ্য হয়ে তাদের চাহিদা পুরণ করতে হয়েছে।
পাসপোর্টের করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে একজন পুলিশ কল দিয়ে ডকুমেন্ট নিয়ে দেখা করতে বলে। কোন ডকুমেন্টের সাথে ১ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে আমার পাসপোর্টটি করা খুব জরুরী ভিতরে আমি ১০০০৳ টাকা পরিশোধ করে ওখান থেকে বের হয়ে আসি।
শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি থেকে এফডিআর নিতে /রিনিউ করতে ব্যাংকগুলোকে কোটিতে ৪০০০-৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়৷ যারাই এ-র ডিপোজিট নেয়, সব ব্যাংক ভুক্তভোগী৷ এদের ডিপোজিট প্রায় ১৫০০ কোটি৷ এবার হিসাব করেন, এটার দায়িত্বে যারা, তাদের বাৎসরিক এক্সট্রা ইনকাম কতো? এদের থামাবে কে? কেউ আছে দেখার?
I went to renewal trade license, they asked me pay money without any receipt otherwise no renewal so we had paid 10000 taka
আমার বাইক মিরপুর বিআরটিএ থেকে নাম ট্রান্সফার করি। এরপর বায়োমেট্রিকের আসলে আমি খুলনা বিআরটিএ তে যাই। সেখানে প্রথমে বলে এটা সব না ঢাকা থেকে করে আনতে হবে। এরপর অন্যভাবে বললে, ১ হাজার টাকা চায়। ২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজটা করে দেয় আমি তখন ৭০০ টাকা দিয়েছিলাম। ঘটনা জুন ২০২৬ এর
পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা চাই, প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হয় এবং ৫০০ টাকা দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করি।
they charged 1k tk for showing me my TIN and tax return..
বহিঃবাংলাদেশ ছুটি নিতে হলে উপজেলা, জেলা, বিভাগ সকল কার্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়। নতুবা ছুটির কাজ হবেও না আর ছুটি পাওয়া ও যাবে না। আমি ছুটি পাওয়ার জন্য দিতে বাধ্য হয়েছি। ব্যক্তিগত যেকোন কাজ করতে সকল স্বাক্ষরের জন্যই টাকা লাগে। তাছাড়া কাজ হয়না। জিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতেও উপজেলা কার্যালয়ে অর্থ দিতে হয়েছে। চাকুরী স্থায়ীকরণেও টাকা দিতে হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কার্যালয়ে।
আইনগত বিধান অনুযায়ী, সার্টিফাইড কপি বা যেকোনো দাপ্তরিক সার্টিফাইড ডকুমেন্ট উত্তোলনের জন্য নির্ধারিত সরকারি কোডে নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি (যেমন: ২০০ টাকা বা প্রবিধান অনুযায়ী প্রযোজ্য ফি) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুধু একটি সার্টিফাইড কপি বা অডিট পরবর্তী অ্যাসেসমেন্ট অর্ডার উত্তোলনের জন্য চালানের বাইরেও সার্কেল অফিস বা মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের টেবিল খরচ বা 'গ্যুস বাবদ' সর্বনিম্ন10,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়।
মূলত টাকাটা যারা দিয়েছিল তারা ভূমি অফিসের মাধ্যমে অবৈধভাবে বন্টননামা ছাড়াই ওয়ারিশান সম্পত্তি তাদের নিজেদের নামে নামজারি করিয়ে অবৈধ উপায়ে দখল করার চেষ্টা করছে। গৌরীপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা- কামচারীরা এই ঘুষ লেনদেনের সাথে জড়িত।
নামজারি জমা খারিজ আবেদন করেছিলাম। ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে টাকা চেয়েছে। টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ঘটনাটি কুমিল্লা জেলা, মনোহরগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত সরসপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে।
করোনার সময় পাসপোর্ট অফিস বন্ধ হওয়ার আগের দিন, পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়েছিল,তাদের তথাকথিত সার্ভার বন্ধ, বড় স্যারের কাছে ব্যবস্থা করে নেয়ার জন্য।
হেলমেট না থাকায় মামলা দেওয়া ভয় দেখিয়ে 1000 টাকা দাবি করে,,,,ঘটনাটি ঘটে উত্তরা ০৭ নং সেক্টর, শহীদ মুগ্দ মঞ্চের সামনে থেকে,,,,(উল্লেখ্য উক্ত রাস্তাটি কোনো হাইওয়ের অন্তর্ভূক্ত নয়), আমি তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করি এটা আমার এলাকার রাস্তা,,,আমি বাড়ির নিচে,,,তারপরও সে মামলা দিতে চায়,,পরে আর সিনক্রিয়েন না করার জন্য ১০০০/- দিয়ে দেই,,,,
জমি বিক্রি করার পূর্বে ওয়ারিশনামা তৈরির সময় বারবার ভুল ধরে আমার কাজটি পিছিয়ে দিচ্ছিলো ও কাগজ বাতিল করতে ছিলো , পরবর্তীতে ডিরেক্ট বলেই যে 10000 দিলে আর কোনো সমস্যা হবে না কাজটা হয়ে যাবে,বাধ্য হয়ে তখন এই টাকাটা দিতে হয়েছিলো ,
৫,০০০ টাকা না দিলে নতুন সরকারি চাকরির পুলিশ ভ্যারিফিকেশন রিপোর্ট খারাপ দিবে মর্মে হুমকি দিয়েছিলো পুলিশ, ৪,০০০ টাকা দিয়ে আপদ বিদায় করেছি । ১ হাজার টাকা ধার করেছিলাম, আর বাকি ৩,০০০ ছিলো রমজান মাসের জন্য রাখা বাজারের টাকা । ওই রমজান মাসটা পুরো পরিবার কোনরকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করেছি ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ যক্ষা সনাক্তের রিপোর্ট এ যক্ষা পজিটিভ আসায় ঔষধ নেবার সময় যখন বের হব তখন কর্মকর্তা বলেন ৩০০ টাকা লাগবে। তিনি এও বলেন শুধু প্রথম্বারেই এই টাকা নেওয়া হবে এর পরে আর টাকা দিতে হবে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ৩ টাকার বিনিময়ে আমি টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেছিলাম কারন এইটা নিয়মের মধ্যে পড়ে। কিন্তু যক্ষা সেন্টারে ৩০০ টাকা নেবার পরে তিনি কোনো রশিদ দেন নি এবং তিনি কিসের জন্যে এই টাকা নিলেন সেইটার কারন তিনি পরিস্কার করে বলেন নি।